পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার লঞ্চঘাট সংলগ্ন সন্ধ্যা নদীর তীরে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রলারঘাটে দীর্ঘদিন ধরেই সিঁড়ি না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।
প্রতিদিন ১নং সয়না রগুনাথপুর ইউনিয়ন, ২নং আমরাজুড়ী ইউনিয়নের এক অংশ, নেছারাবাদ উপজেলার ইন্দেরহাট ও পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালির হাজারও মানুষের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদীর খাড়া পাড় বেয়ে ট্রলারে ওঠানামা করতে হচ্ছে । সরেজমিনে দেখা যায়, ঘাটটিতে কোনো পাকা সিঁড়ি বা নিরাপদ অবকাঠামো না থাকায় যাত্রীদের কাদামাটি ও পিচ্ছিল ঢাল বেয়ে ট্রলারে উঠতে হয়। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য বিষয়টি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সামান্য অসাবধানতায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকলেও কর্তৃপক্ষের কোনো কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়ছে না।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই ঘাট দিয়ে প্রতিদিন হাজার-হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে। তখন নদীর পানি বেড়ে গেলে পাড় আরও পিচ্ছিল হয়ে যায়, ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। ব্যবসায়ী আবুল হোসেন ও কলেজ ছাত্রী সোনালী মন্ডল বলেন, “প্রতিদিন এই ঘাট দিয়ে চলাচল করতে হয়। সিঁড়ি না থাকায় খুব কষ্ট করে উঠানামা করতে হয়, অনেক সময় পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে।”
এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, বিষয়টি একটি স্থায়ী সমাধানের জন্য চেষ্টা চলছে।
এলাকাবাসী ও ইজারাদার মোহাম্মদ আলাউদ্দিনের দাবি, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত ঘাটে পাকা সিঁড়ি দরকার। এ ব্যাপারে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান জানান, যাত্রীদের নিরাপত্তা স্বার্থে বরাদ্দ আসলে স্থায়ী একটা সিঁড়ি নির্মাণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হইবে।