গাইবান্ধা সাদুল্লাপুর উপজেলায় জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে দাখিল পরীক্ষা। অতিরিক্ত গরমে অসুস্থ হচ্ছে পরীক্ষার্থীসহ অনেকে।
সরেজমিনে বুধবার দেখা যায় উপজেলার সাদুল্লাপুর ২ ছাইগাড়ী গোবিন্দপুর দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসার পরীক্ষা কেন্দ্রের এমন চিত্র।
সূত্র মতে, উপজেলার ছাইগাড়ী গোবিন্দপুর দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসাটি ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এবং ২০০৮ সাল থেকে পাবলিক পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে অনুমোদন পায়, তখন থেকেই নিয়মিত ভাবে দাখিল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এবছর বাংলাদেশ মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে ৩৬০ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করছে। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে ভবন নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলে মাদ্রাসার উত্তর দিকের চার কক্ষ বিশিষ্ট সেমি পাকা ঘরটিও ভেঙে ফেলা হয়,কিন্তু নতুন ভবনের কাজ যথাসময়ে শুরু না-করার কারণে জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে নিতে হচ্ছে পরীক্ষা। যেকারণে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষকসহ শিক্ষার্থীদের।
তরফ মহদী দাখিল মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার্থী জাহানুর আক্তার জিম বলেন ১ মাসের বাচ্চা বাহিরে রেখে অতি কষ্টে পরীক্ষা দিচ্ছি গরমে বাচ্চা এবং আমি দুজনেই অসুস্থ হয়ে পরেছি জানিনা বাকি পরীক্ষা গুলো দিতে পারবো কিনা।
বকশি গঞ্জ দিমুখী দাখিল মাদ্রাসার সাজেদা আক্তার বলেন গণিত পরীক্ষায় একটি মাত্র অংকের সমাধান করতেই গরমে অসুস্থ হয়ে পরি আর পরীক্ষা দিতে পারিনাই অফিস কক্ষে এসে ডাক্তার দেখিয়ে বারিতে আসতে হয়েছে।
পরীক্ষা কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক সালাম,হামিদ, মতিয়ার বলেন,এই প্রখর রৌদ্রে বিদ্যুৎ বিহিন ছাপড়া ঘরে ৩ ঘন্টা দায়িত্ব পালন করা অত্যন্ত কষ্টকর।কতৃপক্ষের বিষয়টি নজরে এনে কেন্দ্র পরিবর্তন বা সংস্কার করা জরুরি প্রয়োজন।
কেন্দ্র সচিব মাওলানা রফিকুল ইসলাম বলেন, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে ভবন নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। কিন্তু নির্মাণ সামগ্রীর দাম বেরে যাওয়ার কারণে ঠিকাদার এখনো কাজ শুরু করেনি। যে কারণে টিন শেড ঘরে পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে।ভবন নির্মাণ হলে সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।