নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির ১৭ নং ওয়ার্ডে দলের জন্য ত্যাগ- আনুগত্য , নিষ্ঠা আর কর্মীবান্ধব নেতৃত্বের প্রতীক হয়ে উঠেছেন সহ-সভাপতি মো.শহিদ হোসেন।
ইতিমধ্যে সচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক হিসেবে সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছেন তিনি।দলের দুঃসময়ে যিনি কখনো পিছু হটেননি, বরং নেতাকর্মীদের ছায়া হয়ে পাশে থেকেছেন গত ১৭ বছর ধরে।
বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের শাসন আমলে যখন রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ছিল তীব্র, তখনও শহিদ হোসেন মাঠ ছেড়ে যাননি।শাসক দলের চরম নির্যাতন সহ্য করে আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি তৃণমূলের কর্মীদের পাশে ছিলেন। তার এই অবিচল অবস্থান ও আনুগত্য তাকে করে তুলেছে স্থানীয় বিএনপির নিবেদিত প্রাণ।
শহিদ হোসেন বলেন,৩ যুগের বেশি সময় ধরে শহীদ জিয়াউর রহমান ও প্রয়াত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শের রাজনীতি করে আসছেন। দলের জন্য এবং নেতাকর্মীদের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। জীবনের বাকি সময়টুকু নেতা-কর্মীদের পাশে থেকে তাদের মনোবল ধরে রাখা, নতুন করে উৎসাহিত করাই এখন তার একমাত্র লক্ষ্য উল্লেখ করে শহিদ হোসেন জানান,২০২৪ সালের ২২ জুন রাজনৈতিক মামিলায় নিজ কর্মস্থল কাশিপুর আলসাবা এলাকায় প্রিন্টিং কারখানা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।শুধুমাত্র জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতি করার কারণে অমানবিক নির্যাতন করে থানা পুলিশ।পরবর্তীতে ৭ জুলাই তারিখে জামিনে মুক্তি পেয়ে পুনরায় আন্দোলনে যুক্ত হন তিনি।একই বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারী মা মারা যায়।কিন্তু ষড়যন্ত্র মূলক রাজনৈতিক মামলায় আসামি হয়ে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস আত্মগোপনে থাকায় মায়ের জানাযায় অংশ নিতে পারেননি।রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ একটা সময় ঘর-সংসার ত্যাগ করে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে কেটে গেছে বলে জানান সর্বমহলে গ্রহনযোগ্য শহিদ হোসেন।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, শহিদ হোসেনের সবচেয়ে বড় গুণ হলো,এলাকার মাটি ও সর্বস্তরের মানুষের সাথে সুসম্পর্ক ও সৌহার্দপূর্ণ আচরণ। একইসাথে স্থানীয় সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখা। তিনি শুধু নেতা নন, একজন অভিভাবক। তার এই নিবেদনই ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক শক্তিকে ধরে রেখেছে।
বিশ্লেষকদের মতে,রাজনীতিতে যেখানে স্বার্থের হিসাব চলে সেখানে মো. শহীদ হোসেনের মতো নেতারা এখনো প্রমাণ করেছেন—আদর্শ আর কর্মীদের প্রতি ভালোবাসাই একজন রাজনীতিকের আসল পরিচয়।