কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কেদার ইউনিয়ন পরিষদকে মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ আব্দুল বাতেন ।
আসন্ন কেদার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনগণের সেবা, সচ্ছতা, উন্নয়ন অগ্রগতি ১৪নং কেদার ইউনিয়ন হবে সবার গর্ব এই দৃঢ় প্রত্যয়ে নির্বাচনী গণসংযোগের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি ।
১৪নং কেদার ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের সেবা ও কল্যাণে নিবেদিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আব্দুল বাতেন (বিএসসি) সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় কালে বলেন, আমার অঙ্গীকার, আমার প্রতিশ্রুতি দুর্নীতিমুক্ত, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ইউনিয়ন পরিষদ গঠন জনসেবা সহজ ও দ্রুত নিশ্চিত করা । কেদার ইউনিয়নে মাদক, জুয়া ও সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং রাস্তা, ব্রিজ-কালভার্ট, ড্রেনেজ ও অবকাঠামোর সার্বিক উন্নয়ন । কেদার ইউনিয়নের সর্বস্তরের কৃষকদের জন্য সেচ, বীজ, সার ও কৃষি পরামর্শে সহযোগিতা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদান ।
সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল বাতেন আরও বলেন, আমি একজন শিক্ষক, মানুষ গড়ার কারিগর সুতরাং কেদার ইউনিয়নের বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণে আমার সর্বাধিক অগ্রাধিকার থাকবে । কেদার ইউনিয়নের গরিব, অসহায়, বিধবা, প্রতিবন্ধী ও প্রবীণদের সরকারি সুবিধা নিশ্চিত করাসহ ইউনিয়নের মসজিদ, মাদরাসা, মন্দির ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সহযোগিতা ব্যাপকভাবে করা হবে। কেদার ইউনিয়নে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া সহ পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও পরিবেশবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তোলা হবে । মতবিনিময় কালে চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল বাতেন আরও বলেন, কেদার ইউনিয়নের প্রধান সমস্যা বন্যা, নদীভাঙন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় সর্বস্তরের জনতাকে সাথে নিয়ে প্রশাসনের সহযোগিতায় কাজ করা হবে । ইউনিয়নে খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সামাজিক কর্মকান্ডে যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করে ইউনিয়নের সকল উন্নয়ন কাজের হিসাব জনগণের সামনে প্রকাশ প্রকাশ করা হবে ।
আমি কথা নয়, কাজে বিশ্বাস করি, আপনার পাশে থেকে ইউনিয়নকে এগিয়ে নেব ।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ আব্দুল বাতেন (বিএসসি) আরো বলেন,
জনপ্রতিনিধিত্ব কোনো বাণিজ্যিক বিনিয়োগের জায়গা নয়, যেখানে অর্থ বিনিয়োগ করে অধিক মুনাফা অর্জনের নেশা থাকবে। বরং এটি সমাজ ও মানবতার কল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার এক পবিত্র মাধ্যম । আমার কাছে চেয়ারম্যান পদের এই দৌড় কোনো ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষা নয়, বরং এটি একটি বড় দায়িত্ব এবং মহান রবের দরবারে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়ানোর এক বিশাল পরীক্ষা।