শখের বশে পতিত জমিতে সূর্যমুখী চাষ করে মিটবে পরিবারের ভোজ্য তেলের চাহিদা। এমনটাই প্রত্যাশা করছেন উদীয়মান তরুণ উদ্যোক্তা আব্দুল মতিন লেবু।
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার নন্দিরগাঁও ইউনিয়নের কচুয়ার পার গ্রামের কৃষক লেবু। উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার দেওয়া সূর্যমুখীর বীজ দিয়ে স্হানীয়ও বোগদার বিলের ১ বিঘা পতিত জমিতে শখের বসে চাষ করেন সূর্যমুখী। বর্তমানে সূর্যমুখীর বাগানটি হলুদ ফুলে ফুলে সোনালী রোদে ঝলমল করছে। ফুলে ফুলে ভোমরা গুন গুনানি সুরে আহরণ করছে মধু। সূর্যমুখী ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে বিকেলের সময় আনন্দ উপভোগ করেন স্থানীয় প্রকৃতি প্রেমীরা।
কৃষক আব্দুল মতিন লেবু বলেন,উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সূর্যমুখী ফুলের বীজ ও সার দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে সূর্যমুখী চাষ করার জন্য উৎসাহ প্রদান করেন।আমিও শখের বশে চাষ করি। এখন বাগানটি পূর্ণাঙ্গভাবে পরিপূর্ণ হওয়ায় আমার মনে আনন্দ লাগছে। বিকেল বেলার সময়টা এখানেই কাটাই। তিনি বলেন অল্প খরচে খুব পরিশ্রমে এই বাগান থেকে পরিবারের ভোজ্য তেলের চাহিদা মেটাতে পারবো এমনটাই আশা করছি।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা লোকমান বলেন, উপজেলা কৃষি অফিস প্রণোদনার মাধ্যমে কৃষকদের সূর্যমুখী চাষ করতে আগ্রহী করে। যা আমাদের ভোজ্য তেলের চাহিদা মেটাতে এক বড় সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এটি কম খরচে ও স্বল্প সময়ে ভালো ফলন দেয়, যা স্বাস্থ্যসম্মত ও কোলেস্টেরল মুক্ত। কৃষকরা এখন বাণিজ্যিকভাবেও লাভবান হচ্ছেন। কৃষক লেবুকে সার ও বীজ দিয়ে সার্বক্ষণিক তদারকির মাধ্যমে সূর্যমুখীর বাগান করতে উৎসাহ প্রদান করি। তবে এই মাটি তরমুজ ও ফরাস চাষের জন্য আরো উপযোগী। আগামী বছর এইসব চাষ করার জন্য আমি তাকে পরামর্শ দিচ্ছি।