প্রতিনিধি ময়মনসিংহের নান্দাইলে প্রায় সাত মাস পূর্বে একটি সড়ক দূর্ঘটনায় সৌভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে গেলেও চোখের আলো হারিয়ে ফেলেছে দশম শ্রেণীর স্কুল ছাত্রী রোবিনা।
তবে চিকিৎসকরা জানায় বিদেশে গিয়ে চোখ প্রতিস্থাপন করলে হয়তো রোবিনার চোখের আলো ফিরতে পারে। এছাড়াও রোবিনার একটি হাত ও নাকের অপারেশন এখনও বাকী রয়েছে। কিন্তু রোবিনার বাবা রুবেল মিয়া একজন বর্গাচাষী। অন্যের জমি চাষ করে কোনমতে পরিবারের ৫ সদস্যের সংসার চালায়। সহায় সম্বল না থাকায় মেয়ের চিকিৎসার খরচ যোগানো সম্ভব হচ্ছে না।
ফলে রোবিনার চোখের চিকিৎসার জন্য প্রায় ৩ লাখ টাকার প্রয়োজন। জানাগেছে, রোবিনা নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও ইউনিয়নের ধরগাঁও চকপাড়া গ্রামের কৃষক রুবেল মিয়ার বড় কন্যা। রোবিনা উপজেলার মুশুল্লী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী। গত ২৯শে আগস্ট ২০২৩ বিদ্যালয়ের সামনে ময়মনসিংহ-টু-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে স্কুল থেকে ইজিবাইকযোগে বাড়ি ফিরার পেতে বাসের সঙ্গে ভয়বাহ দূর্ঘটনার কবলে পড়েছিল। এসময় ওই দূর্ঘটনায় ইজিবাইকে থাকা আরও দুইজন যাত্রী ঘটনাস্থলে মৃত্যু বরণ করে। কিন্তু রোবিনা আক্তার গুরুতর আহত হয়ে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকা হাসপাতালে ভর্তি হয়।
পরিবারের লোকজন, তাঁর স্কুলের শিক্ষক ও সহপাঠী সহ নান্দাইলের সকল সাংবাদিকদের সহযোগিতায় রোবিনার চিকিৎসার খরচের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু সে প্রাণে বেচেঁ গেলেও তাঁর চোখ দুটির আলো হারিয়ে ফেলেছে। তাই এ বিষয়ে রোবিনার বাবা রুবেল মিয়া বলেন, ভাই আমি গরীব মানুষ। আমার দূর্ঘটনায় চোখ হারানো মেয়েটাকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার করানোর মতো আমার সহায় সম্বল নেই। সমাজের বিত্তবানদের বা সরকারের সহযোগিতা পেলে মেয়ের চোখের চিকিৎসা করা সম্ভব হবে বলে জানান।