ঢাকা প্রতিদিন ডেস্ক : আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপে ঘষা দিতেই বেরিয়ে এলো দৈত্য। দৈত্যকে দেখেই মাসুদ বলল, ‘আমাকে ১০০ কোটি টাকা দাও।’
‘অসম্ভব! এত টাকা এখন দেওয়া সম্ভব না। বিশ্বের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো না। রাশিয়া এবং ইউক্রেনে যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে। তারচেয়ে অন্য কিছু চাও।’ বলল দৈত্য।
‘ঠিক আছে, তাহলে প্রেম করার জন্য আমাকে একটা সিঙ্গেল মেয়ে খুঁজে দাও।’ এবার নতুন প্রস্তাব দিল মাসুদ।
দৈত্য বিরক্ত হয়ে বলল, ‘তুমি দেখছি ঠাট্টা-ইয়ার্কিও বুঝো না। তা টাকাটা ক্যাশে নেবে না চেকে নেবে?’
*
১ম বন্ধু : কী হয়েছে, তোর মন খারাপ কেন বল তো?
২য় বন্ধু : কী আর বলব! আজ খুব অপমানিত হলাম। যাকে বলে চূড়ান্ত অপমান!
১ম বন্ধু : মানে! কীভাবে চূড়ান্ত অপমান হলি?
২য় বন্ধু : আর বলিস না। আজ অফিসে যাওয়ার সময় বাসের অপেক্ষায় বাস স্টপেজে দাঁড়িয়েছিলাম আমরা ৩০ জন। হঠাৎ একটা ভিক্ষুক এলো। সবার কাছ থেকে ৫ টাকা করে ভিক্ষা নিল। তারপর ১৫০ টাকায় একটা অটো ভাড়া করে অটোয় চড়ে চলে গেল!
*
১ম বন্ধু : কী রে, তোর চেহারার এমন দুরবস্থা হলো কী করে?
২য় বন্ধু : আর বলিস না, কাল রাতে ভাত খেতে বসে মাকে বলেছিলাম, আর দু’পেগ ডাল দাও তো! ব্যস, শুনেই মা এমন মার দিলেন যে চেহারাই বদলে গেছে!
ঢাকা প্রতিদিন/এআর