মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে তা ফিরে পাওয়া অনেক কঠিন বিষয়। আরএমপি’র সাইবার ক্রাইম ইউনিটের আধুনিক প্রযুক্তি ও নিষ্ঠার কারণে এখন সেই কাজ অনেক সহজ হয়েছে। তবুও নাগরিকদের উচিত, মোবাইল হারানো প্রতিরোধে সচেতন থাকা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য নিরাপদে সংরক্ষণ করা। আরএমপির সাইবার ক্রাইম ইউনিট ও বিভিন্ন থানা পুলিশ গত নভেম্বর ২০২৪ হতে সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ৫১২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।
০৯ অক্টোবর দুপুরে আরএমপি সদর দপ্তরে আয়োজিত মোবাইল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান। তিনি আরএমপি’র সাইবার ক্রাইম ইউনিটের মাধ্যমে উদ্ধারকৃত ৭৫টি মোবাইল ফোন সংশ্লিষ্ট মালিকদের হাতে তুলে দেন। অনুষ্ঠানে আরএমপি’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তরা উপস্থিত ছিলেন।
ওই সময় পুলিশ কমিশনার বলেন, মোবাইল ফোন বর্তমানে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য একটি ডিভাইস। শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এখন এটি শিক্ষা, ব্যবসা, ব্যাংকিং, সামাজিক যোগাযোগসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যবহৃত হয়। তাই মোবাইল ব্যবহারে সবাইকে আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল হতে হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, বেশ কিছু অসাধু ব্যক্তি চুরি করা মোবাইল কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত। এতে সাধারণ মানুষ প্রতারণা ও আর্থিক ক্ষতির শিকার হন। তাই পুরনো বা ব্যবহৃত মোবাইল কেনার সময় ক্রেতাদের অবশ্যই বিক্রেতার পরিচয় ও মোবাইলের বৈধতা যাচাই করা উচিত। চুরি করা মোবাইল কেনা বা বিক্রি করাও আইনের দৃষ্টিতে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।