শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ০৯:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কাউন্সিলর পদে আলোচনার শীর্ষে যুবদল নেতা কিরন ব্যাপারী দেশে হামের প্রাদুর্ভাব অব্যাহত, মোট মৃত্যু ৫৬০ জন মতলব উত্তরে এসইএল মডেল একাডেমি’ ও ছমির উদ্দিন আহমেদ মেমোরিয়াল মেধাবৃত্তির পুরস্কার বিতরণ ‎সালথায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ ছেংগারচর পৌরবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন মেয়র পদপ্রার্থী বিএনপি নেতা উজ্জ্বল ফরাজী ভান্ডারিয়ায় জামায়াতের উদ্যোগে অসহায় দরিদ্রদের মাঝে চাল বিতরণ ১ কেজি গাঁজা ও প্রায় ৪ লাখ টাকা উদ্ধার, শ্রীপুরে মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আমতলীতে রামিসা সহ সকল ধর্ষণ এর বিচার দাবিতে মানববন্ধন  বগুড়ার শিবগঞ্জে তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম মাদ্রাসার ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে গাজীপুরে ইমাম গ্রেপ্তার গাজীপুরে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন ফুলবাড়িয়ায় সাদাময়না’কে নিয়ে বিপাকে কৃষক পাইকগাছায় অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন: আইনগত ব্যবস্থার দাবি সালথায় হত্যা মামলায় ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক গ্রেপ্তার জৈন্তাপুরে বাংলা টিভির এক দশক পুর্তী উদযাপন সালথার গট্টিতে আর মারামারী না করার দাবী জানিয়ে জাহিদ মাতুব্বরের সংবাদ সম্মেলন প্রতিটি পশুর হাটে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়েছে ডিএমপি কমিশনার রাজাপুরে ভেকুর ধাক্কায় প্রাণ গেল এক ব্র্যাক কর্মীর মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে: ওসি আশরাফ রাজধানীর কল্যাণপুরে চালু হলো ‘স্বপ্ন’র নতুন আউটলেট লালমনিরহাটে জেলা আ.লীগ নেতা জামিনে মুক্তি মিললেও জেলগেটেই ফের আটক ক্যান্সার ও প্যারালাইসিস আক্রান্ত অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াল পজেটিভ কাপ্তাই ঈদযাত্রার চাপে বাড়ছে ভোগান্তির শঙ্কা বিদেশে কর্মসংস্থান: রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় মানবসম্পদ রপ্তানির ধারণা — সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও বাংলাদেশের জন্য কর্মপরিকল্পনা ভাণ্ডারিয়ায় পৃথক অভিযানে গাঁজা গাছ ও ৯০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার শিশুরা শিখবে আনন্দঘন পরিবেশে হেসে খেলে : ফলাফল ও পুরস্কার বিতরণীতে ফয়সল আহমদ শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠায় সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জেলা প্রশাসকের নান্দাইলে অতিদরিদ্র সিএনজি ও অটোরিকশা চালকদের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান গাজীপুরে আগুনে পুড়ল ১১ ভাড়াটিয়ার ঘর, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে এমপি বাচ্চু তুরাগে বিএনপি নেতার ঈদ শুভেচ্ছা: দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

জনবান্ধব বাজেটের প্রত্যাশা

অনলাইন ডেস্ক :
রবিবার, ২৮ মে, ২০২৩, ১২:০৩ পূর্বাহ্ন

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট পরিকল্পনা করতে যাচ্ছে সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়।

এই বাজেট প্রণয়নে সরকারকে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় আনতে হচ্ছে। যেমন-রাজস্ব আয় বাড়ানো, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা, বাজেট ঘাটতি সীমার মধ্যে রাখা, বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো। তা ছাড়া আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত পূরণের বিষয়টিও রয়েছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি মুদ্রার বিনিময় হারে অস্থিরতা, প্রবাসীদের পাঠানো আয় বা রেমিট্যান্স, ভর্তুকি চার্জ আসন্ন বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ।

গতকাল বিভিন্ন প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, আসন্ন নতুন বাজেটের আকার কেমন হবে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কত হবে, ভর্তুকি কত থাকবে, কর কাঠামো কেমন হবে, তার সবই প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গেছে ইতিমধ্যে। এককথায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট জাতীয় সংসদে পেশের জন্য প্রায় প্রস্তুত। এখন শুধু শেষ সময়ের সংযোজন-বিয়োজন চলছে। অর্থ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্রে এখন পর্যন্ত যা জানা গেছে এবারের বাজেটে সরকারের জন্য বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। পরিকল্পনামন্ত্রীসহ সরকারের বেশ কয়েক মন্ত্রী ইতিমধ্যেই এ ধরনের মন্তব্যও করেছেন। তবে এবারের বাজেটে ব্যয়ের চেয়ে আয়ের দিকেই বেশি নজর দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। সে জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর কাঠামোকে একেবারে ঢেলে সাজাচ্ছে।

নানা কারণে এবারের বাজেট সরকারের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জের। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ। এ ছাড়া বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জও রয়েছে বিভিন্ন রকম। এর পাশাপাশি এটি নির্বাচনের বছরের বাজেট। তাই সব দিক মাথায় রেখেই সরকারকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশ করতে হবে। সরকারের সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া দরকার ভোগ্যপণ্যের মূল্য কমানোর পদক্ষেপে।

আগামী বাজেটে রাজস্ব আয় বৃদ্ধির প্রতি জোর দেওয়া উচিত বলে মনে করে অভিজ্ঞ মহল। প্রতি বছর রাজস্ব আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় তা পূরণ করা সম্ভব হয় না। এতে করে বছর শেষে ঘাটতি দেখা দেয়। ঘাটতি পূরণের জন্য সরকার ঋণ নিতে বাধ্য হয়। রাজস্ব আয় বৃদ্ধি ও আদায়ের মাধ্যমে ঘাটতি সামাল দেওয়া উচিত। প্রতি বছর বাজেট পেশকালে রাজস্ব আয় বৃদ্ধির নানা কৌশলের কথা বললেও বছর শেষে এই ঘাটতি থেকেই যায়। ঘাটতি মোকাবিলায় বৈদেশিক ঋণের ওপর চাপ কমাতে উৎপাদন বাড়াতে হবে। কৃষি ও শিল্প খাতে উৎপাদন বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দেশের বিদ্যমান আর্থ-সামাজিক অবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা প্রভৃতি খাতে বরাদ্দ বাড়ানো প্রয়োজন। প্রতি বছর এ বিষয়ে বলা হলেও কাক্সিক্ষত মাত্রায় বাড়ানো হচ্ছে না। বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে কতকগুলো খাতকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। যেমন-জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা, সরবরাহ ব্যবস্থা গতিশীল ও শক্তিশালী করা, আমদানি পণ্যের উচ্চ মূল্যস্ফীতি মোকাবিলা করা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা, গরিব ও অসহায়দের মধ্যে স্বল্পমূল্যে খাদ্য বিতরণ এবং বিদ্যুৎ, গ্যাস ও কৃষিতে ভর্তুকি দেওয়া।

বাজেটের আকার যা-ই হোক না কেন, এতে সাধারণ মানুষের আয়ের ওপর কী প্রভাব পড়বে সেই বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে জীবনযাত্রায় মানুষ হিমশিম খাচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের শুল্ককর বৃদ্ধির ফলে জনদুর্ভোগ যাতে না বাড়ে, সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে।

দেশের মানুষ কষ্টে আছে। তাই এবারের বাজেটটি যেন হয় সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির বাজেট, এমন প্রত্যাশা রয়েছে জনমনে। রাজনৈতিক সদিচ্ছা, দুর্নীতি রোধ ও সম্পদের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে বাজেট বাস্তবায়ন অনেকাংশে সম্ভব বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। এবার জনবান্ধব বাজেট প্রণয়ন করা হবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি।


এই বিভাগের আরো খবর