নারায়ণগঞ্জ বন্দরের কামতাল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সীমানা ঘেঁষে গ্যারেজ। পুলিশের নাকের ডগায় গ্যারেজে চলতো মাদক বেচাকেনা।
ওই গ্যারেজ গত সোমবার দুপুরে র্যাব–১১ অভিযান চালিয়ে ৪২০ বোতল স্কাফ ( মাদকদ্রব্য) সহ ৩ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে । পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সীমানা ঘেঁষা গ্যারেজ থেকে র্যাব বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে পুলিশের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনার ঝড় বইছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক ঘেঁষে কামতাল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র। পুলিশের রহস্যজনক নিস্ক্রিয় ভুমিকায় কামতাল তদন্ত কেন্দ্রের ধামগড় ও মুছাপুর দুইটি ইউনিয়নের তবলপাড়, মালিবাগ লাঙ্গলবন্দ, যোগীপাড়া, চিড়ইপাড়া, মহজপুর, হালুয়াপাড়া, জাঙ্গাল সহ প্রায় অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে চালিয়ে যাচ্ছে হেরোইন, ইয়াবা, ফেন্সিডিলের পরিবর্তে স্কাফ, গাঁজা ও মদ বিয়ার। পুলিশ এলাকার চিহৃিত মাদক কারবারিদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলেছেন বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা একটি সংঘবদ্ধ মাদক চোরাচালান চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করে। তারা সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার আশপাশের এলাকায় সরবরাহ ও বিক্রি করে আসছিল। মাদকবিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতায় গত সোমবার দুপুরে কামতাল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সীমানা ঘেঁষা চাচা ভাতিজা মার্কেটের একটি গ্যারেজ থেকে ৪২০ বোতল স্কাফ উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। র্যাব–১১’র মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে
গ্রেফতারকৃতরা হলেন—মাগুরা সদর উপজেলার গাং নালিয়া পূর্বপাড়া এলাকার সিরাজ মোল্যা (২৫), যশোরের চৌগাছা উপজেলার বুলিয়া রাজারপাড়া এলাকার মো. মাহাবুবুর রহমান (২০) এবং একই উপজেলার চান্দা আড়া এলাকার মো. রাশেদুল ইসলাম (৩৫)।