কোরবানির ঈদের জন্য ১২০০ কেজি ওজনের গরু নিয়েপ্রস্তুত জহুরুল ইসলাম। সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার ভাংগা বাড়ি ইউনিয়নের ছোট সগুনা গ্রামের মৃত আলহাজ্ব মনিরুল ইসলাম মাস্টারের ছেলে জহুরুল ইলাম প্রামানিক একটি গরু লালন পালন করেছেন।
এখন প্রতিদিন একটি গরুর পেছনে তার খরচ হয় এক হাজার টাকা গরুকে তিনি খেতে দেন খৈাল, ভুষি, কুড়া,খড় ফিড ও কাঁচা ঘাস। তিনি নিজ উদ্যোগে বাড়ির গরু লালন পালন করেছেন। তার গোয়াল ঘরে গিয়ে দেখা যায় গরুর মাথার পর ঘুরছে দুইটি বৈদ্যুতিক পাখা, মশা মাছির উৎপাত থেকে রক্ষার জন্য টাঙানো রয়েছে মশারি। খাবারের তালিকায় আছে বিভিন্ন ধরনের খাদ্য আর সার্বক্ষণিক চলছে চিকিৎসাসহ বিভিন্ন ধরনের পরিচর্যা। ২৪ ঘণ্টা এমন পরিচর্যা ও নিবিড় পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এসব বেড়ে ঠ
গরু হয়ে উঠছে হৃষ্টপুষ্ট ও সুন্দর।
গরু পালনকারী জরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ভারতীয় গরুর চাপে অন্তত পাঁচ বছর তারা এ খাতে কোনো সুফল পাননি। অনেকেই আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছিলেন। তবে এবার সুফল আসতে পারে কেননা গত বছর তেমন একটা ভারতীয় গরু আসেনি। জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয় এমন ওষুধ এবং খড়, ভূষিসহ দেশীয় খাবার দিয়েই মোটাতাজাকরণ পদ্ধতি হাতে নিয়েছেন।
দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণ করায় এ অঞ্চলের গরুর চাহিদা অনেক বেশি। বাজারে দেশীয় গরুর ব্যাপক চাহিদা থাকায় এ ঈদে লাভবান হবেন বলে আশাবাদী
ঈদ এলে গরু বিক্রি করে বাড়তি আয় করেন এ উপজেলার কৃষকেরা। ছোট বড় খামারের পাশাপাশি প্রতিটি কৃষক পরিবার ঈদকে সামনে রেখে গরু মোটাতাজা করে থাকেন। নিষিদ্ধ ঘোষিত ক্ষতিকর ইনজেকশন ও ট্যাবলেট পরিহার করে ঘাষ খড়ের পাশাপাশি খৈইল, ভুষি, কুঁড়া, ফেন (ভাতের মাড়) খাদ্য হিসেবে খাওয়ানোর মাধ্যমে মোটাতাজা করা হচ্ছে এসব গরু।
জহুরুল ইসলাম জানান,শুধু ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে নয়, নিজের কোরবানির গরু সংগ্রহ ও মানুষকে স্বাস্থ্যসম্মত গরু প্রদানের জন্যেই আমার এ উদ্যোগ।