ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরে পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, নগদ টাকা এবং সিসিটিভি রেকর্ডারসহ এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে গেছে তার এক সহযোগী। শনিবার ০৬ জুন, ২০২৬ রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল এই সফল অভিযান পরিচালনা করে।
গোয়েন্দা তথ্যে মিলল মাদকের আখড়া থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত আনুমানিক ৮:৫০ ঘটিকায় সদর থানার অফিসার ও ফোর্সের একটি চৌকস দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার মধ্যপাড়া শান্তিবাগ এলাকার জুবলী রোডে বিশেষ অভিযান চালায়।
অভিযান চলাকালীন চিহ্নিত মাদক কারবারি শিপা বেগমের বসত ঘরে তল্লাশি চালিয়ে মাদকদ্রব্য ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে মাদক ব্যবসার আড়ালে সিসিটিভি ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অভিযান শেষে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিম্নলিখিত আলামতসমূহ জব্দ করে মাদকদ্রব্য: ২০ পিস নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট। মাদক বিক্রির নগদ ২১,৫২০/- (একুশ হাজার পাঁচশত বিশ) টাকা।
প্রযুক্তিগত আলামত: ০১টি ‘dahua’ ব্র্যান্ডের সিসি ক্যামেরা ভিডিও রেকর্ডার (DVR) এবং ০২টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন। অভিযানে ঘটনাস্থল থেকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয় শিপা বেগম (৩৯) নামে এক নারী মাদক কারবারিকে। তিনি শফিকুল ইসলামের মেয়ে। তবে অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় মামলার ২ নম্বর আসামী মোঃ জিয়ামিন (৪২) (পিতা- মোঃ সিদ্দিকুর রহমান)। আসামীদের উভয়ের বাড়িই স্থানীয় মধ্যপাড়া শান্তিবাগ এলাকায়।
সদর মডেল থানার এসআই দেলোয়ার হোসেন ঘটনার পর রাত ৯:৩০ ঘটিকায় বিধি মোতাবেক উদ্ধারকৃত সকল আলামত জব্দ করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, ধৃত ও পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করার প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে। মাদকের সাথে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। পলাতক আসামী মোঃ জিয়ামিনকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।