ঢাকা প্রতিদিন তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক : জেলায় সদ্য সমাপ্ত অর্থ বছরে ৮০ সহস্রাধিক মানুষ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ই-সেবা ও তথ্য সেবা কেন্দ্র থেকে বিভিন্ন ধরনের সেবা পেয়ে উপকৃত হয়েছে।
২০২১ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এ সেবা প্রদান করা হয়। সর্বমোট ৮০ হাজার ৩৬৭ জন এ সেবা গ্রহণ করে। ই-সেবা ও তথ্য সেবা কেন্দ্র থেকে দেয়া সেবা সমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে এস.এ পর্চা, আরএস পর্চা, বিএস পর্চা, সিএস পর্চা, দাগের সূচি, মৌজা ম্যাপ, পর্চা ডেলিভারী, নাগরিক আবেদন গ্রহণ এবং মৌখিক সেবা প্রদান। গত ১ বছরে ২১ হাজার ৮৪১টি পর্চার আবেদন ই-সেবা কেন্দ্র থেকে গ্রহণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রেকর্ডরুমে প্রেরণ করা হয়। সেখান থেকে এ কেন্দ্রের মাধ্যমে ডেলিভারীর জন্য ১৬ হাজার ৮২২টি জমিজমা সংক্রান্ত ডকুমেন্ট আবেদনকারীদের নিকট ডেলিভারী দেয়া হয়। এছাড়া নাগরিকদের ৪ হাজার ৮৮৭টি বিভিন্ন ধরনের আবেদন গ্রহণ করে তা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখাগুলোতে পৌঁছে দেয়া হয়। একই সময় বহুমূখী মৌখিক সেবা প্রদান করা হয় ৩৬ হাজার ৮১৭ জনকে। এ ই-সেবা কেন্দ্র ও তথ্র সেবা কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মেহেদী হাসান জানান কোনরূপ হয়রানী ছাড়া সেবা নিতে আসা নাগরিকদের সেবা প্রদানে এ অফিসটি তৎপর রয়েছে।
পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান জানান ,জমির মালিক বা অন্য কারোর পর্চা নিতে দিনের পর দিন বিভিন্ন ধরনের হয়রানীর শিকার হতে হতো। এখন ১টি টাকাও উৎকোচ না দিয়ে আবেদন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের পর্চা, দাগের সূচি নির্দিষ্ট দিনে ডেলিভারী দেয়া হয়। একই সাথে এখন আর মানুষজনকে বিভিন্ন ধরনের নাগরিক আবেদন জমা দিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রুমে রুমে ঘুরতে হয় না। এ ই-সেবা ও তথ্য সেবা কেন্দ্রে সব ধরনের নাগরিক আবেদন জমা রাখা হয়। এ যে হয়রানী ও দুর্নীতিমুক্ত ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার জনকল্যাণে চালু করেছেন এবং এটাই ডিজিটাল বাংলাদেশ। পিরোজপুরের ই-সেবা ও তথ্য সেবা কেন্দ্রে জমির পর্চা ডেলিভারী নিতে সুদুর মঠবাড়িয়ার শাপলেজা থেকে আসা ষাটোর্ধ আব্দুল কাদের হাতে পাওয়া ১টি খতিয়ানের এসএ পর্চা দেখিয়ে বললেন কোনরকম হয়রানী ছাড়াই এ পর্চাটি তিনি হাতে পেয়ে যথেষ্ট উপকৃত হয়েছেন।
ঢাকা প্রতিদিন/এআর