বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কাউন্সিলর পদে আলোচনার শীর্ষে যুবদল নেতা কিরন ব্যাপারী দেশে হামের প্রাদুর্ভাব অব্যাহত, মোট মৃত্যু ৫৬০ জন মতলব উত্তরে এসইএল মডেল একাডেমি’ ও ছমির উদ্দিন আহমেদ মেমোরিয়াল মেধাবৃত্তির পুরস্কার বিতরণ ‎সালথায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ ছেংগারচর পৌরবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন মেয়র পদপ্রার্থী বিএনপি নেতা উজ্জ্বল ফরাজী ভান্ডারিয়ায় জামায়াতের উদ্যোগে অসহায় দরিদ্রদের মাঝে চাল বিতরণ ১ কেজি গাঁজা ও প্রায় ৪ লাখ টাকা উদ্ধার, শ্রীপুরে মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আমতলীতে রামিসা সহ সকল ধর্ষণ এর বিচার দাবিতে মানববন্ধন  বগুড়ার শিবগঞ্জে তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম মাদ্রাসার ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে গাজীপুরে ইমাম গ্রেপ্তার গাজীপুরে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন ফুলবাড়িয়ায় সাদাময়না’কে নিয়ে বিপাকে কৃষক পাইকগাছায় অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন: আইনগত ব্যবস্থার দাবি সালথায় হত্যা মামলায় ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক গ্রেপ্তার জৈন্তাপুরে বাংলা টিভির এক দশক পুর্তী উদযাপন সালথার গট্টিতে আর মারামারী না করার দাবী জানিয়ে জাহিদ মাতুব্বরের সংবাদ সম্মেলন প্রতিটি পশুর হাটে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়েছে ডিএমপি কমিশনার রাজাপুরে ভেকুর ধাক্কায় প্রাণ গেল এক ব্র্যাক কর্মীর মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে: ওসি আশরাফ রাজধানীর কল্যাণপুরে চালু হলো ‘স্বপ্ন’র নতুন আউটলেট লালমনিরহাটে জেলা আ.লীগ নেতা জামিনে মুক্তি মিললেও জেলগেটেই ফের আটক ক্যান্সার ও প্যারালাইসিস আক্রান্ত অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াল পজেটিভ কাপ্তাই ঈদযাত্রার চাপে বাড়ছে ভোগান্তির শঙ্কা বিদেশে কর্মসংস্থান: রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় মানবসম্পদ রপ্তানির ধারণা — সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও বাংলাদেশের জন্য কর্মপরিকল্পনা ভাণ্ডারিয়ায় পৃথক অভিযানে গাঁজা গাছ ও ৯০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার শিশুরা শিখবে আনন্দঘন পরিবেশে হেসে খেলে : ফলাফল ও পুরস্কার বিতরণীতে ফয়সল আহমদ শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠায় সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জেলা প্রশাসকের নান্দাইলে অতিদরিদ্র সিএনজি ও অটোরিকশা চালকদের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান গাজীপুরে আগুনে পুড়ল ১১ ভাড়াটিয়ার ঘর, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে এমপি বাচ্চু তুরাগে বিএনপি নেতার ঈদ শুভেচ্ছা: দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

হত্যা নির্যাতনে বিপন্ন সাংবাদিকতা

সাঈদুর রহমান রিমন
বৃহস্পতিবার, ২২ জুন, ২০২৩, ৯:২২ অপরাহ্ন

* ক্ষমতাসীন দলের নেতা, জনপ্রতিনিধি, চিহ্নিত অপরাধী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এমনকি বিরোধী দলের নেতা কর্মিরাও সাংবাদিকদের উপর হামলা চালাতে দ্বিধা করছেন না

.

* দলীয় চরম কোন্দলে জর্জরিত নেতারা সাংবাদিকদেরও পক্ষে বিপক্ষে ঠেলে দেন এবং পরস্পর আক্রমণের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেন।

দেশের ৯ জেলার ১৬টি পয়েন্ট সাংবাদিকদের জন্য ‘ভয়ঙ্কর’ হয়ে উঠেছে। এসব স্থানে দফায় দফায় সাংবাদিক নীপিড়ন, নির্যাতন, মামলা হয়রানি এমনকি হত্যাকাণ্ডও ঘটেছে। বিপজ্জনক স্থানসমূহে ক্ষমতাসীন দলের নেতা, জনপ্রতিনিধি, চিহ্নিত অপরাধী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এমনকি বিরোধী দলের নেতা কর্মিরাও সাংবাদিকদের উপর হামলা চালাতে দ্বিধা করছেন না। খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, দলীয় চরম কোন্দলে জর্জরিত নেতারা সাংবাদিকদেরও পক্ষে বিপক্ষে ঠেলে দেন এবং পরস্পর আক্রমণের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেন। গত দশ বছরে সংবাদ প্রকাশের জের ধরে থানায় ও আদালতে দায়েরকৃত তিন সহস্রাধিক আক্রোশমূলক মামলায় সাড়ে চার হাজার সাংবাদিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলেও তথ্য রয়েছে।

সাংবাদিকদের জন্য বেজায় হুমকিপূর্ণ এলাকাগুলো হচ্ছে, পাবনা, জামালপুর, কুষ্টিয়া, কক্সবাজার, নোয়াখালী, ঢাকার সাভার ও ধামরাই, গাজীপুর সদর ও টঙ্গী, নারায়নগঞ্জের সদর, সোনারগাঁও ও রুপগঞ্জ, ঝালকাঠি জেলার সদর ও রাজাপুর। এছাড়া খোদ রাজধানীতেও উত্তরা, মিরপুর, যাত্রাবাড়ী এলাকা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। গত পাঁচ বছরে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনাবলী পর্যবেক্ষণসহ ঢাকা প্রতিদিনের নিজস্ব অনুসন্ধানে এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

সাংবাদিক নির্যাতনের অভয়াশ্রম খ্যাত এ জনপদগুলোতে আছে সামাজিক বিদ্বেষ, হানাহানি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা আর দখলবাজ-লুটেরা শ্রেণীর একচ্ছত্র আধিপত্য। পেশাদার অপরাধীরাই দন্ডমুন্ডের কর্তা হওয়ায় সর্বত্র অসম পরিস্থিতি বিরাজমান রয়েছে। তবে ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিটি ঘটনার পেছনেই প্রতিদ্বন্দ্বী সাংবাদিক গ্রুপের নেপথ্য ইন্ধন থাকে। এক্ষেত্রে চিহ্নিত অপরাধী ও দলীয় নেতা কর্মিদের সাংবাদিকতায় অনুপ্রবেশ, অশিক্ষিত শ্রেণীর অপেশাদারিত্ব, অপসাংবাদিকতা, ভূঁইফোড় নানা সংগঠন গড়ে ওঠা, সংবাদের পরিবর্তে টু পাইস কামানোর ধান্ধাবাজিতে বেশি উৎসাহ থাকার কারণেও প্রকৃত সাংবাদিকরা হুমকি ও হামলার শিকার হচ্ছেন বলে জানা গেছে।

সাংবাদিক বান্ধব সরকার, তবুও : সাংবাদিক বান্ধব সরকার ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও চিহ্নিত মহল কর্তৃক ধারাবাহিক ভাবে সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতন সংঘটিত হওয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। হামলা, মামলা, হয়রানির আতঙ্ক নিয়ে সাংবাদিকতা চলার অজুহাতে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের গণমাধ্যমকে আংশিক স্বাধীন বলে দুর্ণাম রটানো হয়। গণমাধ্যমকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে ও সাংবাদিকদের তুচ্ছ বানাতে গিয়ে একটি মহল বিশ্বের সামনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিই বিনষ্ট করে চলছে। সেখানে সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতা কেন্দ্রিক সরকারের নানা ইতিবাচক পদক্ষেপও কাঙ্খিত মর্যাদা পাচ্ছে না।

মূলত দুর্নীতিবাজ, লুটেরা, অপরাধীদের সমন্বিত চক্র নানা অপকৌশলে সাংবাদিকদের ‘পক্ষপাতদুষ্ট, দায়িত্বহীন পেশাজীবী’ হিসেবে চিহ্নিত করার পাঁয়তারায় লিপ্ত রয়েছেন। তাদের পৃষ্ঠপোষকতাতেই দেশে দুই শতাধিক পত্রিকাসহ অসংখ্য অনলাইন সংবাদ মাধ্যম পরিচালিত হচ্ছে এবং সেসবের মাধ্যমে কয়েক হাজার অদক্ষ অপেশাদারকে সাংবাদিকতায় অনুপ্রবেশ করানো হয়েছে। তারাই সর্বত্র সাংবাদিকতাকে কুলুষিত করাসহ পেশাদার সাংবাদিকদের উপর হামলা, মামলায় নেপথ্য ইন্ধনদাতার ভূমিকা পালন করে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ চক্র সরকার বিরোধী কুৎসা রটানো থেকে শুরু করে রাষ্ট্রকেও অকার্যকর, অমানবিক আখ্যা দিয়ে অপপ্রচার চালাতে দ্বিধা করে না।

বিচারহীনতায় থামছেই না হত্যা নির্যাতন : সাংবাদিক দম্পত্তি সাগর রুনির নৃশংস হত্যাকান্ডের বিচার চেয়ে গত প্রায় ১১ বছর ধরে সাংবাদিকরা রাজপথে আন্দোলন করছে, বাদ-প্রতিবাদ, মানববন্ধন বহু হয়েছে। কিন্তু কিছুতেই কিছু হয়নি, খুনিদের চিহ্নিত পর্যন্ত করা যায়নি। তারচেয়েও পুরনো ঘটনা রয়েছে রাঙ্গামাটিতে। ২০০৭ সালের ৫ মার্চ নিখোঁজ হন রাঙামাটির সাংবাদিক মো. জামাল উদ্দিন। পরদিন রাঙ্গামাটি পর্যটন এলাকার হেডম্যান পাড়ার বন থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর থেকে বিগত ১৬ বছর ধরেই তার অপহরণ ও হত্যার বিচার চেয়ে মানববন্ধন, স্মারকলিপি পেশসহ নানা আন্দোলন চলছে। কিন্তু বের করা যাচ্ছে না জামাল উদ্দিনের খুনিদেরও। গত দুই যুগে অন্তত ৩২ জন সাংবাদিক নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার হলেও কোনটিরই বিচার হয়নি। ফলে সাংবাদিকদের হত্যা-নির্যাতনের ঘটনা থামছেই না, বরং দিন দিনই তা আশঙ্কাজনক ভাবে বেড়েই চলেছে।

তাছাড়া পাবনায় আনন্দ টিভি’র সাংবাদিক সুবর্ণা নদী, প্রিয় ডট কমের সাংবাদিক ইহসান ইবনে রেজা ফাগুন, নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে সাংবাদিক ইলিয়াস শেখ (৪৫), নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে সাংবাদিক মুজাক্কিরকে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যার ঘটনায় সর্বত্র তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এ ধারাবাহিকতায় অতিসম্প্রতি বাংলানিউজের জামালপুর জেলা প্রতিনিধি ও একাত্তর টিভির বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি নাদিমকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকদের অহরহ গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে। সাংবাদিকদের উপর সংঘটিত নীপিড়ন নির্যাতনের কোনো কোনো ঘটনা শুনলেই গা শিউরে উঠে। কারো কারো হাত পা গুড়িয়ে দেয়ার বর্বরতায় কেউ চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। এরমধ্যে কক্সবাজারের সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা, বাংলা ট্রিবিউনের কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি আরিফুল ইসলাম রিগ্যানকে রাতের আঁধারে তুলে নিয়ে বিবস্ত্র করে নির্যাতন চালানোর পর মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে কারাদন্ড প্রদান, পক্ষকাল পত্রিকার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম কাজলকে রাতের আধারে তুলে নিয়ে চোখ মুখ বেধে ৫৩ দিন অজ্ঞাত স্থানে আটক রাখা, জামালপুরের সাংবাদিক শেলু আকন্দ’র হাত পা গুড়িয়ে চিরতরে পঙ্গু বানানোর ঘটনা দেশবাসীর হৃদয়ে গভীরভাবে নাড়া নেয়। সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে সংবাদের সাংবাদিক কামাল হোসেনকে বালু-পাথর খেকো সন্ত্রাসিরা গাছের সাথে বেঁধে নির্যাতন চালানোর ঘটনা মধ্যযুগীয় বর্বরতাও হার মানায়। অথচ সেসব নির্যাতন ও হত্যার ঘটনায় আজ পর্যন্ত কোনো বিচার হয়নি।

বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি মীর্জা মেহেদী তমাল বলেছেন, ‘সাংবাদিকরা বহুমুখী ঝুঁকির মধ্যে দায়িত্ব পালনে বাধ্য হচ্ছেন। পেশার এই ঝুঁকি রাজধানীতে অপেক্ষাকৃত কম হলেও ঢাকার বাইরে তা বহুগুণ বেশি।’ হত্যা, হত্যার হুমকি, মানসিক চাপ, শারীরিক আঘাত, হামলা ও মামলার ঘটনা বেড়েই চলেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্থানীয় পর্যায়ের কোথাও কোথাও অপরাধীদের একচ্ছত্র আধিপত্য থাকার কারণেই সাংবাদিকরা হুমকি ও বিপন্নতার মুখে পড়ছেন। এসব ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের আভ্যন্তরীণ বিরোধও অনেক ক্ষেত্রে দায়ী বলে মনে করেন ক্র্যাব সভাপতি। সাংবাদিক নির্যাতনের অসংখ্য ঘটনার মধ্যে হাতে গোণা কয়েকটি ঘটনায় বাদ, প্রতিবাদ, মিছিল, মানববন্ধন হলেও বেশিরভাগ নির্যাতনের ঘটনা চাপা পড়ে থাকে। অনেক নির্যাতনের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে দায়সারা গোছের প্রতিবাদ বিবৃতি পাঠিয়েই দায়িত্ব শেষ করা হয়। আবার এক সাংবাদিক সংগঠনের সদস্য হামলার শিকার হলে অন্য সাংবাদিক সংগঠন নির্যাতিত সাংবাদিককেই চাঁদাবাজ, ভূয়া সাংবাদিক আখ্যা দিয়ে রীতিমত নির্যাতনের পক্ষে সাফাই গাওয়ার ঘৃণ্য নজিরও রয়েছে।

বেঁচে থাকা যেন জীবন্ত লাশ : দুর্বৃত্তদের হাতে প্রাণ হারানো সাংবাদিক পরিবারগুলোর দুর্দশার শেষ নেই। অবিরাম হুমকি, ধমকি, প্রাণ বাঁচানোর আকুতি নিয়ে তাদের দ্বারে দ্বারে ঘোরাফেরা চিরতরে বন্ধ হলেও বিচারের দাবি নিয়ে বছরের পর বছর আদালতে ধর্ণা দিতে হচ্ছে। কিন্তু যেসব সাংবাদিক চরম ঝুঁকির মুখে এখনো দেহে প্রাণ নিয়ে বেঁচে আছেন, তাদের অবস্থা আরো শোচনীয়। শহরের এগলি এড়িয়ে, অন্য গলি পালিয়ে নিজেদের জীবন বাঁচাতে হচ্ছে। অনেক সংবাদ কর্মির অভাব কষ্টে সংসার চলে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে, দু’ বেলা খাবারের নিশ্চয়তা পর্যন্ত নেই-অথচ একের পর এক হয়রানিমূলক মামলার হাজিরা দিতেই তাদের জীবন ওষ্ঠাগত। এক তথ্যসূত্রে জানা গেছে, হয়রানিমূলক তিন সহস্রাধিক মামলায় সাড়ে চার হাজার সাংবাদিক সীমাহীন ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। কোন কোন এলাকায় পরিস্থিতি এতই চরমে পৌঁছেছে যে, হুমকিসহ হয়রানি পোহানোর কথা প্রকাশ করাও বিপজ্জনক!


এই বিভাগের আরো খবর