নওগাঁর নিয়ামতপুরে হঠাৎ করেই বেড়েছে গরুর ভাইরাসজনিত লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) রোগ। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে এ অঞ্চলের খামারি ও প্রান্তিক কৃষক। পল্লি পশু চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে ভুল চিকিৎসায় মারা যাচ্ছে গরু এবং অর্থ অপচয়ের শিকার হলেও মিলছে না কোনো সমাধান।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে অধিকাংশ কৃষকের গরু ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ রোগে আক্রান্ত হয়েছে। এ রোগের প্রতিষেধক না থাকায় অনেককে পল্লি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হচ্ছেন। আক্রান্ত গরুর মালিকদের কাছ থেকে বিভিন্ন কৌশলে পল্লি চিকিৎসকরা হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা অঙ্কের টাকা। উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, নিয়ামতপুরে মোট ছোট-বড় ৩৮০ টি খামার আছে। উপজেলায় গরুর সংখ্যা ২ লক্ষ ৫৬ হাজার ৮৯৫ টি। এ রোগে আক্রান্ত ৬৪ টি গরুর চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে প্রকৃত তথ্য অনুযায়ী উপজেলায় এ রোগে আক্রান্তের হার অনেক বেশি।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ইয়ামিন আলী বলেন, খামারিদের তুলনায় প্রান্তিক কৃষকদের গরু লাম্পি স্কিন রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। এ রোগ প্রতিরোধের কোনো টিকা নেই। গরুর সঠিক পরিচর্যা ও পরিষ্কার পরিছন্ন রাখার মাধ্যমে এ রোগ ছড়িয়ে পড়া রোধ করা সম্ভব।