ডেস্ক রিপোর্ট : ই-কমার্স বাণিজ্য পরিচালনায় স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের পাশাপাশি এর প্রসার ঘটিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ রেখে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা জারি করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে ডিজিটাল ব্যবসায় শৃঙ্খলা আনার পাশাপাশি ভোক্তার আস্থা বৃদ্ধি ও অধিকার নিশ্চিতের কথাও নির্দেশিকায় বলা হয়েছে ।
সেখানে আরও বলা হয়েছে, সব ধরনের ডিজিটাল ওয়ালেট, গিফট কার্ড, ক্যাশ ভাউচার বা অন্য কোনো মাধ্যম যা অর্থের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে তা বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদ্যমান নীতিমালা অনুসরণ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ব্যতিরেকে তৈরি, ব্যবহার বা ক্রয় বিক্রয় করা যাবে না।
সরকারের জাতীয় ডিজিটাল কমার্স পলিসি-২০২০ এর বিধানমতে এ নির্দেশিকা প্রণয়ন করা হয়েছে উল্লেখ করে নির্দেশিকায় বলা হয়, ডিজিটাল কেনাবেচার ক্ষেত্রে ক্রেতা-বিক্রেতার স্বার্থ সংরক্ষণের মাধ্যমে জাতীয় কমার্স নীতিমালা (সংশোধিত) ২০২০ এর সফল বাস্তবায়নের জন্য অনুকূল পরিবেশ গড়ে তোলাই এর লক্ষ্য।
নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ডিজিটাল কমার্স বা ই-কমার্সের মাধ্যমে মাল্টি লেভেল মার্কেটিং বা নেটওয়ার্ক ব্যবসা পরিচালনা করা যাবে না। ডিজিটাল মাধ্যমে নেশা সামগ্রী, বিস্ফোরক দ্রব্য বা অন্য কোনো নিষিদ্ধ সামগ্রী বা সেবা কেনাবেচা যাবে না। জুয়া বা অনলাইন ব্যাটিং বা অনলাইন গ্যাম্বলিং করা যাবে না। ডিজিটাল মাধ্যমে ওষুধ এবং চিকিৎসা সামগ্রী কেনাবেচার ক্ষেত্রে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর থেকে লাইসেন্স নিতে হবে। একইভাবে কোনো দাহ্য পদার্থ কেনাবেচার ক্ষেত্রেও বিস্ফোরক অধিদফতরের লাইসেন্স নিতে হবে।