খেজুরের রস রূপকথার গল্প কিংবা পরিণত চলছে। শীত মানেই খেজুরের রস, হরেক রকম পিঠার সমাহার।
কিন্তু বিভি-ন্ন প্রেক্ষাপটে ব্যাপক হারে খেজুর গাছ কেটে ফেলার দরুণ বর্তমানে আগের মতো খেজুর গাছের পরিলক্ষিত হয় না। কিশোরগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি হাট-বাজারে এক সময় খেজুরের রসের সমাহার ছিল। ভোর হলেই গাছিরা রস নিয়ে উপজেলার বাজারগুলোতে বেচার জন্য বসতেন, কিন্তু এখন তাআর চোখে পড়ে না। শিশির ভেজা ভোরে খেজুর গাছের নিচে দাঁড়িয়ে এখন আর কাউকে রস পান করতে দেখা যায় না। মাত্র এক যুগের মাথায় খেজুর রসের স্বাদ ভুলতে বসছে মানুষ। ক্রমেই খেজুর গাছের সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণে গাছির দেখাই মিলছে না। ক্রমান্বয়ে এখন খেজুরের রস বিলুপ্ত হওয়ার পথে।
শীতের সকালে কিশোরগঞ্জ শহরের রায়হানুর রহমান নামে একজন বললেন, ভাই অনেকদিন পর আপনার কাছেই শুনলাম খেজুরের রসের কথা। খাওয়াতো পরের কথা খেজুরের গাছইতো দেখতে পাই না। সেই কবে যে খেয়েছিলাম! আমিন ফকির বলেন, ফরিদপুর বেড়াতে গিয়েছিলাম কিছুদিন আগে ওইখানে খেয়েছিলাম। কিশোরগঞ্জে খেজুরের রস এখনও চোখে পড়েনি। খোঁজ নিয়েও কোথাও পাইনি।
মোঃ ইয়াছিন বলেন, এই শীতে একবার খেজুরের রস খেয়েছি। আমার ভাতিজি জামাই আকবর তার বাসায় একটা খেজুর গাছ রোপন করেছিল। সে নিজেই রসের জন্য ভাঁড় পেতেছিল।মফিজ উদ্দিন বলেন, ডিসেম্বর মাস জানুয়ারি মাসলো খেজুরের রসের দেখা পাইলাম না। তিনি খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করে মহল্লায় অনেক বাড়িতেই রস দিত। ৬-৭ বছর আগে ওশীতের সকালে বের হয়ে গাছিরা গাছে উঠত।