গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০১২-১৭ এই ৫ বছরে ১১শ কোটি টাকা কর ফাঁকি দিয়েছেন। অর্থনীতির ছাত্র ও শিক্ষক হয়েও সচেতনভাবে রাষ্ট্রীয় কর ফাঁকি নিখাদ দেশপ্রেমের শূন্যতার ইঙ্গিতবহ। আয়কর হচ্ছে ব্যক্তি বা সত্তার ওপর সরকার কর্তৃক আরোপিত কর, যা আয় বা লভ্যাংশের পরিমাণভেদে পরিবর্তিত হয়। আয়কর সঠিকভাবে প্রদান নাগরিকের কর্তব্য কিন্তু ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মতো একজন ব্যক্তি কর ফাঁকির মতো অন্যায় করেছেন, যা কাম্য নয়।
দেশের সম্পদ এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সম্পদ আত্মসাৎ করে নিজ দেশের এবং দেশের মানুষের ক্ষতি করে নিজে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এমন নামধারী স্বদেশপ্রেমী এবং সুবিধাভোগীদের জন্যই দেশের মানুষ বারবার প্রতারিত হয়েছে এবং দেশের অনেক ক্ষতি হয়েছে। এগুলো নিঃসন্দেহে দেশপ্রেমের ব্যত্যয়। কোনো প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো নিজের দেশ এবং দেশের মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করতে পারে না।
দরিদ্র, হতদরিদ্র মানুষদের উচ্চসুদে এককালীন ঋণের টাকার লোভ দেখিয়ে সংঘবদ্ধ করে- পরে বিদেশিদের কাছে বিক্রি করেছিলেন। এই দরিদ্র, হতদরিদ্র অসহায় মানুষদের দেখিয়ে তিনি বিদেশ থেকে অনুদান হিসেবে পেয়েছিলেন কোটি কোটি টাকা। কথা ছিল দরিদ্র, হতদ্ররিদ্র মানুষদের স্বাবলম্বী করে তুলবেন, সহযোগিতা করবেন। অথচ তা না করে তিনি সেই টাকা উচ্চ হারে সুদে দরিদ্র, হতদরিদ্র মানুষদের দিয়ে তাদের রক্ত চুষে নিয়েছিলেন। গ্রামীণ ব্যাংকের সুদের হার ৩৪ থেকে ৫৪ শতাংশের মধ্যে- যা বাংলাদেশের কোনো সরকারি বেসরকারি ব্যাংক স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারে না।
গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তিরা কথায় কথায় বলে থাকেন, সুদের টাকার সঙ্গে ঘোড়ায় দৌড়ে পারে না। সত্যিই তাই হয়েছে, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সুদের টাকার দৌড় ঘোড়ার দৌড়কেও হার মানিয়েছে। দেশের দরিদ্র-অসহায় জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করার কথা বলে যে বিদেশিদের থেকে নিয়ে আসতেন হাজার হাজার কোটি টাকা অবশ্য পরে বিদেশিদের কাছ থেকে অনুদান এনে তা দিয়ে সুদের ব্যবসায় খাটানোর বিষয়টি বুঝতে পারেন বিদেশিরা। তখন তারাও হাত তুলে নিয়েছিলেন, অনুদান দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ ব্যাংকের উচ্চ হারের সুদের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় অসহায় দরিদ্র, হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর অনেকেই নিজের ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে গেছেন অথবা গ্রাম ছেড়ে শহরে এসে গার্মেন্টসে কাজ করেছেন কিংবা রিকশা চালিয়ে তাদের দিন অতিবাহিত করছেন- এমন ঘটনাও অনেক রয়েছে। এভাবে তিনি দেশপ্রেমের নামে বাঙালি দরিদ্র এবং অসহায় অনেক জনগোষ্ঠীকে নিঃস্ব করে পথি নামিয়ে দিয়েছেন।
রাজস্ব বোর্ডের বরাতে রাষ্ট্রপক্ষ বলছে, সরকারের পাওনা অর্থগুলোর মধ্যে একটি হলো গ্রামীণ কল্যাণের ৫৭৬ কোটি ৯৪ লাখ ৫৭ হাজার ৮২৩ টাকা। গ্রামীণ কল্যাণের আরেকটিতে ৩৫৪ কোটি ৭৯ লাখ ৮৯ হাজার ৫৪৭ টাকা এবং গ্রামীণ টেলিকমের একটিতে সরকারের পাওনা ২১৫ কোটি টাকা। এর আগে ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় সাড়ে ১১শ কোটি টাকার আয়কর রিটার্নের মামলা চালুর জন্য হাইকোর্টে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।
এ অর্থনীতিবিদের ব্যক্তিগত এবং তার প্রতিষ্ঠিত ৯টি প্রতিষ্ঠানের কর-সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে এনবিআরের কাছে চিঠি দিয়েছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এনবিআরের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সংশ্লিষ্ট সার্কেল এবং জরিপ দফতরকে মৌখিক নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছিল। দেশের ওপর প্রতিটি নাগরিকের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকার থাকে, তেমনি দেশের প্রতি ও নাগরিকের কিছু কর্তব্য আছে, যেগুলো প্রতিটি নাগরিকের পালন করতে হয়। নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত।
অধিকার ভোগ করতে হলে কর্তব্য অবশ্যই পালন করতে হয়। শান্তিতে নোবেল বিজয়ী তথাকথিত বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদ ড. ইউনূস দেশপ্রেমের গান গেয়ে বাঙালি দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে ব্যবহার করে, বাংলাদেশকে ফাঁকি দিয়ে এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবহার করে নিজে হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। দিয়েছেন হাজার হাজার কোটি টাকার কর ফাঁকি। বাংলাদেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে ব্যবহার করে এবং তাদের ঠকিয়ে আজও সে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী তকমা লাগিয়ে স্বদেশপ্রেমের গান গেয়ে বিদেশের মাটিতে বিভিন্ন সময়ে বক্তৃতা দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
স্বদেশপ্রেম ধারণকারী এই ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বখ্যাত নোবেল বিজয়ীর তকমাধারী অর্থনীতিবিদ। মুনাফাখোর, সুদখোর মহাজন সম্প্রদায়ের জন্য অনুসরণীয়, অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব। ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমের মাধ্যমে দরিদ্র, হতদ্ররিদ্র মানুষদের রক্ত চুষে দেশে-বিদেশে বিস্তার করেছেন নিজের সাম্রাজ্য, বনে গেছেন হাজার কোটি টাকার মালিক। ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রমকে এ দেশের গ্রামীণ জনগোষ্ঠী বেসরকারি সংস্থা বা এনজিও নামক সুদের ব্যবসা বলেই জানেন এবং চেনেন। তেমনি একটি প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ব্যাংক গড়েছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এই ড. মুহাম্মদ ইউনূসই বাংলাদেশে সর্বপ্রথম সুদের ব্যবসাকে প্রাতিষ্ঠানিক শৈল্পিক রূপ দিয়েছিলেন।
নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস পেশাগত জীবনে একজন সুদখোর অর্থনীতিবিদ হলেও নোবেল নিয়েছেন শান্তিতে। একজন সুদখোর অর্থনীতিবিদ কীভাবে শান্তিতে নোবেল পেলেন সেটাও ভাবার বিষয়। নোবেল বিজয়ী হিসেবে বিদেশে বক্তৃতা করে তিনি পান কোটি কোটি টাকা। হয়েছেনও হাজার কোটি টাকার মালিক। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, দেশ এবং জাতির জন্য তিনি কী করেছেন? জোবরা গ্রামে গবেষণার জন্য পারিবারিক সুদের ব্যবসাকেই বেছে নিয়েছিলেন তিনি। শুরু করেছিলেন ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম। এক সময়ে এই দরিদ্র, হতদরিদ্র মানুষদের স্বাবলম্বী করে তোলার কথা বলে দ্বারস্থ হয়েছিলেন বাংলাদেশ সরকারের কাছেও। সে সময়ে স্বৈরাচারী হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সরকার না বুঝেই তার সুদের ব্যবসাকে বৈধতা দিয়েছিলেন।
একজন সুপরিচিত সুদখোর মানুষ বিনা যোগ্যতায়, বিনা পুঁজিতে, বিনা পরিশ্রমে শুধু সুদের ব্যবসা, কর ফাঁকি এবং জাল-জালিয়াতি করে কীভাবে হাজার কোটি টাকার মালিক বনে যান, তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ এই ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বৈধভাবে কেউ হাজার কোটি টাকার মালিক হতেই পারেন। এমন অনেকেই হয়েছেন তার উদাহারণ ও বিশ্বে অনেক আছে। কিন্তু ড. মুহাম্মদ ইউনূস কীভাবে হাজার কোটি টাকার মালিক হলেন, সেটি অত্যন্ত ভৌতিক একটি ব্যাপার! যেভাবে রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সে বিষয়টি একটি আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপ হাতে পাওয়ার মতোই বিস্ময়কর ব্যাপার।
এই বিস্ময়কর ব্যাপার সম্ভব হয়েছে অসহায় বাঙালি জনগোষ্ঠীকে ঠকিয়ে এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ চুরি করার মাধ্যমে। ড. মুহাম্মদ ইউনূস একজন জালিয়াতিকারক ও বটে। তার ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট দেখলেই বোঝা যায়, তার কাছে কোথা থেকে কী কী পরিমাণ টাকা এসেছে। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, ড. ইউনূস বিদেশে বিভিন্ন সেমিনার বা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়ে যে টাকাগুলো পেতেন, তা দিয়ে তিনি গঠন করেছিলেন ইউনূস ট্রাস্ট। ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ার জন্য তিনি এই টাকাগুলো সব ট্রাস্টে ট্রান্সফার করেন।
এই ট্যাক্স ফাঁকির কারণেই তার বিরুদ্ধে মামলা হয়, মামলা হওয়ার পর থেকেই তিনি এই ট্রাস্টে আর টাকা রাখেন না। এভাবেই জাল-জালিয়াতি করে, সরকারের কর ফাঁকি দিয়ে এবং সরকারে অর্থ আত্মসাৎ করে তিনি হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। কর ফাঁকি দেওয়ার জন্যই তিনি এসব জাল-জালিয়াতি করেছেন। তিনি তার ব্যাংক হিসাবে রেমিট্যান্স আসার অঙ্কে কর ফাঁকির বিপুল পরিমাণ অর্থ জাল-জালিয়াতি করেছেন। তিনি ১১৫ কোটি টাকার মতো রেমিট্যান্স আনলেও ট্যাক্স ফাইলে তিনি ১৮ কোটি টাকার ওপরে না দেখিয়েও এক ধরনের জাল-জালিয়াতি করেছেন।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস শুধু যে একজন সুদখোর এবং প্রতারক বিষয়টি এমন না বরং তিনি একজন বিখ্যাত এবং সুপরিচিত কর ফাঁকিবাজ। অবৈধ উপায়ে অর্জিত হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন ঠিকই কিন্তু রাষ্ট্রীয় কোষাগারে তিনি তার হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদের কোনো কর দেননি। অথচ তিনি রাষ্ট্রের সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে এবং রাষ্ট্রের সম্পদ ব্যবহার করেই এত সম্পদের মালিক হয়েছেন।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ট্যাক্স ফাইল বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, ২০০৩ সালের পরে নোবেল বিজয়ীর তকমাধারী ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার ট্যাক্স ফাইলে ২০০৫-০৬ কর বছরে তিনি সর্বমোট ৯৭ কোটি ৪ লাখ ৬১ হাজার ১৯১ টাকা রেমিট্যান্স প্রাপ্তির কথা উল্লেখ করেছেন। কিন্তু ওই সময়ে তার ব্যক্তিগত সাউথ ইস্ট ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে রেমিট্যান্স প্রাপ্তির পরিমাণ ১১৫ কোটি ৯৮ লাখ ৯৬ হাজার ২৪ টাকা। অর্থাৎ ওই সময়ে তিনি ১৮ কোটি ৯৪ লাখ ৩৪ হাজার ৮৩৫ টাকার রেমিট্যান্স প্রাপ্তির তথ্য সরকারকে কর ফাঁকি দেওয়ার লক্ষ্যে তার ব্যক্তিগত ট্যাক্স ফাইলে (কর ফাইলে) গোপন করেছেন। সরকারকে কর ফাঁকি দেওয়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর বছরে তিনি তার ব্যক্তিগত ট্যাক্স ফাইলে নিজস্ব সাউথ ইস্ট ব্যাংকে প্রাপ্ত বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্সের তথ্য গোপন করেছেন।
২০০০ সালের পর থেকে এমন প্রতিটি কর বছরে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিদেশ থেকে রেমিট্যান্স প্রাপ্ত হয়ে কোটি কোটি টাকার তথ্য গোপন করে সরকারের কর ফাঁকি দিয়েছেন। ২০০৫-০৬ কর বছর থেকে শুরু করে ২০২২-২৩ কর বছর পর্যন্ত সরকারকে কর ফাঁকি দেওয়ার লক্ষ্যে তিনি ১৮ কোটি ৯৪ লাখ ৩৪ হাজার ৮৩৫ টাকা রেমিট্যান্সের তথ্য গোপন করেছেন। এই কর ফাঁকির টাকা দিয়েই হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছেন নোবেল বিজয়ীর তকমাধারী ড. মুহাম্মদ ইউনূস! নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূসের কর ফাঁকি আজ প্রমাণিত হয়েছে।
এনবিআরকে ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত কর ফাঁকি বাবদ এ তিন বছরের জন্য বকেয়া ১২ কোটি টাকারও বেশি পরিশোধ করতে হবে তাকে। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন। রায় শেষে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ নিয়ে তিনি জানান, ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হতেই ট্রাস্ট করেছেন ড. ইউনূস। মৃত্যুভীতি থেকে টাকা দেওয়াটা তার একটি কৌশল।
সর্বোপরি দেশপ্রেমের লেবাসধারী, নোবেল বিজয়ী তকমাধারী একজন সুদখোর, প্রতারক, কর ফাঁকিবাজ, দুর্নীতিবাজ এবং জালিয়াতিকারক ব্যক্তি কখনো দেশপ্রেমিক হতে পারে না। একজন তথাকথিত অর্থনীতিবিদ ও বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তির কর ফাঁকি নিঃসন্দেহে দেশপ্রেমের ব্যত্যয়। এভাবে বছরের পর বছর দেশের সম্পদ ব্যবহার করে এবং দেশের দরিদ্র ও অসহায় জনসাধারণকে ঠকিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচার করা উচিত, যেন আর দেশপ্রেমিক লেবাসধারী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মতো দ্বিতীয় কোনো প্রতারক, কর ফাঁকিবাজ, দুর্নীতিবাজ এবং জালিয়াতিকারক বাংলার মাটিতে তৈরি হতে না পারে।
সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আমলে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তৈরি হলেও বর্তমান গণতন্ত্রমনা আওয়ামী লীগ সরকার কখনো একজন প্রতারক, কর ফাঁকিবাজ, জালিয়াতিকারক ইউনূসকে কোনো প্রকার ছাড় দেবে না। দুর্নীতি এবং মাদকের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করছে। সুতরাং ড. ইউনূসের মতো একজন দেশপ্রেম লেবাসধারী তথাকথিত বিশ্ববরেণ্য নোবেল বিজয়ী তকমাধারী দেশবৈরী প্রতারক, কর ফাঁকিবাজ এবং দুর্নীতিবাজের সব কর্মকাণ্ড নিঃসন্দেহে দেশপ্রেমের ব্যত্যয়।
লেখক : ট্রেজারার, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাবেক চেয়ারম্যান ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।