শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কাউন্সিলর পদে আলোচনার শীর্ষে যুবদল নেতা কিরন ব্যাপারী দেশে হামের প্রাদুর্ভাব অব্যাহত, মোট মৃত্যু ৫৬০ জন মতলব উত্তরে এসইএল মডেল একাডেমি’ ও ছমির উদ্দিন আহমেদ মেমোরিয়াল মেধাবৃত্তির পুরস্কার বিতরণ ‎সালথায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অর্থ বিতরণ ছেংগারচর পৌরবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন মেয়র পদপ্রার্থী বিএনপি নেতা উজ্জ্বল ফরাজী ভান্ডারিয়ায় জামায়াতের উদ্যোগে অসহায় দরিদ্রদের মাঝে চাল বিতরণ ১ কেজি গাঁজা ও প্রায় ৪ লাখ টাকা উদ্ধার, শ্রীপুরে মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আমতলীতে রামিসা সহ সকল ধর্ষণ এর বিচার দাবিতে মানববন্ধন  বগুড়ার শিবগঞ্জে তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম মাদ্রাসার ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে গাজীপুরে ইমাম গ্রেপ্তার গাজীপুরে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন ফুলবাড়িয়ায় সাদাময়না’কে নিয়ে বিপাকে কৃষক পাইকগাছায় অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন: আইনগত ব্যবস্থার দাবি সালথায় হত্যা মামলায় ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক গ্রেপ্তার জৈন্তাপুরে বাংলা টিভির এক দশক পুর্তী উদযাপন সালথার গট্টিতে আর মারামারী না করার দাবী জানিয়ে জাহিদ মাতুব্বরের সংবাদ সম্মেলন প্রতিটি পশুর হাটে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়েছে ডিএমপি কমিশনার রাজাপুরে ভেকুর ধাক্কায় প্রাণ গেল এক ব্র্যাক কর্মীর মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে: ওসি আশরাফ রাজধানীর কল্যাণপুরে চালু হলো ‘স্বপ্ন’র নতুন আউটলেট লালমনিরহাটে জেলা আ.লীগ নেতা জামিনে মুক্তি মিললেও জেলগেটেই ফের আটক ক্যান্সার ও প্যারালাইসিস আক্রান্ত অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াল পজেটিভ কাপ্তাই ঈদযাত্রার চাপে বাড়ছে ভোগান্তির শঙ্কা বিদেশে কর্মসংস্থান: রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় মানবসম্পদ রপ্তানির ধারণা — সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও বাংলাদেশের জন্য কর্মপরিকল্পনা ভাণ্ডারিয়ায় পৃথক অভিযানে গাঁজা গাছ ও ৯০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার শিশুরা শিখবে আনন্দঘন পরিবেশে হেসে খেলে : ফলাফল ও পুরস্কার বিতরণীতে ফয়সল আহমদ শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠায় সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জেলা প্রশাসকের নান্দাইলে অতিদরিদ্র সিএনজি ও অটোরিকশা চালকদের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান গাজীপুরে আগুনে পুড়ল ১১ ভাড়াটিয়ার ঘর, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে এমপি বাচ্চু তুরাগে বিএনপি নেতার ঈদ শুভেচ্ছা: দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

জাতীয়করণের দাবিতে শিক্ষকরা অনড়: পাঠদান যেন ব্যাহত না হয়

সম্পাদকীয়
রবিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৩, ৩:১৩ অপরাহ্ন

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ ও সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বৈষম্য কমানোর দাবিতে শ্রেণিকক্ষ বন্ধ রেখে গত ১১ জুলাই থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে টানা অবস্থান কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছেন শিক্ষকরা। শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকও করেছেন তারা। তবে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করা সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেছেন, এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের জন্য যে বড় আর্থিক সক্ষমতা থাকা দরকার, তা বৈশ্বিক সংকটের এ সময়ে দেশের নেই। তবে জাতীয়করণের বিষয়ে দুটি কমিটি করার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। এক তথ্যে জানা যায়, দেশে ২০ হাজার ৯৬০টি মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। বিপরীতে সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে ৬৮৪টি। সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১ কোটি। শিক্ষক রয়েছেন সব মিলিয়ে প্রায় ৩ লাখ। শিক্ষকরা যে পরিমাণ বেতন-ভাতা পেয়ে থাকেন, তা দিয়ে পরিবার চালানো বেশ কষ্টসাধ্য। মাধ্যমিক শিক্ষকদের এই চাওয়া দীর্ঘদিনের। এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা ২৫ শতাংশ উৎসব ভাতা, ১ হাজার টাকা বাড়ি ভাড়া এবং ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা পান। একই কারিকুলামের অধীনে থেকেও সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষকদের মধ্যে বৈষম্য রয়েছে। তবে এই বৈষম্যের অবসান হওয়া উচিত বলে মনে করছে শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞ মহল।

শিক্ষাবিদ ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচনের প্রাক্কালে শিক্ষকসহ পেশাজীবীরা দাবি আদায়ে আন্দোলনে নামেন। এ সময় সরকারও কিছুটা নমনীয় থাকে। সমস্যা সমাধানে প্রতিশ্রুতি দেয়। শিক্ষাকে জাতীয়করণের দাবিটি যৌক্তিক। কিন্তু নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারকে চাপ দেওয়া নীতিগতভাবে ঠিক হয়নি শিক্ষকদের। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বার্ষিক পরীক্ষা এগিয়ে নভেম্বরে আনা হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে শিক্ষকরা শ্রেণিকক্ষ ফেলে আন্দোলনে, সিলেবাস শেষ করবেন কে? গড়পড়তায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের পক্ষেও নন তারা। সারা দেশে অপরিকল্পিতভাবে যত্রতত্র অপ্রয়োজনীয়ভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। অনেক শিক্ষকের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলেও পাঠদানের যোগ্যতা নেই। তবে দেশে মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে শিক্ষা জাতীয়করণ জরুরি।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, শিক্ষা জাতীয়করণের দাবিটি যৌক্তিক। কিন্তু এ মুহূর্তে বৈশ্বিক আর্থিক মন্দা চলছে। সরকারের আর্থিক চাপ নেওয়া কঠিন। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে জাতীয়করণ করা ঠিক হবে না।

ঢালাওভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের নামে নিয়মবহির্ভূতভাবে কেউ যাতে সুযোগ নিতে না পারে সে বিষয়ে যেমন নজর রাখতে হবে, তেমনি শিক্ষকরা যে বৈষম্যের মধ্যে আছেন সে বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া দরকার। আন্দোলনরত শিক্ষকরা শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে সমাধান না পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। দাবি আদায়ে আন্দোলনরত শিক্ষকদের প্রধান চাওয়া ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ৫ মিনিটের সাক্ষাৎ’। এ সাক্ষাতের মধ্য দিয়েই তাদের সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে মনে করছেন তারা।

বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে উভয় পক্ষকে নমনীয় হতে হবে। আমরা মনে করি, আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সুরাহা হওয়া উচিত। শিক্ষকরা রাজপথ ছেড়ে দ্রুত শ্রেণিকক্ষে ফিরে যাবেন-এটাই আমাদের প্রত্যাশা।


এই বিভাগের আরো খবর