নওগাঁর আত্রাইয়ে শীতের আগমনে লেপ–তোষক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছে কারিগররা। শীতের অনুভূতি বাড়তেই আত্রাই উপজেলার বিভিন্ন বাজারে জমে উঠেছে লেপ–তোষক তৈরির কাজ। দিনের বেলায় রোদ থাকলেও সন্ধ্যা নামতেই নামছে শীত।তাই শীতের আগমনী বার্তায় বাড়ছে লেপ–তোষকের চাহিদাও। দোকান গুলো জুড়ে চলছে তুলা ধোয়া, ধুন্দুল করা, কাপড় কাটা, সেলাইসহ লেপ তৈরির নানা ধাপের ব্যস্ততা।
আত্রাই বাজারের লেপ ব্যবসায়ী মো.এরশাদ বলেন, “শীত শুরু হতেই অর্ডার বেড়ে গেছে। প্রতিদিন গড়ে ৬–৮টি লেপ বিক্রি করছি।” তিনি জানান, ৪–৫ হাত সাইজের একটি লেপ ১,৫০০ থেকে ২,৫০০ টাকা, তোষক ১,৫০০ থেকে ২,০০০ টাকা, বালিশ ২৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং কোলবালিশ ৪০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সকাল থেকেই তার দোকানে কারিগরদের দৌড়ঝাঁপ লক্ষ করা যায়।
কারিগর মো.খোকন আলী খাঁ ও মো.নাঈম ইসলাম বলেন, “এবারের শীতে চাহিদা গতবারের চেয়ে বেশি। প্রতিটি লেপ বানিয়ে আমরা ২০০–৩০০ টাকা আয় করি।” একই বাজারের কারিগর মোহাম্মদ শফিক উদ্দিন জানান, শীত যত বাড়বে, অর্ডারও তত বাড়বে—তাই আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন।
লেপ কিনতে আসা ক্রেতা ওয়াহেদ ইসলাম বলেন, “শীত একটু আগে শুরু হয়েছে, তাই লেপ কিনতে এলাম।ভালো কাপড় আর উন্নত তুলা দিয়ে লেপ তৈরিতে দাম একটু বেশি।তবে এবার গত বছরের তুলনায় ১০০–২০০ টাকা বাড়তি।”
ক্রেতা আজাদ হোসেন জানান, তিনি পুরোনো লেপে নতুন তুলা ভরিয়ে নিচ্ছেন। তার মতে, “নতুন লেপ কেনার চেয়ে এতে খরচ কম হচ্ছে।” শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উপজেলার বিভিন্ন বাজারে লেপ–তোষক তৈরিতে জমে উঠেছে ব্যবসা। এতে খুশি ব্যবসায়ী ও কারিগররা।