ফরিদপুরের সালথায় পুরোদমে শুরু হয়েছে হালি পেঁয়াজ রোপনের কাজ। সারাদিন ব্যস্ত সময় পার করছেন পেঁয়াজ চাষিরা। পুরো ডিসেম্বর মাস জুড়ে চলবে হালি পেঁয়াজ রোপন। এবছর সাড়ে ১২ হাজার হেক্টর জমিতে লালতীর কিং, সুলতান, সম্রাট, রানী-১, রঙ্গিলা-৭, সুখ সাগর ও এস ক্রোস-৮০ জাতের পেঁয়াজের আবাদ হবে। উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, সালথা উপজেলায় মোট ১৪ হাজার ৯৫০ হেক্টর ফসলী জমি রযেছে। তারমধ্যে পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা আছে ১২ হাজার ৩০০ হেক্টর। তা অতিক্রম করে সাড়ে ১২ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদ হতে পারে।
উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের পেঁয়াজ চাষী দবির মোল্যা ও এসকেন শেখ বলেন, প্রতিবছরের মতো এবছরও আমরা বিভিন্ন জাতের পেঁয়াজের হালি লাগানো শুরু করেছি। সার-কীটনাশক ও শ্রমিকের দাম বেশি হওয়ায় আবাদ খরচ গত বছরের চেয়ে বেশি হবে। সেই তুলনায় পেঁয়াজের সিজনে দাম ভালো না পেলে লোকসান গুনতে হবে।
উপজেলার কয়েকজন চাষি জানান, গতবার সিজনে পেঁয়াজের দাম কম ছিলো। বছরের শেষে দিকে দাম বাড়লেও ক্ষুদ্র ও মধ্যেবিত্ত চাষিরা এই দাম পায়নি। আর এবছর তো পেঁয়াজ চাষে খরচ আরো বেশি হবে। সব কিছুর দাম বাড়তি।
সালথা উপজেলা কৃষি অফিসার সুদর্শন সিকদার বলেন, সালথা উপজেলা পেঁয়াজের জন্য বিখ্যাত। এই উপজেলায় এবছর পেঁয়াজ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১২হাজার ৩০০ হেক্টর। ধারনা করা হচ্ছে লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করবে। বর্তমানে চলছে পেঁয়াজের হালি রোপনের কাজ। আমরা প্রতিনিয়ত চাষিদের সব ধরণের পরামর্শ দিয়ে আসছি।