ভাঙা সেতুতে দুর্ভোগে

সারাবাংলা

মাহবুব হোসেন, ভূরুঙ্গামারী থেকে :
রাস্তার মাঝখানে সেতুটি ভেঙে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত সেতু, ভারী যানবাহন চলাচল নিষেধ লিখে লাল ফিতা টাঙ্গিয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এমন অবস্থা বিরাজ করছে দীর্ঘদিন থেকে। সেতুটি কবে ঠিক হবে তা বলতে পারছে না কেউ। এমনটি দেখাগেছে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের ভূরুঙ্গামারী বাগভান্ডার সড়কের পূর্ব বাগভান্ডার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সেতুটির এক অংশ ভেঙ্গে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এতে করে এই ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে চলাচলরত যান ও জনচলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ফলে চরম দূর্ভোগে পড়েছে এলাকাবাসী।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানাগেছে, উপজেলা সদরের সঙ্গে সংযোগ এ সড়ক ব্যবহার করেন বাগভান্ডার বিজিবি ক্যাম্প, ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের বাগভান্ডার, খামার পত্র নবীশ, মানিককাজির কিছু অংশ, ভোটহাট গ্রাম ও ১নং পাথরডুবী ইউনিয়নের ৪টি গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার মানুষ। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কয়েকশ শিক্ষার্থী প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে।
সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছে সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এই সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকলেও জনপ্রতিনিধিদের কোন মাথাব্যাথা নেই। ফলে এই ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি দিয়ে চলাচলরত শিক্ষার্থী সহ জনসাধারণ যেকোনো মুহুর্তে দুর্ঘটনায় সম্মুখিন হতে পারেন।
বিশেষ করে ১ নং পাথরডুবী ইউনিয়নের লোকজন বর্তমানে উপজেলা সদরে আসতে বাড়তি প্রায় ১০ কিলোমিটার পথ ঘুরে (অতিক্রম) করতে হচ্ছে। এতে সময় এবং অর্থ দু’টোই অপচয় হচ্ছে। আবার কেউ কেউ ঝুঁকি নিয়ে সাইকেল, রিক্সা, ঠেলাগাড়ি ইত্যাদি হালকা যানবাহনে মালমাল পাড় করছে। রাস্তার সঙ্গে সেতুটির দক্ষিণাংশের কোনও সংযোগ না থাকায় যেকোনও মুহুর্তে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাছাড়া ভারী যানবাহন ঢুকতে না পারায় কর্মজীবী মানুষ এবং এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়েছে। এলাকাবাসী সেতুটি দ্রুত মেরামতে সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষের কাছে জোড় দাবি জানিয়েছেন। এই ব্যাপারে ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান জানান, আমি গত ১৫ ডিসেম্বর প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহন করেছি। ঝুঁকিপূর্ণ এই সেতুটি পুনারায় নির্মাণের জন্য কর্তৃপক্ষকে খুব দ্রূত জানাবো। উপজেলা প্রকৌশলী এন্তাজুর রহমান জানান, ইতিমধ্যে সেতুটির স্টিমেট তৈরি করে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবরে পাঠানো হয়েছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই এর বাস্তবায়ন হবে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *