বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী আদর্শের বাতিঘর, জনতার প্রিয় নেতা কুড়িগ্রাম পৌরসভার সাবেক সফল মেয়র আবু বকর সিদ্দিক।
যিনি একাধারে বহু গুনে গুণান্বিত কুড়িগ্রামের রত্ন দেশের গর্ব সাবেক ফুটবলার আবু বকর সিদ্দিক । কুড়িগ্রাম জেলার ফুটবল অঙ্গনে ইতিহাস লিখতে গেলে প্রথমেই পাঁচজন খেলোয়াড়ের নাম বলতে চলে আসে তার নাম। খেলাধুলার পাশাপাশি তিনি রাজনৈতিক অঙ্গনেও বেশ সুনাম অর্জন করেছেন। তার সততা নেয় নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং কুড়িগ্রাম পৌরসভার উন্নয়নে মনন শীল চিন্তাধারা ও জন বান্ধব কর্মকান্ড সবার নজর কেড়েছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক, জেলা বিএনপি’র সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি, কুড়িগ্রাম পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি হিসেবে দীর্ঘ সময়ে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে আবু বকর সিদ্দিক জেলা বিএনপির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছেন । বিগত চারদলীয় জোট সরকার আমলে কুড়িগ্রাম পৌরসভা নির্বাচনে তিনি মেয়র পদে অংশ নিয়ে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। তিনি কুড়িগ্রাম পৌরসভার উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেন।
সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে তদবির করে বাজেট নিয়ে আসেন। তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় রেলের জায়গায় বাইপাস সড়ক নির্মাণ করা হয়। উক্ত চলাচলের সড়কটি বর্তমানে যানজট নিরসনে ভূমিকা রাখছে। কুড়িগ্রাম আদর্শ জিয়া বাজারের স্বল্প জায়গার কারণে প্রতিনিয়ত জনদুর্ভোগ লেগেই থাকতো। তিনি কুড়িগ্রাম আদর্শ জিয়া বাজারের উন্নয়নে সকল বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে উক্ত বাজারের সাথে বেসরকারি জমি সংযুক্ত করে বাজারটির সম্প্রসারণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেন। যে কারণে আজকের সময়ে বাজারটিতে অনেক মানুষের ব্যাপক কর্মসংস্থান গড়ে উঠেছে। সাবেক মেয়র আবু বকর সিদ্দিক এর অনেক পরিকল্পনা থাকলেও পরবর্তীতে তিনি দায়িত্বে না থাকায় কুড়িগ্রাম পৌরবাসী কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হতে বঞ্চিত হয়ে আসছেন । তিনি কুড়িগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক। তার সময়ে কুড়িগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার মাধ্যমে নিয়মিত বিভিন্ন ফুটবল লীগ হতো এবং খেলোয়াড়রা নিয়মিত অংশগ্রহণ করত। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচনী ব্যবস্থাকে কুক্ষিগত করার কারণে সাবেক মেয়র আবু বকর সিদ্দিক রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে কুড়িগ্রাম পৌরসভার সাবেক মেয়র আবু বকর সিদ্দিক জানান, কুড়িগ্রাম পৌরসভা সংকটের বেড়াজালে বন্দী।
পর্যাপ্ত বাজেট না থাকায় কুড়িগ্রাম পৌরবাসী উন্নয়ন হতে বঞ্চিত। আমার সময় বিপুল পরিমাণ বাজেট নিয়ে এসেছিলাম। ওই বাজেটের কাজ আমি নিজে করতে পারিনি কিন্তু পরবর্তী মেয়র করেছিলেন। কুড়িগ্রাম পৌরবাসীর নাগরিক সুবিধার কথা চিন্তা করে রেলের জায়গায় সড়ক নির্মাণ করায় আমাকে মামলায় আসামী হতে হয়েছিল। সাধারণ ভোটারদের দাবির প্রেক্ষিতে আসন্ন কুড়িগ্রাম পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আমি সকলের দোয়া প্রার্থী। আপনাদের সমর্থন থাকলে, ইনশাল্লাহ আমি মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হয়ে আপনাদের কাঙ্খিত উন্নয়ন বাস্তবায়ন করব।