শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ০২:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কাউন্সিলর পদে আলোচনার শীর্ষে যুবদল নেতা কিরন ব্যাপারী দেশে হামের প্রাদুর্ভাব অব্যাহত, মোট মৃত্যু ৫৬০ জন মতলব উত্তরে এসইএল মডেল একাডেমি’ ও ছমির উদ্দিন আহমেদ মেমোরিয়াল মেধাবৃত্তির পুরস্কার বিতরণ ‎সালথায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ ছেংগারচর পৌরবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন মেয়র পদপ্রার্থী বিএনপি নেতা উজ্জ্বল ফরাজী ভান্ডারিয়ায় জামায়াতের উদ্যোগে অসহায় দরিদ্রদের মাঝে চাল বিতরণ ১ কেজি গাঁজা ও প্রায় ৪ লাখ টাকা উদ্ধার, শ্রীপুরে মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আমতলীতে রামিসা সহ সকল ধর্ষণ এর বিচার দাবিতে মানববন্ধন  বগুড়ার শিবগঞ্জে তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম মাদ্রাসার ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে গাজীপুরে ইমাম গ্রেপ্তার গাজীপুরে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন ফুলবাড়িয়ায় সাদাময়না’কে নিয়ে বিপাকে কৃষক পাইকগাছায় অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন: আইনগত ব্যবস্থার দাবি সালথায় হত্যা মামলায় ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক গ্রেপ্তার জৈন্তাপুরে বাংলা টিভির এক দশক পুর্তী উদযাপন সালথার গট্টিতে আর মারামারী না করার দাবী জানিয়ে জাহিদ মাতুব্বরের সংবাদ সম্মেলন প্রতিটি পশুর হাটে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়েছে ডিএমপি কমিশনার রাজাপুরে ভেকুর ধাক্কায় প্রাণ গেল এক ব্র্যাক কর্মীর মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে: ওসি আশরাফ রাজধানীর কল্যাণপুরে চালু হলো ‘স্বপ্ন’র নতুন আউটলেট লালমনিরহাটে জেলা আ.লীগ নেতা জামিনে মুক্তি মিললেও জেলগেটেই ফের আটক ক্যান্সার ও প্যারালাইসিস আক্রান্ত অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াল পজেটিভ কাপ্তাই ঈদযাত্রার চাপে বাড়ছে ভোগান্তির শঙ্কা বিদেশে কর্মসংস্থান: রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় মানবসম্পদ রপ্তানির ধারণা — সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও বাংলাদেশের জন্য কর্মপরিকল্পনা ভাণ্ডারিয়ায় পৃথক অভিযানে গাঁজা গাছ ও ৯০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার শিশুরা শিখবে আনন্দঘন পরিবেশে হেসে খেলে : ফলাফল ও পুরস্কার বিতরণীতে ফয়সল আহমদ শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠায় সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জেলা প্রশাসকের নান্দাইলে অতিদরিদ্র সিএনজি ও অটোরিকশা চালকদের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান গাজীপুরে আগুনে পুড়ল ১১ ভাড়াটিয়ার ঘর, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে এমপি বাচ্চু তুরাগে বিএনপি নেতার ঈদ শুভেচ্ছা: দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা

অনলাইন ডেস্ক :
বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১২:১৭ অপরাহ্ন

সাফিনাতুন জাহান সাবরিন, ঢাকাপ্রতিদিন : দেশজুড়ে চলছে অর্থনৈতিক টানাপোড়েন। এরমধ্যে আসছে নতুন বছর। আর নতুন বছর মানেই শহরাঞ্চলে বাড়িওয়ালাদের এক দফা বাড়িভাড়া বাড়ানোর অলিখিত নিয়ম। এবছরও ইতোমধ্যে অনেক বাড়িওয়ালা ভাড়া বৃদ্ধির নোটিস দিয়েছেন। তবে ভাড়া বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কোনোরকম নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করেন না বাড়িওয়ালারা। তাই নতুন বছরের শুরুতেই ভাড়াটিয়াদের পড়তে হয় অনিয়মতান্ত্রিক বাড়িভাড়ার কবলে। লাগামহীন বাড়িভাড়ার বৃদ্ধির ফলে ভোগান্তিতে পড়তে হয় রাজধানী ঢাকা ও বন্দরনগরী চট্টগ্রামের নিম্ন-মধ্যবিত্তদের।

বর্তমানে প্রতিদিন বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম। ব্যয় বাড়লেও বাড়ছে না আয়। তার ওপর অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে দেশ। অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লোকসানের মুখে গুটিয়ে নিচ্ছে ব্যবসা। সংকটের মুখে কর্মী ছাটাই করতেও বাধ্য হচ্ছে এসব প্রতিষ্ঠান। একদিকে চাকরির বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতা, অন্যদিকে পরিবারের একমাত্র জীবিকা নির্বাহকারী অনেকেই হারাচ্ছেন চাকরি। নিম্ন-মধ্যবিত্তদের নুন আনতে যেখানে পান্তা ফুরায়, বাড়তি বাসা ভাড়া সেখানে যেন উড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। কর্মসংস্থান কিংবা ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় পরিবারসহ প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ঢাকা এবং চট্টগ্রামমুখী হচ্ছেন। আর এদের ৮০ শতাংশই মানুষই থাকেন ভাড়া বাসায়। শহরাঞ্চলে ভাড়া বাসার চাহিদাকে পুঁজি করে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে প্রতিবছর বাড়িওয়ালারা ইচ্ছেমতো ভাড়া বাড়ান। প্রত্যেক বছরের শুরুতেই বর্ধিত বাড়িভাড়ার বোঝা নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন এসব অসহায় ভাড়াটিয়ারা।

দেশের চলমান সংকটময় পরিস্থিতিতে বাসাভাড়া বৃদ্ধির খবর যেন মাথায় ‘আকাশ ভেঙে পড়ার’ মতো। মুদ্রাস্ফীতির বাড়তি চাপে ইতোমধ্যে শহরাঞ্চলে টিকতে না পেরে অনেকেই পরিবারসহ ফিরে যাচ্ছে গ্রামের বাড়িতে। এদিকে বাড়িওয়ালারাও পরিষেবার মূল্যবৃদ্ধি, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধিসহ নানান কারণ দেখিয়ে বাসা ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। পরিষেবার মূল্য বৃদ্ধি করা হলে অধিকাংশ বাড়িওয়ালা ভাড়া বাড়িয়ে পরিষেবা মূল্যের সঙ্গে তা সমন্বয় করেন। শহরাঞ্চলের নিম্ন-মধ্যবিত্তদের কথা মাথায় নিয়ে সরকারের উচিত পরিষেবার মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখা। সেই সঙ্গে বিশাল সংখ্যক মানুষের কথা বিবেচনা করে বাসাভাড়া আইন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা এখন সময়ের দাবি।

১৯৯১ সালের বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইনের ৭ ধারার মতে, কোনো বাড়ির ভাড়া মানসম্মত ভাড়ার অধিক ভাড়া কোনোভাবেই আদায়যোগ্য হবে না। বাড়িভাড়া বিড়ম্বনা এখন নিত্যনৈমিত্তিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনো কারণ ছাড়াই বাড়িভাড়া বাড়ানো, বাড়িওয়ালাদের দাপট কিংবা স্বেচ্ছাচারিতার কাছে অসহায় সাধারণ ভাড়াটিয়ারা। লাগামহীনভাবে বাসাভাড়া বৃদ্ধি রোধে প্রয়োজন আইনের সঠিক প্রয়োগ। এসব ভাড়াটিয়াদের সমস্যা সমাধানে সিটি করপোরেশনকে মনিটরিংয়ের পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার বিকল্প নেই। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই সমস্যার সমাধান এখনই করা না গেলে আগামী দিনগুলোতে আরও অসহায় হয়ে পড়বে এসব ভাড়াটিয়া। ১৯৯১ সালের বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইনটির প্রয়োগে সরকারকে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় সাধারণ মানুষ এ থেকে পরিত্রাণ পাবে না। সমাধানে দরকার সরকারের নজরদারি এবং কঠোর আইন প্রণয়ন।
ঢাকাপ্রতিদিন/এআর


এই বিভাগের আরো খবর