ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন সাতক্ষীরার স্বাস্থ্য সহকারীরা। এর ফলে আসন্ন টিসিভি টিকা ক্যাম্পেইনসহ সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন তারা।
আজ শনিবার (৪ অক্টোবর) সকালে সদর উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সামনে কর্মবিরতিতে অংশ নেন বাংলাদেশ হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশন সদর উপজেলা শাখার সদস্যরা।
এসময় তারা বেতন বৈষম্য নিরসন, নিয়োগবিধি সংশোধন,শিক্ষাগত যোগ্যতায় স্নাতক বিজ্ঞান সংযোজন, ইনসার্ভিস ডিপ্লোমার মাধ্যমে ১১তম গ্রেডে প্রতিস্থাপন,টেকনিক্যাল পদমর্যাদা প্রদান ও পদোন্নতিতে ধারাবাহিকভাবে উচ্চতর গ্রেড প্রদান দাবি উপস্থাপন করেন।
সংগঠনের জেলার সভাপতি মোশারফ হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন সদর উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক আব্দুর শহিদ, স্বাস্থ্য সহকারী শারমিন নাহার, এস এম নুর ইসলাম, স্বাস্থ্য পরিদর্শক আব্দুস শহিদ ও স্বাস্থ্য সহকারী রনজিত কুমার ঘোষ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ন্যায্য দাবির জন্য আন্দোলন করলেও এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি। তাই বাধ্য হয়েই তারা কর্মবিরতিতে গেছেন। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে বলেও ঘোষণা দেন তারা। একইসাথে সরকারের প্রতি দ্রুত ছয় দফা বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
সাতক্ষীরায় একই পরিবারের ৬জন অচেতন, এলাকায় আতঙ্ক
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বড় খামার গ্রামে ভাতের সঙ্গে চেতনানাশক স্প্রে করে মিশিয়ে দেওয়ার ঘটনায় একই পরিবারের দুগ্ধপোষ্য ২ শিশুসহ ৬ জন অচেতন হয়ে পড়েছেন। শুক্রবার (৩ অক্টোবর ২০২৫) দুপুরে এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বড় খামার গ্রামের বাসিন্দা মেহের আলী (৬৫), তার স্ত্রী মোমেনা খাতুন (৫০) ও দুই পুত্র আব্দুর রউফ (৪০) এবং জিয়ারুল (২৬), জান্নাতুল (৪), মিনারা (২০ মাস) দুপুরে খাওয়া দাওয়ার কিছুক্ষণ পর অসুস্থ হয়ে পড়েন।
পরবর্তীতে ছয়জনই অজ্ঞান হয়ে গেলে প্রতিবেশীরা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় গ্রাম্য চিকিৎসক আব্দুল খালেক পরামর্শে বাড়িতেই চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। বর্তমানে তারা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।
প্রতিবেশী নোয়াব আলী বলেন, “খাওয়ার কিছু পরই সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। আমরা গিয়ে দেখি সবাই অচেতন অবস্থায় পড়ে আছে। পরে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।”
কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। কেউ কিছু নিয়ে গেছে কি না সেটাও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামিনুল হক জানিয়েছেন, “এ বিষয়ে এখনো আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। তবে আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।”
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।