খুলনার পাইকগাছা পৌরসভায় প্রতিবেশীর বিল্ডিংয়ের দু-পাশ জুড়ে ভাঙ্গারি স্তুপ রাখা ও খোলা টয়লেট ব্যবহার করায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে বাড়ীর মালিক ও তার ভাড়াটিয়ারা।
এ বিষয়ে অভিযোগ করার পরও প্রতিকার পাচ্ছেন না ভুক্তভোগী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের স্বাস্থ্যকর্মী মাতুয়ারা খাতুন। অভিযোগে জানা যায়, পাইকগাছা পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা স্বাস্থ্য কর্মী মাতুয়া খাতুন। তার একই বিল্ডিং’এ বসবাস করেন আরও তিনজন ভাড়াটিয়া। বিল্ডিং এর নীশচতলায় থাকেন ভাড়াটিয়ারা এবং উপরের তলায় বাস করেন ঘর মালিক নিজেই।
সরজমিনে গেলে দেখা যায়, বিল্ডিং’র উত্তর পাশে প্রচুর ভাঙ্গারি জিনিষপত্র। যা দো-তলা সমান উঁচু করে রাখা হয়েছে। ভাংগা ড্রাম, লোহা লক্কর, বোতলসহ বিভিন্ন প্রকার জিনিষ পত্রসহ আছে একটা খোলা বাথরুম। যার অবস্থা এতই নোংরা বা স্যাৎসেতে, বিল্ডিং এর জানালা দরজা খুলে কোনভাবেই বসবাস করার মত অবস্থা নেই এমনটিও জানালেন ঐ স্বাস্থ্য কর্মী। ঐ ভাংগাড়ি জিনিস পত্র রাখার জায়গার মালিক রবিন দাস।
তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ৬ বছর আগে ভাঙ্গারি খালেকের কাছে এটা ভাড়া হিসেবে ব্যবহার করতে দিই। সেখানে তার ছেলে রনি দেখা শুনা করেন। তাকে বারবার বলার পরও কথা শুনছেনা। জায়গা ছাড়ার কথা বললেও জায়গা ছেড়ে দিচ্ছেনা। আমি খুব বিপদে পড়েছি।
রনি বলেন, আমি এসব কোথায় রাখবো। আমি ব্যাবসা করি। এখানে আমার কিছু করার নেই।
ভুক্তভোগী মাতুয়ারা বলেন, ইতিপূর্বে কয়েকবার আমার দুটি মেয়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে। আমার ঘরের মধ্যে সাপ ও পোকা মাকড় ঢোকে। ভাড়াটিয়ারা থাকতে চাচ্ছেননা। আমি প্রশাসনের কাছে এব্যাপারে হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) ফজলে রাব্বী বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগ পেলে ব্যাবস্থা নেয়া হবে।