ইউনেস্কোর ম্যান অ্যান্ড দ্য বায়োস্ফিয়ার কর্মসূচির আওতায় সুন্দরবনের পর এবার যুক্ত হচ্ছে -“হালদা ও মারজাত বাঁওড়”।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও হালদা রিসার্চ ল্যাবরেটরির সমন্বয়ক ড. মো. মনজুরুল কিবরিয়া জানান, ‘হালদা নদীকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ করার দাবি জানিয়ে আসছি দীর্ঘদিন ধরেই। এটিকে হেরিটেজ ঘোষণা করতে হলে ইউনেস্কোর যে কয়টি শর্ত মানতে হয়, হালদার ক্ষেত্রে সেখানে কোন বাধা নেই। কিন্তু ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ঘোষণা করা হলে সেটার সঙ্গে মানুষের দ্বন্দ্ব তৈরির সম্ভাবনা বেশি। সে কারণে ইউনেস্কো হালদা নদীকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ঘোষণা থেকে বেরিয়ে এসে তাদের আরেকটি কর্মসূচি ‘ম্যান অ্যান্ড বায়োস্ফিয়ার’ ঘোষণার বিষয়ে আগ্রহী।
ইউনেস্কো বিষয়টি নিয়ে ওয়ার্কশপে হালদা বিশেষজ্ঞদের সাথে সঙ্গে কথা বলেছে, পরামর্শ নিয়েছে। হালদাকে এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হলে নদীটি বিশ্ব জীববৈচিত্র্যের অংশ হয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃতি লাভ করবে।’