জামালপুরে স্ত্রীকে হত্যা মামলার রায়ে স্বামীকে মৃত্যুদন্ডাদেশ ও অপর আরেকটি ধর্ষন মামলায় রায়ে আরেকজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১। ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম আজ এ আদেশ দেন।
রাষ্ট্র পক্ষের কৌসুলি এডভোকেট ফজলুল হক জানান, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম রহিমপুর এলাকার মোঃ মজর উদ্দিনের পুত্র আলাল সেকের সাথে বকশীগঞ্জ উপজেলার বালুচর এলাকার আব্দুল খালেকের কন্যার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় যৌতুক নিলেও পরবর্তীতে আরো ৫০ হাজার টাকা যৌতুক না পেয়ে ২০০৮ সালের ২৬ মে স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতন করে শরীরে আগুন লাগিয়ে দেয়। গুরত্বর আহত অবস্থায় কয়েক ঘন্টা পর তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের পিতা আব্দুল খালেক বাদী হয়ে ৭ জনকে আসামী করে বকশিগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে।
১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামী আলাল সেকের অনুপস্থিতিতেই তাকে মৃত্যুদন্ড ও ৫ লক্ষ টাকা অর্থদন্ডের আদেশ প্রদান করে আদালত এবং বাকী ৬ জন আসামীকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন। এ সময় জরিমানার অর্থ নিহতের বাবা ও মাকে প্রদানের আদেশও দেয়া হয়।
অপরদিকে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাঘারচর এলাকার জামিরুল ইসলামের ১০ম শ্রেনীতে পড়ুয়া কন্যাকে ধর্ষণের অপরাধে একই এলাকার জসিজল হকের ছেলে মোঃ রাজিব হোসেনের উপস্থিতিতেই তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫ লাখ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করে আদালত। ২০১৫ সালের ১১জুন জামিরুল ইসলাম তার মেয়েকে ধর্ষনের দায়ে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। ৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আজ আদালত এ রায় দেন।