কিশোরগঞ্জে বাজারে দেখা মিলছে আগাম জাতের তরমুজের। গরমে তৃষ্ণা নিবারণে ও প্রশান্তি দিতে তরমুজ ফলটি বেশ চাহিদা রয়েছে ক্রেতাদের কাছে।
পটুয়াখালী হালুয়াঘাট অঞ্চল থেকে বাজারে আগাম জাতের তরমুজ আসছে। ফল ব্যবসায়ীরা জানান গরমকালের তরমুজ এখনো বাজারে আসেনি। গরমকালের তরমুজ মিলবে আরও দেড়/দুই মাস পর। বাজারে যে গুলো পাওয়া যাচ্ছে সেগুলো আগাম জাতের তরমুজ। বাজারে আগাম তরমুজ উঠেছে মোকামে সঙ্গে সামাঞ্জস্য রেখে অল্প লাভে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে এখন যে দামে বিক্রি হচ্ছে গ্রীষ্মকালে এলে এর দাম আরও কমবে।
জানা যায়, বাজারে যেসব আগাম জাতের তরমুজ পাওয়া যাচ্ছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- বিগ ফেমেলি ও রোয়েল ফেমেলি, বালি, ব্লাক সুইট, কালা, কালো ব্লাকবেবি, ব্লাক লায়ন, আনারকলি, অলক্লিন, চায়না-২, এশিয়ান-২ স্টেশান রোডের খুচরা তরমুজ বিক্রেতা রুহুল আমিন জানান, আগাম জাতের এসব তরমুজ কোনোটাই কিশোরগঞ্জে চাষ হয়নি। এগুলো হালুয়াঘাট, পটুয়াখালী, ভোলা ও নোয়াখালীর চর অঞ্চলের বেশ কিছু এলাকা থেকে আনা হয়েছে। বাজারে এগুলোর চাহিদা অনেক। প্রতি পিস তরমুজ ১০০-৫০০ টাকায় বিক্রি করছেন। ভ্যানে ভ্রাম্যমাণ তরমুজ বিক্রেতা আব্দুল করিম বলেন, প্রতি পিচ তরমুজ ১০০-৫০০ টাকা করে বিক্রি করেছি। দাম এখন একটু বেশি হলেও সিজনের তরমুজ বাজারে আসলে কমে যাবে। কামেল নামের এক ক্রেতা বলেন, বাজারে প্রথম তরমুজ উঠেছে যা দেখে ভালো লেগেছে। ভালো-মন্দ কি হবে জানি না। তবু কিনলাম। যদিও দাম একটু বেশি।