টাঙ্গাইলের ঘাটাইলর পৌর এলাকার মেইন রোড বিদ্যুৎ অফিস সংলগ্ন অবস্থিত তানভীর মটরস। শুরুতে অল্প কিছু গাড়ির যন্ত্রাংশ দিয়ে ২০০৯ সালে যাত্রা শুরু হয় এই তানভীর মটরস এর।
শুরু থেকেই বেচা বিক্রি ভালো হয় এই দোকানটির। অল্প মাল থাকায় প্রায় সময়ই ক্রেতাদের ফেরত দিতে হতো। ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী মালামাল না দিতে পারায় ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়েরই মন খারাপ থাকতো অধিক সময়। তাই তানভীর মটরস এর স্বত্বাধিকারী মালিক মোঃ শামীম আল মামুন অধিক লাভের আশায় বিভিন্ন ভাবে ধার দেনা এবং ব্যাংক লোন এর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে দোকানের জন্য পর্যাপ্ত মালামাল সংগ্রহ করেন তিনি। এরপর থেকে বেচা বিক্রি খুব ভালোই হচ্ছিল। সুখের মুখ দেখতে না দেখতেই তার জীবনে নেমে এলো কালো অন্ধকারের ছায়া।
মোঃ শামীম আল মামুন “দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন “কে জানান’ আমি প্রতিদিনের মতো গত ৭-৬-২০২৬ইং আনুমানিক সকাল ১০ ঘটিকার সময় দোকান খুলি। সারাদিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে রাত এগারোটার দিকে দোকান বন্ধ করে বাসায় চলে যাই। এবং কিছুক্ষণ পর ঈদের দাওয়াত খেতে শ্বশুর বাড়ি যাই। রাত বেশি হওয়াতে শ্বশুর বাড়িতেই থেকে যাই আমি। হঠাৎ রাত আনুমানিক তিনটার সময় ঘাটাইল ব্যবসায়ী সমিতির নৈশ প্রহরী মোঃ মুক্তার হোসেন মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমাকে অবগত করে যে, আমার দোকানে আগুন লেগেছে। আমি সংবাদ পাওয়ার পর অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে দোকানে চলে আসি। এসে শুনতে পাই ঘাটাইল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোঃ ফজলুল হক তালুকদার ও স্থানীয়রা মিলে ঘাটাইল ফায়ার সার্ভিস ও থানায় ফোন দিলে তারা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
শামীম আরো জানান, আগুনের তীব্রতা বেশি থাকার কারণে অগ্নিকাণ্ডের সময় দোকান হইতে কোন মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আমার দোকানে থাকা আনুমানিক ৪৫ থেকে ৫০ লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। আমি একেবারে নিঃস্ব হয়ে পড়েছি।