আর মাত্র কদিন পরই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফুটবলের মহাযজ্ঞ ‘ফিফা বিশ্বকাপ’। সে লক্ষে ময়মনসিংহের ত্রিশালে ফুটপাত থেকে শুরু করে অভিজাত শপিং মলেও বিক্রি হচ্ছে প্রিয় দলের পতাকা ও জার্সি।
ফুটবল প্রেমিক ও ফুটবল তারকা ভক্তরা দেদারছে কিনছে প্রিয় দলের জার্সি ও পতাকা। ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই বিশ্বজুড়ে এক উৎসবের আমেজ। এ আমেজকে ঘিরে প্রতিবারের মতো এবারও মাঠে খেলা গড়ানোর আগেই শুরু হয়েছে বিশ্বকাপের তুমুল উন্মাদনা। ছড়িয়ে পড়েছে ত্রিশাল শহর থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যায়—সবখানেই এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
এদিকে ত্রিশাল উপজেলা ১২টি ইউনিয়নের ছোট বড় অসংখ্য বাজার গুলোতে বিক্রি হচ্ছে পতাকা ও জার্সি। এবং কি কিছু স্কুল কলেজের সামনেও অস্থায়ী ফেরি করে পতাকা বিক্রি দেখা যায়।দোকানিরা আকাশি-সাদা কিংবা হলুদ-সবুজসহ নানা রঙের জার্সি নিয়ে পসরা সাজিয়ে বসেছেন। ক্রেতারাও ভিড় করছেন তাদের পছন্দের দলের জার্সি ও পতাকা কিনতে।
তবে বাজারে সবচাইতে বেশি বিক্রি হচ্ছে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও জার্মানির জার্সি ও পতাকা। ফুটপাতে ১৫০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে জার্সি পাওয়া গেলেও বড় দোকানগুলোতে তা ৫০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে।
একাধিক বিক্রেতা জানান, অন্যান্য সময়ের তুলনায় এবার বিশ্বকাপ উপলক্ষে জার্সি ও পতাকার চাহিদা অনেক বেশি। খেলার দিন যত এগিয়ে আসছে, বিক্রিও তত বাড়ছে।
ফুটপাতে পতাকা ও জার্সি বিক্রেতা মোঃ সাদ্দাম হোসেন বলেন, আমি সারা বছরই হাটে-বাজারে ঘুরে পতাকা, স্টিকার, ব্রেসলেটসহ নানা রকম সামগ্রী বিক্রি করি। সামনে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা থাকায় এখন অন্যান্য জিনিসের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের পতাকা ও খেলোয়াড়দের জার্সি বিক্রি করছি।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বকাপ উপলক্ষে এসবের বেশ ভালো চাহিদা রয়েছে। আমার কাছে ১৫০ থেকে ৪০০ টাকা দামের জার্সি ও পতাকা আছে। এর মধ্যে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জার্সি-পতাকাই বেশি বিক্রি হচ্ছে।
আর্জেন্টিনা সমর্থক হৃদয় বলেন, আমি ছোটবেলা থেকেই আর্জেন্টিনার ভক্ত। বিশ্বকাপ উপলক্ষে বড় আকারের একটি পতাকা তৈরি করে বাড়ির ছাদে টানিয়েছি। সেই সাথে প্রিয় দলের জার্সিও কিনেছি।