শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০২:১২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
​ফুলবাড়িয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন এমপি কামরুল হাসান মিলন ‎হঠাৎ দুর্গাপুরে পানের দামে ধস: চিন্তায় পড়েছেন পান চাষীরা কালকিনি উপজেলায় ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে আগারগাঁওয়ে ‘রান ফর আর্থ’, পরিবেশ সুরক্ষায় তরুণদের ব্যতিক্রমী আয়োজন দেড় লাখ টাকার টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন বজলুর রহমান স্পোর্টিং ক্লাব সাধারণ মানুষের স্বার্থে সময়োপযোগী এই বাজেট: সরোয়ার আলমগীর এমপি ফটিকছড়িতে হালদা নদীর উপর “পাঁচ পুকুরিয়া সেতু “এখন দৃশ্যমান আইইবির জব ফেয়ার ও প্রজেক্ট প্রতিযোগিতা চাকরি, দক্ষতা ও শিল্পের চাহিদার সেতুবন্ধনে নতুন উদ্যোগ অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ন ও 3R কৌশল : নতুন বাজেটের রাজনৈতিক অর্থনীতি দর্শন মতলব উত্তর বাহাদুরপুর আধুনিক কবরস্থান নির্মাণের উদ্বোধন শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জীবনমান উন্নয়নে জনবান্ধব বাজেট: ড. জালাল উদ্দিন এমপি স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃত্বে নতুন প্রত্যাশা, আলোচনায় নাসিমা আক্তার সিমু জনমনে ভুল বুঝাবুঝি তৈরী হয়েছে, কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই এনবিআর চেয়ারম্যান সালথা প্রেসক্লাবের টিনশেট ভবনের উদ্বোধণ করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডিমলায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনীর উদ্বোধন উন্নয়নের ক্ষেত্রে চীন আমাদের সমর্থন দিচ্ছ : ঠাকুরগাঁওয়ে এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ডিবি পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ সিরাপ জব্দ, আটক ২ শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান,প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনমুখী শিক্ষায় আগ্রহী করতে হবে : এমপি আবুল কালাম লোহাগাড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা ও প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত আনোয়ারায় জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ​ফুলবাড়িয়ায় ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ আগামী ৫ বছরে শিক্ষাখাতে জিডিপির বরাদ্দ ৫% করার চিন্তা করছে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহজাদপুরে ৪টি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সাড়ে ৯ লাখ টাকা বকেয়া থাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন পাইকগাছায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত সালথায় স্টার্টআপ বিজ্ঞান প্রকল্প এবং উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শন কর্মসূচির উদ্বোধন প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদায় অভিযান, ১ লাখ টাকা মূল্যের ঘেরাজাল জব্দ ফটিকছড়িতে কুড়িয়ে পাওয়া ২০ লাখ টাকা মালিককে ফেরত দিলেন নৈশ প্রহরী কাউখালীতে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রথম চেয়ারম্যান মোতাহার তালুকদার সাপাহারে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী ভাবনা বিষয়ক প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত

থ্যালাসেমিয়া রোগীদের উন্নত স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করণে ডিজিটাল সেবা উদ্বোধন

প্রেস রিলিজ
বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫, ৬:৫২ অপরাহ্ন

“ডিজিটাল সেবায় পদার্পন করি উন্নত স্বাস্থ্য সেবা গড়ে তুলি” এই প্রতিপাদ্য কে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের উন্নত সেবা, তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং চিকিৎসা কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি হাসপাতালে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে “পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম” উদ্বোধন করা হয়েছে। নতুন এই ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে রোগীদের চিকিৎসা সংক্রান্ত সকল ধরনের তথ্য (যথাঃ- রক্ত পরিসঞ্চালন তথ্য, ক্লিনিকাল তথ্য, ওষুধ ব্যবহারের রেকর্ড, টেস্ট রেকর্ড) ফলো আপ এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্য একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে সংরক্ষিত থাকবে। যার ফলে চিকিৎসক ও রোগীর পরিবার সহজে প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পারবে এবং চিকিৎসা প্রক্রিয়া হবে আরও দ্রুত ও নির্ভুল।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির সম্মানিত উপদেষ্টা সনামধন্য রক্ত রোগ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডাঃ এম এ খান, প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান, হেমাটোলজি ও বি এম টি বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপতাল। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির সভাপতি জনাব ড. এম এ মতিন। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির সিনিয়র সহ সভাপতি ও বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি হাসপাতাল রির্সাচ ইনস্টিটিউটের উপদেষ্টা ডাঃ মোঃ জাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিঃ মোঃ মোশাররফ হোসেন, বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির কোষাধ্যক্ষ ইঞ্জিঃ মোঃ হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য ইঞ্জিঃ কাজী আলী আশরাফ, বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক ডাঃ এ কে এম একরামুল হোসেন। আরও উপস্থিত ছিলেন, ডাঃ মাফরুহা আক্তার, সহযোগী অধ্যাপক, হেমাটোলজি বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ এবং ডাঃ নাসিব মোহাম্মদ ইরসাদুল্লাহ, সহকারী অধ্যাপক, হেমাটোলজি বিভাগ, জাতীয় নাক কান গলা ইনস্টিটিউট।
অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য দেন ডাঃ এ কে এম একরামুল হোসেন। তিনি বলেন, আজকের দিনটি আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ আমরা উদ্বোধন করতে যাচ্ছি “থ্যালাসেমিয়া সমিতির পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম”- একটি আধুনিক, ডিজিটাল ও সময়োপযোগী উদ্যোগ।
এই সিস্টেমের মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের চিকিৎসা ইতিহাস, রক্ত সঞ্চালন, ওষুধ ব্যবহার, ল্যাব টেস্ট এবং ফলো-আপ সংক্রান্ত তথ্য সহজে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা সম্ভব হবে। এর ফলে রোগীরা আরও উন্নত সেবা পাবেন এবং চিকিৎসকরা রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় আরও কার্যকরভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
আমরা বিশ্বাস করি, এই উদ্যোগ শুধু রোগী ও তাদের পরিবারের জন্যই নয়, বরং জাতীয় পর্যায়ে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ ও গবেষণার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। তিনি উপস্থিত অতিথিবৃন্দ, বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির সম্মানিত নেতৃবৃন্দ, চিকিৎসক সমাজের গুণীজন, স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি ও হাসপাতালের রোগী ও তাদের পরিবারের সকল সদস্যদেরকে আজকের এই বিশেষ আয়োজনে উপস্থিত থাকার জন্য আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।
অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা বলেন,
থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জীবনমান উন্নয়নে এই পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে রোগীদের সেবা আরও সুসংগঠিত হবে এবং চিকিৎসা কার্যক্রমে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি আশা করছে, এ উদ্যোগ শুধু চিকিৎসা কার্যক্রমে নয়, বরং ভবিষ্যৎ গবেষণা ও নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। থ্যালাসেমিয়া একটি চ্যালেঞ্জ হলেও এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব। আমাদের সমষ্টিগত প্রচেষ্টা, জনসচেতনতা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারই এই রোগ নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।
অনুষ্ঠানের সভাপতি ড. এম এ মতিন বলেন, আজ আমাদের সমিতির জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। কারণ আমরা উদ্বোধন করছি “পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম”—একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, যা থ্যালাসেমিয়া রোগীদের চিকিৎসা ও সেবার মান উন্নয়নে এক নবযুগের উন্মেষ ঘটাবে।
আপনারা জানেন, বাংলাদেশে প্রতি বছর হাজার হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। এই রোগের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সঠিক ও নিয়মিত চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা। অনেক সময় রোগীর চিকিৎসা ইতিহাস, রক্ত সঞ্চালন, ল্যাব টেস্ট, ওষুধ ব্যবহার ইত্যাদি তথ্য ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকে, যা চিকিৎসক ও রোগীর পরিবারকে সমস্যায় ফেলে। আমাদের নতুন এই পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সেই সমস্যার সমাধান করবে যেখানে প্রতিটি রোগীর পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরি হবে।
আমরা বিশ্বাস করি, এই উদ্যোগ শুধু সেবা কার্যক্রমকেই আধুনিক করবে না, বরং ভবিষ্যতে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ, গবেষণা এবং নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। আমি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানাই—যারা এই সিস্টেম বাস্তবায়নে কাজ করেছেন, আমাদের চিকিৎসক, স্টাফ এবং প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের। তাদের নিরলস প্রচেষ্টা ছাড়া এ সাফল্য সম্ভব হতো না।
আসুন, আমরা সবাই মিলে প্রতিজ্ঞা করি—একটি থ্যালাসেমিয়া মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে একসাথে কাজ করব।

 


এই বিভাগের আরো খবর