সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে মাদক,সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি দমন সম্ভব। শুধু পুলিশের ওপর নির্ভর করলে হবে না, মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
সেক্ষেত্রে সবার সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। পুলিশ সবসময় মাদকের বিরুদ্ধে ছিল আছে এবং থাকবে। যে এলাকায় যখন মাদকের বিস্তার ঘটে সে এলাকার যুবসমাজসহ অন্যান্যরা তখন নষ্ট হয়। তাই মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারীর তথ্য পেলে পুলিশকে অবহিত করবেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস। গত শুক্রবার রাতে পৌর এলাকার পিটিআই বস্তিসহ বিভিন্ন এলাকায় মাদক বিরোধী অভিমানে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
পুলিশ সুপার আরো বলেন মাদক সেবন ও বিক্রির জন্য পিটিআই বস্তি একটি খারাপ এলাকায় পরিনত হয়েছে। একটি এলাকায় সকলে খারাপ না কিছু মাদক ব্যবসায়ীর কারনে নিরীহ মানুষ ও ক্ষতিগ্ৰস্থ হচ্ছে। আপনারা মাদক ব্যবসায়ীদের তথ্য পুলিশ কে দিবেন আপনাদের তথ্য গোপন করা হবে। প্রয়োজনে আপনারা ৯৯৯, ওসির বা আমার নং কল দিবেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ছকটি সীমান্তবর্তী জেলা। মাদকের চালান যেন দেশে না আসতে পারে এবং বিক্রয় ও সেবন না করতে পারে সেজন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে সদর থানা এলাকার পিটিআই বস্তিসহ বিভিন্ন স্থানে বিশেষ এই অভিযান চালান পুলিশ সুপার | অভিযানে মোট ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়| এসময় ৫ পিস ইয়াবা, ৫০০ গ্রাম গাঁজা ও ২০ লিটার চোলাইমদ জব্দ করা হয়|
তাদের মধ্যে মাদক ব্যবসায়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৬ জন, মাদক সেবনের অভিযোগে ১০ জন, সিআর সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্ট মূলে ১ জন, ওয়ারেন্ট মূলে ৩ জন, নিয়মিত মামলায় ১ জনসহ মোট ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়| এছাড়া ২ জনকে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১ জনকে ২১ দিন ও অন্য ১ জনকে ৩০ দিনের সাজা প্রদান করা হয়| গ্রেপ্তারকৃত ২১ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে|