রাজনীতিতে ত্যাগ, সংগ্রাম ও সাংগঠনিক দক্ষতা একজন নেতাকে কর্মীদের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নাসিমা আক্তার সিমু দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে এমনই একজন পরীক্ষিত নেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বলে মনে করেন দলটির নেতা-কর্মীরা।
দলের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাঠপর্যায়ের রাজনীতি, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ধারাবাহিক সম্পৃক্ততার কারণে নাসিমা আক্তার সিমু বর্তমানে স্বেচ্ছাসেবক দলের গুরুত্বপূর্ণ নারী নেতৃত্বের অন্যতম মুখ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
সংগঠনের আগামী দিনের নেতৃত্ব বিন্যাসে তাঁর নাম আলোচনায় রয়েছে বলেও মনে করছেন অনেক নেতা-কর্মী। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক রাজনৈতিক সংগঠনগুলোতে নারীর অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বের বিকাশ এখন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি। সেই বিবেচনায় ত্যাগী ও অভিজ্ঞ নারী নেত্রীদের মূল্যায়ন সংগঠনের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করে। স্বেচ্ছাসেবক দলের ভেতরেও এমন প্রত্যাশা দেখা যাচ্ছে যে, ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে যোগ্যতা ও সাংগঠনিক সক্ষমতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
নেতা-কর্মীদের একটি বড় অংশের বিশ্বাস, নাসিমা আক্তার সিমু যদি আগামী দিনে সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বা ‘সুপার ফাইভ’-এর মতো সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কাঠামোয় স্থান পান, তাহলে তিনি তাঁর অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনকে আরও গতিশীল করতে ভূমিকা রাখতে পারবেন।
তাঁদের মতে, কর্মীবান্ধব মনোভাব, সাহসী নেতৃত্ব এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা সিমুকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। আন্দোলন-সংগ্রামের কঠিন সময়ে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি ও সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাও তাঁকে নেতৃত্বের জন্য শক্ত অবস্থানে নিয়ে এসেছে।
স্বেচ্ছাসেবক দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে যোগ্য, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়নের বিষয়টি। সেই আলোচনায় নাসিমা আক্তার সিমুর নামও গুরুত্বের সঙ্গে উচ্চারিত হচ্ছে। সংগঠনের আগামী পথচলায় তিনি আরও বড় পরিসরে দায়িত্ব পালন করবেন-এমন প্রত্যাশাই করছেন তাঁর অনুসারী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।