সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বাংলাদেশ–পাকিস্তানের প্রকৌশলীদের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারে আইইবি–আইইপি–পিইসি’র দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ঝালকাঠির কীর্ত্তিপাশা ইউনিয়ন ওয়ার্ড মহিলা দলের নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে সংসদ সদস্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে মানিকগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন পাইকগাছায় রাস্তার উপর মাটির বাঁধ, যান চলাচল বন্ধ: বিপাকে স্থানীয়রা মুন্সীগঞ্জে প্রকৌশলীর সরকারি ল্যাপটপ চুরির অভিযোগ ঠিকাদারের বিরুদ্ধে আমতলীতে মেটাল ফার্মটেক লিমিটেডের উদ্যোগে গ্রাহক সম্মেলন ও মেলা অনুষ্ঠিত আমতলী সরকারী কলেজের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল লতিফ মৃধার মৃত্যু কিশোরের সাহসিকতায় প্রাণ বাঁচল বাছুরের কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে দৃঢ়ভাবে কাজ করছে বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি আমদানি খরচ বেশি হওয়ায় জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে সরকার পরিবহন ভাড়া ৪০ শতাংশ বাড়াতে চায় মালিক সমিতি রিহ্যাব নির্বাচনে বিজয়ী আব্দুর রাজ্জাক ও মোঃ এমদাদুল হককে বৃহত্তর কুষ্টিয়া অফিসার্স কল্যাণ ফোরামের ফুলেল সংবর্ধনা শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাল থেকে সুনামগঞ্জে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন চোখের লেন্স বিক্রি নিয়ে বিরাট নৈরাজ্য মোগটুলা ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান ইছাম উদ্দিন আর নেই সবধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার  কিশোরগঞ্জে মহিলা মাদক ব্যবসায়ী আটক ফুলবাড়ীয়া উপজেলার রাধাকানাই ইউপি – দবরসস্তা-মলঙ্গী খাল (১০ কি:মি:) প্রকল্প কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন কাউখালী কাচাঁ নদীর তীরে পরিত্যক্ত চরে কোটি টাকার তরমুজ চাষ ঝালকাঠিতে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে আহত, থানায় মামলা গোয়াইনঘাটে সোনালী ফসল বোরোধান কাটা শুরু সালথায় পরকীয়া করতে গিয়ে জনতার হাতে গণধোলাইয়ের শিকার এএসআই সুন্দরবন রক্ষায় পিরোজপুরে শিখন ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় ইয়াবাসহ মাদক সম্রাট আরাফাত র‌্যাবের হাতে আটক চলমান পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি সুনামগঞ্জে বজ্রপাতের আঘাত: ধান কাটার মৌসুমে শোকের ছায়া অস্তিত্বের সংকটে মনাই: ড্রেজিংয়ের প্রতিশ্রুতি পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিএনপি নেতার ওপর হামলা, ওসির বিরুদ্ধে মামলা না নেওয়ার অভিযোগ চাল বিতরণে অনিয়ম, পাইকগাছায় কার্ডপ্রতি ১০০ টাকা আদায়ের অভিযোগ ফুলপুরে ১০২ পিস ইয়াবাসহ আটক

থ্যালাসেমিয়া রোগীদের উন্নত স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করণে ডিজিটাল সেবা উদ্বোধন

প্রেস রিলিজ
বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫, ৬:৫২ অপরাহ্ন

“ডিজিটাল সেবায় পদার্পন করি উন্নত স্বাস্থ্য সেবা গড়ে তুলি” এই প্রতিপাদ্য কে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের উন্নত সেবা, তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং চিকিৎসা কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি হাসপাতালে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে “পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম” উদ্বোধন করা হয়েছে। নতুন এই ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে রোগীদের চিকিৎসা সংক্রান্ত সকল ধরনের তথ্য (যথাঃ- রক্ত পরিসঞ্চালন তথ্য, ক্লিনিকাল তথ্য, ওষুধ ব্যবহারের রেকর্ড, টেস্ট রেকর্ড) ফলো আপ এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্য একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে সংরক্ষিত থাকবে। যার ফলে চিকিৎসক ও রোগীর পরিবার সহজে প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পারবে এবং চিকিৎসা প্রক্রিয়া হবে আরও দ্রুত ও নির্ভুল।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির সম্মানিত উপদেষ্টা সনামধন্য রক্ত রোগ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডাঃ এম এ খান, প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান, হেমাটোলজি ও বি এম টি বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপতাল। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির সভাপতি জনাব ড. এম এ মতিন। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির সিনিয়র সহ সভাপতি ও বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি হাসপাতাল রির্সাচ ইনস্টিটিউটের উপদেষ্টা ডাঃ মোঃ জাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিঃ মোঃ মোশাররফ হোসেন, বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির কোষাধ্যক্ষ ইঞ্জিঃ মোঃ হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য ইঞ্জিঃ কাজী আলী আশরাফ, বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক ডাঃ এ কে এম একরামুল হোসেন। আরও উপস্থিত ছিলেন, ডাঃ মাফরুহা আক্তার, সহযোগী অধ্যাপক, হেমাটোলজি বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ এবং ডাঃ নাসিব মোহাম্মদ ইরসাদুল্লাহ, সহকারী অধ্যাপক, হেমাটোলজি বিভাগ, জাতীয় নাক কান গলা ইনস্টিটিউট।
অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য দেন ডাঃ এ কে এম একরামুল হোসেন। তিনি বলেন, আজকের দিনটি আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ আমরা উদ্বোধন করতে যাচ্ছি “থ্যালাসেমিয়া সমিতির পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম”- একটি আধুনিক, ডিজিটাল ও সময়োপযোগী উদ্যোগ।
এই সিস্টেমের মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের চিকিৎসা ইতিহাস, রক্ত সঞ্চালন, ওষুধ ব্যবহার, ল্যাব টেস্ট এবং ফলো-আপ সংক্রান্ত তথ্য সহজে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা সম্ভব হবে। এর ফলে রোগীরা আরও উন্নত সেবা পাবেন এবং চিকিৎসকরা রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় আরও কার্যকরভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
আমরা বিশ্বাস করি, এই উদ্যোগ শুধু রোগী ও তাদের পরিবারের জন্যই নয়, বরং জাতীয় পর্যায়ে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ ও গবেষণার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। তিনি উপস্থিত অতিথিবৃন্দ, বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির সম্মানিত নেতৃবৃন্দ, চিকিৎসক সমাজের গুণীজন, স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি ও হাসপাতালের রোগী ও তাদের পরিবারের সকল সদস্যদেরকে আজকের এই বিশেষ আয়োজনে উপস্থিত থাকার জন্য আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।
অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা বলেন,
থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জীবনমান উন্নয়নে এই পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে রোগীদের সেবা আরও সুসংগঠিত হবে এবং চিকিৎসা কার্যক্রমে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি আশা করছে, এ উদ্যোগ শুধু চিকিৎসা কার্যক্রমে নয়, বরং ভবিষ্যৎ গবেষণা ও নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। থ্যালাসেমিয়া একটি চ্যালেঞ্জ হলেও এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব। আমাদের সমষ্টিগত প্রচেষ্টা, জনসচেতনতা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারই এই রোগ নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।
অনুষ্ঠানের সভাপতি ড. এম এ মতিন বলেন, আজ আমাদের সমিতির জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। কারণ আমরা উদ্বোধন করছি “পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম”—একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, যা থ্যালাসেমিয়া রোগীদের চিকিৎসা ও সেবার মান উন্নয়নে এক নবযুগের উন্মেষ ঘটাবে।
আপনারা জানেন, বাংলাদেশে প্রতি বছর হাজার হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। এই রোগের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সঠিক ও নিয়মিত চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা। অনেক সময় রোগীর চিকিৎসা ইতিহাস, রক্ত সঞ্চালন, ল্যাব টেস্ট, ওষুধ ব্যবহার ইত্যাদি তথ্য ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকে, যা চিকিৎসক ও রোগীর পরিবারকে সমস্যায় ফেলে। আমাদের নতুন এই পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সেই সমস্যার সমাধান করবে যেখানে প্রতিটি রোগীর পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরি হবে।
আমরা বিশ্বাস করি, এই উদ্যোগ শুধু সেবা কার্যক্রমকেই আধুনিক করবে না, বরং ভবিষ্যতে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ, গবেষণা এবং নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। আমি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানাই—যারা এই সিস্টেম বাস্তবায়নে কাজ করেছেন, আমাদের চিকিৎসক, স্টাফ এবং প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের। তাদের নিরলস প্রচেষ্টা ছাড়া এ সাফল্য সম্ভব হতো না।
আসুন, আমরা সবাই মিলে প্রতিজ্ঞা করি—একটি থ্যালাসেমিয়া মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে একসাথে কাজ করব।

 


এই বিভাগের আরো খবর