ব্যাক্তিত্ব সম্পন্ন, সদালাপি, উদার মনসিকতার, ক্লিন ইমেজের ত্যাগী পরিছন্ন রাজনীতিবিদ হিসেবে সবার আগে জেলাজুড়ে যার নামটা উঠে আসে, তিনি আর কেউ নন তিনি সাবেক ছাত্রদলনেতা ও সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহবায়ক এইচ. এম. রহমত উল্লাহ পলাশ। আর এ কারনেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির দুঃসময়ের বটবৃক্ষ রহমত উল্লাহ পলাশকে সাতক্ষীরা সদর আসনের ধানের শীষের কান্ডারী হিসেবে দেখতে চায় সকল শ্রেনী পেশার মানুষ। জেলাজুড়ে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সর্বাঙ্গনে আলোচনার শীর্ষে আছেন তিনি। তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ সুশীল সমাজ। আগামী জাতীয় নির্বাচনে তাকে ধানের শীষের এমপি হিসেবে দেখতে চায় অবহেলিত এ জনপদের সর্বস্তরের মানুষের। সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহবায়ক এইচ এম রহমত উল্লাহ পলাশ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের গঠিত প্রথম মন্ত্রীসভার বস্ত্রমন্ত্রী ও সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আমৃত্যু সভাপতি এ্যাডভোকেট এম. মুনসুর আলীর একমাত্র পুত্র।
রহমত উল্লাহ পলাশ ছাত্র জীবনে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে সকলের স্নেহ ও ভালোবাসার পাত্র হয়ে ওঠেন ছাত্রজীবন থেকে।
বিএনপি পরিবারের সন্তান রহমত উল্লাহ পলাশের রাজনীতির হাতে খড়ি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল থেকে। ১৯৭৯ সালের পহেলা জানুয়ারী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপি)’র প্রতিষ্ঠাতা জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি। আর সেই যুগান্তকারী কমিটির ৩০ নং সদস্য হিসেবে স্থান পান এইচ এম রহমত উল্লাহ পলাশ। তিনি ১৯৮১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাস বিভাগ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে সাড়া ফেলেন দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে। ১৯৮৪ সালে তিনি কানাডায় অবস্থিত এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০০৩ সালে তার পিতা এম. মুনসুর আলীর মৃত্যুর পর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে হাল ধরেন এক রকমের ভঙ্গুর জেলা বিএনপির, সুসংগঠিত করে গড়ে তোলেন শক্তিশালী জেলা বিএনপি।
২০১৩ সাল, স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ও তার বাহিনীরা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কালো অধ্যায় রচনা করে। দেশজুড়ে চলে বিএনপি-জামায়াত দমনে কিলিং মিশন, হত্যা করা হয় হাজার হাজার নেতাকর্মীদের। সেই মিশনে সারাদেশের মধ্যে অন্যতম টার্গেট পয়েন্ট হিসেবে পরিচিতি পায় সাতক্ষীরা। যেখানে বিএনপি নেতাকর্মীদের দমনে শেখ হাসিনার বিশেষ আস্থাভাজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা দিয়ে দিনে দুপুরে চালানো হয় গুম, খুন, নির্মম নির্যাতন, হামলা, মামলা ও গ্রেফতার। ঠিক সেই সময়ে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে হাল ধরেন অসাধারণ উদার সাংগঠনিক মনোভাবের কর্মীবান্ধব নেতা রহমত উল্লাহ পলাশ। বহুল পরিক্ষিত ত্যগী এই রাজনীতিবীদকে ২০১৭ সালে তাকে পুনরায় জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে মনোনিত করা হয়।
এদিকে ০৫ আগষ্ট পরবর্তী সময়ে এক অদৃশ্য অস্থিরতা ও গ্রুপিংয়ের মধ্য দিয়ে চলা জেলা বিএনপিকে সুসংগঠিত করতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তরুণ প্রজন্মের পথ প্রদর্শক চৌকশ রাজনীতিবীদ আগামীর রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে গঠিত হয় তরুন প্রজন্মের চাওয়া শহীদ জিয়ার আদর্শ লালনকারী এক আহবায়ক কমিটি, যেখানে আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পান এইচ এম রহমত উল্লাহ পলাশ। শহর যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক জি এম আজিজুর রহমান শাওন বলেন, সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী বিএনপিকে সুসংগঠিত করতে রহমতউল্লাহ পলাশের বিকল্প নেই। আগামী নির্বাচনে আমরা যুবসমাজ সদর আসনের ধানের শীষের কান্ডারি হিসাবে তাকে দেখতে চাই।
জেলা ছাত্রদলের সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আগামীর রাষ্ট্্রনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে ও জেলা বিএনপিকে কর্মী বান্ধব করতে পলাশ ভাইকে আমাদের প্রয়োজন। আবহেলিত সাতক্ষীরাকে মেরামত করতে তার মত সৎ পরিচ্ছন্ন নেতাকে আমরা ধানের শীষের এমপি হিসাবে দেখতে চাই।
উল্লেখ্য, ০৫ আগষ্ট ছাত্র-জনতার গনঅভ্যুথানে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর থেকে দেশজুড়ে বিএনপিতে তৈরী হয় এক অদৃশ্য অস্থিরতা ও গ্রুপিংয়ের রাজনীতি। রাজনৈতিক গ্রুপিং ও দ্বন্দের কারনে একের পর এক অপ্রীতিকর ঘটনার সাক্ষী হয় দেশ ও দেশের সাধারণ মানুষ। সেই অপ্রীতিকর ঘটনার তালিকায় শীর্ষ স্থানে নাম লেখায় সাতক্ষীরা। একের পর এক কর্মী সম্মেলনকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয় একই দলের দুটি পক্ষ। তৎকালিন জেলা কমিটির দুই শীর্ষ নেতার গ্রুপিংয়ের শিকার হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরেন তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
একের পর এক উপজেলায় কর্মী সমাবেশকে ঘিরে তৈরী হয় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। যা নজর কারে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তরুণ প্রজন্মের পথ প্রদর্শক চৌকশ রাজনীতিবীদ আগামীর রাষ্টনায়ক তারেক রহমানের। বারংবার সতর্কবার্তা দেওয়া সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির কমিটিকে বিলুপ্ত করে জেলা বাসীকে উপহার দেন এক যুগান্তকারী তারুন্য নির্ভর আহবায়ক কমিটি।