সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৮:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ফুলবাড়িয়ায় সাদাময়না’কে নিয়ে বিপাকে কৃষক পাইকগাছায় অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন: আইনগত ব্যবস্থার দাবি সালথায় হত্যা মামলায় ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক গ্রেপ্তার জৈন্তাপুরে বাংলা টিভির এক দশক পুর্তী উদযাপন সালথার গট্টিতে আর মারামারী না করার দাবী জানিয়ে জাহিদ মাতুব্বরের সংবাদ সম্মেলন প্রতিটি পশুর হাটে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়েছে ডিএমপি কমিশনার রাজাপুরে ভেকুর ধাক্কায় প্রাণ গেল এক ব্র্যাক কর্মীর মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে: ওসি আশরাফ রাজধানীর কল্যাণপুরে চালু হলো ‘স্বপ্ন’র নতুন আউটলেট লালমনিরহাটে জেলা আ.লীগ নেতা জামিনে মুক্তি মিললেও জেলগেটেই ফের আটক ক্যান্সার ও প্যারালাইসিস আক্রান্ত অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াল পজেটিভ কাপ্তাই ঈদযাত্রার চাপে বাড়ছে ভোগান্তির শঙ্কা বিদেশে কর্মসংস্থান: রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় মানবসম্পদ রপ্তানির ধারণা — সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও বাংলাদেশের জন্য কর্মপরিকল্পনা ভাণ্ডারিয়ায় পৃথক অভিযানে গাঁজা গাছ ও ৯০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার শিশুরা শিখবে আনন্দঘন পরিবেশে হেসে খেলে : ফলাফল ও পুরস্কার বিতরণীতে ফয়সল আহমদ শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠায় সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জেলা প্রশাসকের নান্দাইলে অতিদরিদ্র সিএনজি ও অটোরিকশা চালকদের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান গাজীপুরে আগুনে পুড়ল ১১ ভাড়াটিয়ার ঘর, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে এমপি বাচ্চু তুরাগে বিএনপি নেতার ঈদ শুভেচ্ছা: দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান মেধাবী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনায় অংশ নিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বগুড়ার শিবগঞ্জে গ্রাম পুলিশ ও নৈশ্যপ্রহরীদের মাঝে নগদ অর্থ ও পোশাক বিতরন জাহানারা লতিফ মোল্লা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘ভালোবাসার দোকান’ প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যতে সাইবার নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান আইইবি সেমিনারে বক্তারা শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে যশোরের আলোচিত চিকিৎসক ডা. রাফসান আটক আদালতে খালাস পেলেও চাকরি ফেরেনি শিক্ষক মিলনের, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাউন্সিলর হলেন সিআইপি মাহবুব আলম লোহাগাড়ায় কোরবানির জন্য চাহিদার তুলনায় ৭ হাজার অতিরিক্ত প্রস্তুত রয়েছে ৩৭ হাজার পশু কাপ্তাইয়ের নতুন বাজার মাঠে কোরবানির পশুর হাট: পাহাড়ি গরুর ব্যাপক চাহিদা লালমনিরহাটে ৫০ বছর বয়সের নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা ঠাকুরগাঁওয়ে রামিসাসহ দেশব্যাপী ধর্ষণ ও হত্যার দ্রুত বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

থ্যালাসেমিয়া রোগীদের উন্নত স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করণে ডিজিটাল সেবা উদ্বোধন

প্রেস রিলিজ
বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫, ৬:৫২ অপরাহ্ন

“ডিজিটাল সেবায় পদার্পন করি উন্নত স্বাস্থ্য সেবা গড়ে তুলি” এই প্রতিপাদ্য কে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের উন্নত সেবা, তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং চিকিৎসা কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি হাসপাতালে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে “পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম” উদ্বোধন করা হয়েছে। নতুন এই ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে রোগীদের চিকিৎসা সংক্রান্ত সকল ধরনের তথ্য (যথাঃ- রক্ত পরিসঞ্চালন তথ্য, ক্লিনিকাল তথ্য, ওষুধ ব্যবহারের রেকর্ড, টেস্ট রেকর্ড) ফলো আপ এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্য একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে সংরক্ষিত থাকবে। যার ফলে চিকিৎসক ও রোগীর পরিবার সহজে প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পারবে এবং চিকিৎসা প্রক্রিয়া হবে আরও দ্রুত ও নির্ভুল।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির সম্মানিত উপদেষ্টা সনামধন্য রক্ত রোগ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডাঃ এম এ খান, প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান, হেমাটোলজি ও বি এম টি বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপতাল। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির সভাপতি জনাব ড. এম এ মতিন। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির সিনিয়র সহ সভাপতি ও বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি হাসপাতাল রির্সাচ ইনস্টিটিউটের উপদেষ্টা ডাঃ মোঃ জাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিঃ মোঃ মোশাররফ হোসেন, বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির কোষাধ্যক্ষ ইঞ্জিঃ মোঃ হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য ইঞ্জিঃ কাজী আলী আশরাফ, বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক ডাঃ এ কে এম একরামুল হোসেন। আরও উপস্থিত ছিলেন, ডাঃ মাফরুহা আক্তার, সহযোগী অধ্যাপক, হেমাটোলজি বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ এবং ডাঃ নাসিব মোহাম্মদ ইরসাদুল্লাহ, সহকারী অধ্যাপক, হেমাটোলজি বিভাগ, জাতীয় নাক কান গলা ইনস্টিটিউট।
অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য দেন ডাঃ এ কে এম একরামুল হোসেন। তিনি বলেন, আজকের দিনটি আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ আমরা উদ্বোধন করতে যাচ্ছি “থ্যালাসেমিয়া সমিতির পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম”- একটি আধুনিক, ডিজিটাল ও সময়োপযোগী উদ্যোগ।
এই সিস্টেমের মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের চিকিৎসা ইতিহাস, রক্ত সঞ্চালন, ওষুধ ব্যবহার, ল্যাব টেস্ট এবং ফলো-আপ সংক্রান্ত তথ্য সহজে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা সম্ভব হবে। এর ফলে রোগীরা আরও উন্নত সেবা পাবেন এবং চিকিৎসকরা রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় আরও কার্যকরভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
আমরা বিশ্বাস করি, এই উদ্যোগ শুধু রোগী ও তাদের পরিবারের জন্যই নয়, বরং জাতীয় পর্যায়ে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ ও গবেষণার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। তিনি উপস্থিত অতিথিবৃন্দ, বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির সম্মানিত নেতৃবৃন্দ, চিকিৎসক সমাজের গুণীজন, স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি ও হাসপাতালের রোগী ও তাদের পরিবারের সকল সদস্যদেরকে আজকের এই বিশেষ আয়োজনে উপস্থিত থাকার জন্য আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।
অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা বলেন,
থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জীবনমান উন্নয়নে এই পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে রোগীদের সেবা আরও সুসংগঠিত হবে এবং চিকিৎসা কার্যক্রমে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি আশা করছে, এ উদ্যোগ শুধু চিকিৎসা কার্যক্রমে নয়, বরং ভবিষ্যৎ গবেষণা ও নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। থ্যালাসেমিয়া একটি চ্যালেঞ্জ হলেও এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব। আমাদের সমষ্টিগত প্রচেষ্টা, জনসচেতনতা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারই এই রোগ নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।
অনুষ্ঠানের সভাপতি ড. এম এ মতিন বলেন, আজ আমাদের সমিতির জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। কারণ আমরা উদ্বোধন করছি “পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম”—একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, যা থ্যালাসেমিয়া রোগীদের চিকিৎসা ও সেবার মান উন্নয়নে এক নবযুগের উন্মেষ ঘটাবে।
আপনারা জানেন, বাংলাদেশে প্রতি বছর হাজার হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। এই রোগের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সঠিক ও নিয়মিত চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা। অনেক সময় রোগীর চিকিৎসা ইতিহাস, রক্ত সঞ্চালন, ল্যাব টেস্ট, ওষুধ ব্যবহার ইত্যাদি তথ্য ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকে, যা চিকিৎসক ও রোগীর পরিবারকে সমস্যায় ফেলে। আমাদের নতুন এই পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সেই সমস্যার সমাধান করবে যেখানে প্রতিটি রোগীর পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরি হবে।
আমরা বিশ্বাস করি, এই উদ্যোগ শুধু সেবা কার্যক্রমকেই আধুনিক করবে না, বরং ভবিষ্যতে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ, গবেষণা এবং নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। আমি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানাই—যারা এই সিস্টেম বাস্তবায়নে কাজ করেছেন, আমাদের চিকিৎসক, স্টাফ এবং প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের। তাদের নিরলস প্রচেষ্টা ছাড়া এ সাফল্য সম্ভব হতো না।
আসুন, আমরা সবাই মিলে প্রতিজ্ঞা করি—একটি থ্যালাসেমিয়া মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে একসাথে কাজ করব।

 


এই বিভাগের আরো খবর