চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকা রুটে সকল আন্তঃনগর ট্রেন চালুসহ বিভিন্ন দাবিতে রেল অবরোধ মানববন্ধন ও সমাবেশ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ স্টেশনে এই কর্মসূচি পালন করে ঢাকায় বসবাসকারীদের সংগঠন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমিতি। এ সময় স্টেশনে মল্লিকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি কিছুক্ষণের জন্য আটকে পড়ে। পরে স্টেশন মাস্টারের মাধ্যমে রেলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আন্দোলনকারীদের আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিলে ট্রেনটি ছেড়ে দেয়া হয়।
অবরোধ চলাকালীন সমাবেশে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামি ঢাকা দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির সাবেক সংসদ সদস্য মো. লতিফুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমিতির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার নূরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. দেলওয়ার হোসেন, সদর ্পুজেলা পিরষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোখলেশুর রহমান, বিএনপি নেতা শামশুল হক গানু, আবু তাহের খোকন, জাসদ নেতা মনিরুজ্জামান মনির, ঠিকাদার তৌহিদুর রহমান, সুজনের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মনোয়ার হোসেন জুয়েল, সাবেক কাউন্সিলর শাহনেয়াজ খান সিনাসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, খাদ্যে উদ্বৃত্ত জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ, আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ ঐতিহাসিকভাবেই পর্যটন সমৃদ্ধ জেলা। অথচ একটি মাত্র আন্তঃনগর ট্রেন (বনলতা) ভোরে ছেড়ে ছেড়ে যায়। ঢাকায় জীবীকায়নের জন্য এই জেলার ৫ লক্ষাধিক মানুষ ঢাকায় বসবাস করেন। তারা অত্যন্ত কষ্ট করে যাতায়াত করেন। কাজেই পদ্মা, ধূমকেতু, সিল্কসিটি, মধুমতিসহ সকল আন্তঃনগর ট্রেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে দ্রুত চালু করে এই মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি পূরণ করতে হবে। রেল যোগযোগ বৃদ্ধির জন্য সোনামসজিদ পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণ করতে হবে, রহনপুর রেলবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ রেলবন্দর করতে হবে।
মহাসড়ক চারলেন করতে হবে। পরে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি করা হয়। জেলা প্রশাসকের পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন এবং আজকের (গতকাল) মধ্যেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠিয়ে দেয়া হবে বলে জানান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আনুসুর রহমান।
রেল অবরোধ কর্মসূচিতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বেচ্ছসেবী সংগঠন, সামাজিক সংগঠন, ব্যবসায়ি সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, এর আগে গত বুধবার রেল অবরোধ কর্মসূচি পালন করে সুজন-সুশাসনের জন্য সাগরিক।