বন্যার পানি আসার সাথে সাথে মৎস্য ভান্ডার খ্যাত চলনবিলের বিভিন্ন জলাশয়, নদী-নালা, খাল-বিলে চলছে মা মাছ নিধনের মহোৎসব। এক শ্রেণির অসাধু জেলে নদী ও বিলের বিভিন্ন পয়েন্টে, বাদাই ও কারেন্ট জাল এবং বানার বাঁধ দিয়ে সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এসব মাছ নিধন করে স্থানীয় হাট বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি করছে।
সরোজমিনে চলনবিল ঘুরে দেখা যায় উপজেলার মাগুড়া বিনোদ ও হামকুড়িয়া সহ বিলের বিভিন্ন পয়েন্টে এক শ্রেণির অসাধু জেলে পেট ডিমে ভরপুর বোয়াল, টেংরা, পাতাসী, পুটি, মলাসহ দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মা মাছ প্রকাশ্যে নিধন করছে।
মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের হামকুড়িয়া পশ্চিমপাড়ার আব্দুল মালেক বলেন, এসময়টা মাছের প্রজনন কাল। চলনবিলের মা মাছ ধরা না হলে বিলের মুক্ত পানিতে ডিম ছাড়তো। এতে বিলে মিঠা পানির মাছ কয়েকশ গুন বৃদ্ধি পেত। নির্বিকারে মা মাছ নিধনে দেশীয় প্রায় ৩৯ প্রজাতির মাছ আজ বিলুপ্তির পথে।
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মশগুল আজাদ জানান, চলনবিল একটি বৃহৎ এলাকা। তাড়াশের এই অংশে ডিমওয়ালা মাছ নিধনের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে।