শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ০৮:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মুস্তাফিজুর রহমান কাওছার এর মত মানবিক মানুষ সমাজে প্রয়োজন গোলাম আম্বিয়া কয়েস শিশু ও নারীর নিরাপত্তার দাবিতে ঈশ্বরগঞ্জে মানববন্ধন আনোয়ারায় এনসিপির উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ দুই দশক পর জাতীয় আয়োজনে মুখর ত্রিশাল, আগামীকাল আসছেন তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর এপিএসের তৎপরতায় ভুয়া এপিএস গ্রেফতার দিনাজপুর ৪২ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে ভারতীয় মদ উদ্ধার সিরাজগঞ্জের চান্দাইকোনা পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ঢল ফুলপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আনোয়ারের মৃত্যু দেশসেরা চা-চয়নকারীর স্বীকৃতি পেলেন নেপচুন চা বাগানের শ্রমিক জেসমিন আক্তার চট্টগ্রামে পার্কভিউ হসপিটালে হাম বিষয়ক বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত নিষ্পাপ ফুলগুলো কেন ঝরে ঝরে যায় প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে খাজনামুক্ত হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড় পীরগাছায় মানব কল্যাণ সংঘের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হোমনায় পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় নারীসহ গ্রেপ্তার- ৬ পাইকগাছার আগড়ঘাটা বাজার কমিটির ত্রিবার্ষিক নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসীর মর্মান্তিক মৃত্যু হোসেন স্পেশালাইজড হসপিটালের বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন কর্ণফুলীতে পিকআপের ধাক্কায় কিশোর নিহত রামিসার হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবিতে আমতলীতে মশাল মিছিল পর্যটন খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়াতে বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত আইন নয়, প্রয়োজন নিরাপত্তা সংস্কৃতি কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষা নিশ্চিতের তাগিদ আইইবির অনুষ্ঠানে মুন্সীগঞ্জে যুবকের দুই পায়ের রগ কাটার অভিযোগ মুন্সীগঞ্জে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণ অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার মাদারগঞ্জে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ/২০২৬ শুভ উদ্বোধন পাইকগাছায় গ্রাম পুলিশের বিষপান অতঃপর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা শেরপুরের রামিসা হত্যার প্রতিবাদের মানববন্ধন আনোয়ারায় সিএনজি চালক সাজ্জাদ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি গ্রেপ্তার বকেয়া বেতনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ, তীব্র যানজট ছাত্রদল নেতা সুুজা’র মৃত্যুতে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর শোক সোনারগাঁয়ে চলন্ত পিকআপে অস্ত্রের মুখে টাকা ও তামা ছিনতাই

নিষ্পাপ ফুলগুলো কেন ঝরে ঝরে যায়

রাকিবুল ইসলাম
শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৪:২১ অপরাহ্ন

একজন শিশু পৃথিবীতে আসে একরাশ আলো,স্বপ্ন আর অফুরন্ত সম্ভাবনা নিয়ে। তার নির্মল হাসিতে একটি পরিবার নতুন করে বাঁচার শক্তি খুঁজে পায়, তার ছোট্ট পদচারণায় একটি ঘর পূর্ণতা লাভ করে।

শিশুরা যেন বাগানের সেই কোমল ফুল, যাদের সৌন্দর্যে পৃথিবী আরও মানবিক হয়ে ওঠার কথা। অথচ আজ আমাদের সমাজে সেই নিষ্পাপ ফুলগুলোই একের পর এক ঝরে যাচ্ছে নির্মম নির্যাতন,পাশবিকতা আর হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়ে। প্রতিদিন সংবাদপত্রের পাতা খুললেই ভেসে ওঠে কোনো না কোনো শিশুর আর্তনাদ, কোনো মায়ের বুকফাটা কান্না আর বাবার অসহায় আহাজারি।

মিরপুর, সিলেট, মুন্সীগঞ্জ কিংবা ঠাকুরগাঁও দেশের কোনো জনপদই আজ শৈশবের জন্য নিরাপদ নয়।যে বয়সে একটি শিশুর হাতে থাকার কথা ছিল বই আর রঙ-পেন্সিল,সেই বয়সেই তারা শিকার হচ্ছে অমানুষিক নৃশংসতার।এই ভয়ংকর বাস্তবতা কেবল বিচ্ছিন্ন কিছু অপরাধ নয়; বরং এটি একটি জাতির নৈতিক অবক্ষয়ের করুণ প্রতিচ্ছবি।

সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান আমাদের সামনে এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে।মানবাধিকার সংগঠন
হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস) এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত গত ২০ মাসে দেশে শিশু নির্যাতনের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে।এই সময়ের মধ্যে অন্তত ৬৪৩ জন শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছে।অর্থাৎ,দেশে প্রতি মাসে গড়ে ৩২ জনেরও বেশি শিশু হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছে। প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ১,৮৯০ জন শিশু বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ১,৪০৭ জন শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার, ৫৮০ জন ধর্ষণের শিকার এবং ৩১৮ জন যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। শুধু ২০২৬ সালের প্রথম চার মাসেই ২০৩ জন শিশু প্রাণ হারিয়েছে।

এই সংখ্যাগুলো কেবল প্রাণহীন কোনো পরিসংখ্যান নয়; প্রতিটি সংখ্যার পেছনে লুকিয়ে আছে একটি নিভে যাওয়া জীবন এবং একটি ক্ষতবিশত পরিবারের গল্প।আজকের বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে যাচ্ছে বলে আমরা গর্ব করি। উঁচু দালান কিংবা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গল্প আমাদের আশাবাদী করে তোলে ঠিকই, কিন্তু একটি প্রশ্ন আমাদের বিবেককে প্রতিনিয়ত দংশন করে যে দেশে শিশুরা নিরাপদ নয়,সেই উন্নয়নের প্রকৃত মূল্য কতটুকু?সভ্যতার আসল পরিচয় কেবল অবকাঠামো দিয়ে নির্ধারিত হয় না; বরং নির্ধারিত হয় দুর্বল ও অসহায় মানুষের নিরাপত্তা দিয়ে। একটি রাষ্ট্র তখনই সত্যিকার অর্থে সভ্য হয়, যখন তার নারী ও শিশুরা ভয়হীনভাবে বাঁচতেপারে। কিন্তু আমাদের বাস্তবতা আজ ভিন্ন। রাজধানীর পল্লবীর শিক্ষার্থী রামিসার মতোঅসংখ্য শিশু আজ ঘর কিংবা বাইরে পাশবিকতার শিকার হচ্ছে। পুলিশ যখন অভিযুক্তের ঘর থেকে নিথর দেহ উদ্ধার করে, তখন আমাদের পুরো সমাজব্যবস্থা এক বড় কলঙ্কের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে যায়।

এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মূলে রয়েছে বিচারহীনতার এক দীর্ঘমেয়াদি অপসংস্কৃতি। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে আমরা দেখেছি কীভাবে ক্ষমতার প্রভাব,রাজনৈতিক ছত্রছায়া এবং প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে বহু নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা সময়ের স্রোতে চাপা পড়ে গেছে। অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর কিছুদিন আলোচনা-সমালোচনা হলেও পরবর্তীতে সেই ঘটনাগুলো বিস্মৃতির অন্তরালে হারিয়ে যায়। এই বিচারহীনতা অপরাধীদের মনে এক ভয়ংকর দুঃসাহস জন্ম দিয়েছে যে—”অপরাধ করেও পার পাওয়া সম্ভব”। এই সংস্কৃতি শুধু আইনব্যবস্থাকেই পঙ্গু করেনি, বরং সমাজের নৈতিক ভিত্তিকেও তছনছ করে দিয়েছে।

দুঃখজনকভাবে,অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়েও জনগণ সেই কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের পূর্ণ প্রতিফলন দেখতে পায়নি। প্রশাসনিক শৈথিল্য এবং অপরাধ দমনে কার্যকর পদক্ষেপের অভাব সাধারণ মানুষের উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। নারী ও শিশুদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা এখনও নিয়মিত ঘটে চলেছে, যা প্রমাণ করে যে শুধু সরকার পরিবর্তনই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন বিচার ও জবাবদিহিতার একটি টেকসই সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা। রাষ্ট্র যদি দ্রুত অপরাধীদের দমনে ব্যর্থ হয়, তবে এই পাশবিকতা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে এবং সাধারণ মানুষ আইনের প্রতি পুরোপুরি আস্থা হারাবে।

আমাদের সমাজ এবং পরিবারের ভূমিকাও এখানে অনস্বীকার্য। নৈতিক অবক্ষয় আজ চরম সীমায় পৌঁছেছে। আধুনিক জীবনের ব্যস্ততায় অনেক সময় বাবা-মা সন্তানদের পর্যাপ্ত সময় দিতে পারছেন না। আবার মাদকাসক্তি এবং পর্নোগ্রাফির সহজলভ্যতা আমাদের তরুণ সমাজের একটি বড় অংশকে মানসিকভাবে বিকৃত করে তুলছে। ইন্টারনেটের অপব্যবহার এবং সুস্থ সংস্কৃতির অভাব কিশোর- যুবকদের বিপথে পরিচালিত করছে।

আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাও আজ বড় পরীক্ষার মুখে। জিপিএ-৫ আর বড় ডিগ্রির পেছনে ছুটতে গিয়ে আমরা মানবিকতা আর নৈতিক শিক্ষার জায়গাটি হারিয়ে ফেলেছি। শিক্ষিত হয়েও যদি কেউ মানবিক মূল্যবোধ না শেখে, তবে সেই শিক্ষার সার্থকতা কোথায়?

এই ভয়াবহ সংকট থেকে উত্তরণের পথ আমাদের এখনই খুঁজতে হবে। বর্তমান সরকারের কাছে জাতির সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা হলো নারী ও শিশুদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া। প্রতিটি ঘটনার দ্রুত, নিরপেক্ষ ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালকে আরও শক্তিশালী করে অপরাধীদের এমন
শাস্তি দিতে হবে, যা দেখে অন্য কেউ এ ধরনের জঘন্য অপরাধ করার সাহস না পায়।

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলাও এখন সময়ের
দাবি।পাড়া-মহল্লায় সচেতনতা বাড়ানো এবং অপরাধীদের সামাজিকভাবে বয়কট করার
মানসিকতা তৈরি করতে হবে।

প্রকৃতপক্ষে,আজকের এই ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়ে আমাদের সবচেয়ে বড় আত্মোপলব্ধি হওয়া
উচিত এই যে, কেবল আইনের কঠোরতা কিংবা প্রশাসনিক তৎপরতা দিয়ে একটি নিরাপদ সমাজ নির্মাণ সম্ভব নয়, যদি না আমরা আমাদের সুপ্ত মানবিকতা ও বিবেককে সত্যিকার অর্থে জাগ্রত করতে পারি। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায় শুধু রাষ্ট্র, সরকার কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একার নয়; এটি সমাজের প্রতিটি সচেতন মানুষের নৈতিক, মানবিক এবং পবিত্র দায়িত্ব। কারণ একটি শিশু যখন নির্যাতনের শিকার হয়, তখন শুধু একটি পরিবার নয় সমগ্র সমাজই নৈতিকভাবে ক্ষতবিশত হয়, মানবতার মুখ লজ্জায় নত হয়ে পড়ে।

আজ আমরা যখন কোনো শিশুর কান্না শুনেও নীরব থাকি, কোনো ধর্ষণ বা নির্যাতনের ঘটনার
বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে ভয় পাই কিংবা উদাসীনতার দেয়াল তুলে নিজেদের দায় এড়িয়ে যেতে চাই, তখন আমরা অজান্তেই এক ভয়ংকর অন্ধকারকে প্রশ্রয় দিই। আমাদের মনে রাখতে হবে, অন্যায়ের আগুন কখনো নির্দিষ্ট কোনো সীমারেখা মানে না। আজ যে নিষ্ঠুরতা অন্যের ঘরকে শোকের মাতমে ভাসিয়ে দিচ্ছে, কাল সেই একই অন্ধকার আমাদের নিজেদের আঙিনায় নেমে আসতে পারে। তাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে নীরবতা কোনো নিরপেক্ষতা নয়; বরং তা অপরাধকে আরও শক্তিশালী করে তোলার এক নীরব সহায়তা।

কোনো নিষ্পাপ শিশুর অকালে ঝরে পড়া, কোনো কোমল স্বপ্নের নির্মম অপমৃত্যু কিংবা কোনো মায়ের বুকফাটা আহাজারি আমরা আর স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে মেনে নিতে পারি না। এদেশের প্রতিটি শিশু নিরাপদে হাসতে পারবে, নির্ভয়ে স্কুলে যেতে পারবে, এবং কোনো শিশুকে আর আতঙ্কে কিংবা অপমানের বোঝা বয়ে বেড়াতে হবে না।একটি শিশুর নিরাপদ শৈশবই একটি সভ্য রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় পরিচয়।

তাই আজ সময় এসেছে ইস্পাতকঠিন সামাজিক ঐক্য গড়ে তোলার। আমাদের সম্মিলিত শপথ হোক এই বাংলার মাটিতে আর কোনো শিশুর কান্না বৃথা যাবে না,কোনো নিষ্পাপ ফুল আর নির্মমতার আগুনে পুড়ে ঝরে পড়বে না। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান,ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম এবং রাষ্ট্র
সবাইকে একযোগে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।শিশুদের প্রতি সহমর্মিতা, নৈতিক শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ এবং সামাজিক সচেতনতার নতুন এক জাগরণ সৃষ্টি করতে হবে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মনএকটি নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ পায়।

আমাদের লক্ষ্য হতে হবে এমন এক সমাজ নির্মাণ করা, যেখানে প্রতিটি শিশুর শৈশব হবে ভয়হীন, নির্মল আনন্দে ভরা এবং স্বপ্নময়। প্রতিটি শিশুর হাসিমুখের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে একটি জাতির ভবিষ্যৎ, একটি দেশের সম্ভাবনা এবং মানবতার শ্রেষ্ঠ সৌন্দর্য।

আমরা ভুলে যেতে পারি না আজকের এই শিশুরাই আগামী দিনের পথপ্রদর্শক, জাতির শ্রেষ্ঠ সম্পদ এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের নির্মাতা। তাই তাদের বর্তমানকে নিরাপদ রাখা,তাদের স্বপ্নকে রক্ষা করা এবং তাদের একটি ভীতিহীন শৈশব উপহার দেওয়াই আজ আমাদের সময়ের সবচেয়ে বড় দেশপ্রেম,সবচেয়ে বড় মানবিক দায়িত্ব এবং সবচেয়ে কঠিন নৈতিক পরীক্ষা। এই পবিত্র দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারলেই আমরা আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য, ন্যায়ভিত্তিক এবং সত্যিকার অর্থে মানবিক বাংলাদেশ রেখে যেতে সক্ষম হব।


এই বিভাগের আরো খবর