২০২৫ -২০২৬ অর্থবছরের জন্য ভৈরব পৌরসভার ১ শ ১২ কোটি ১৪ লাখ ৭৯ হাজার ৫২৯ টাকা বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। প্রস্তাবিত ১ শ ১২ কোটি ১৪ লাখ ৭৯ হাজার ৫২৯ টাকা উদ্বৃত দেখানো হয়েছে। বাজেটে শিক্ষা, স্বাস্থ্য পানি সরবরাহ, শহর অবকাঠামো উন্নয়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা পরিস্কার – পরিচ্ছন্নতা এবং অর্থ সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
বাজেট ঘোষণা উপলক্ষে, আজ মঙ্গলবার ভৈরব পৌরসভার সেমিনার কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন, ভৈরব পৌরসভা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শবনম শারমিন। পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফারুক এর সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে অন্যন্যদের মাঝে নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফ সারোয়ার বাতেন, ভৈরব থানার পরিদর্শক তালেব হোসেন, সহকারী লাইসেন্স পরিদর্শক তুহিনুর রহমান মোল্লা,লাইসেন্স পরিদর্শক আক্তারুজ্জামান, বাজার পরিদর্শক মোঃ নবী হোসেন প্রমূখসহ পৌরসভার কর্মকর্তা -কর্মচারী এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন। প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব খাতের আয় ধরা হয়েছে
৩৬ কোটি ৬১ লাখ ৭৪ হাজার ২১২ টাকা, উন্নয়ন বাজেট প্রাপ্তি ধরা হয় ৭৫ কোটি ৫৩ লাখ ৫ হাজার ৩১৭ টাকা। রাজস্ব ব্যয় ধরা হয় ২৫ কোটি ৮৮ লাখ ৯১ হাজার ২১০ টাকা, উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয় ৭৫ কোটি ২২ লাখ ২০ হাজার টাকা, উদ্বৃত ধরা হয় ১১ কোটি ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৩১৯ টাকা।
তার মধ্যে পৌর কর আদায় ধরা হয় ৬ কোটি ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৪৫০ টাকা ও স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর কর আদায় ধরা হয় ৭ কোটি টাকা। অন্যান্য আয় ধরা হয় পেশা ও ব্যবসা বানিজ্য কর, পৌর মার্কেট ভাড়া, বিভিন্ন ইজারা, পৌর পার্ক, ভূমি অধিগ্রহন ক্ষতিপূরণ পাওয়া ইত্যাদি। ব্যয় ধরা হয় ভূমি অধিগ্রহন ( ডাম্পিং স্টেশন) ৬ কোটি টাকা, সাধারণ সংস্থাপন ( ১১ টি উপখাত) ৯ কোটি ৬৮ লাখ ৫০ হাজার, অবকাঠামো নির্মাণ ৭৪ কোটি ২ লাখ ২০ হাজার, পানির লাইন ১ কোটি, পরিচ্ছন্নতা কর্মী মুজুরি ১ কোটি ২০ লাখ টাকা। এছাড়াও বিজ্ঞাপন, পৌর সম্পত্তি খাজনা, হাট সরকারী কোষাগারে জমা, ছাপা খরচ, সামাজিক ধর্মীয় ও হতদরিদ্র বিয়ে ও খেলাধূলা অনুদান, স্যানিটেশন, মশক নিধন, বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা, শিক্ষা, জনসচেতনতা মূলক কাজে একাধিক ব্যয় ধরা হয়েছে উক্ত বাজেটে।