খুলনার পাইকগাছায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৫ টি কেন্দ্রে অস্বাভাবিক ভোট বৃদ্ধির প্রতিবাদ ও ওই কেন্দ্র গুলোতে পুনঃরায় ভোট গ্রহনের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে পরাজিত প্রার্থী।
সোমবার দুপুরে তার নিজস্ব কার্যালয়ে প্রার্থী শেখ কামরুল হাসান টিপু লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তিনি ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ৯৭ টি কেন্দ্রের মধ্যে প্রতিপক্ষ প্রার্থী আনন্দ মোহন বিশ্বাসের নিজস্ব ৫টি কেন্দ্রে অস্বাভাবিক ভোট পড়েছে। ১টি পৌরসভা ও ১০ টি ইউনিয়ের মধ্যে ৮ টিতে জিতেছেন। বাকী ৩ টিতে অস্বাভাবিক ভোট কারচুপি করে জয় ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।
যাতে সহযোগিতা করেছে নির্বাচনের কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা কর্মব্যক্তিরা। যেসব কেন্দ্রের অভিযোগ আনা হয়েছে সেগুলো হলো কপিলমুনি ইউনিয়নের কাসিমনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাসিম নগর কে আর আর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রেজাকপুর কাশিমনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, রেজাকপুর হাওলী প্রতাপকাটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,(পুরাতন ভবন), হাওলী প্রতাপকাটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় (নতুন ভবন), কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির ( কলেজ ভবন)।
মটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী শেখ কামরুল হাসান টিপুর এজেন্টদের কাছে রেজাল্ট শীট দেয়া হয়নি এবং ভোটে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ আনা হয়।
এ ব্যাপারে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিতে গেলে সেটাও তিনি নেননি বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহেরা নাজনীন বলেন, আমার দপ্তর থেকে অভিযোগের রিসিভ কপি দেয়া হয়েছে। অভিযোগ টা সঠিক নয়। ভোট কারচুপির বিষয়টি আমার জানা নেই। রিটার্নিং অফিসার স্যার বা সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে যারা দায়িত্বে ছিলেন তারাই ভাল বলতে পারবেন। তবে ভোট অবাধ, সুষ্ঠু, ও নিরপেক্ষ হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, পাইকগাছা নাগরিক কমিটির সভাপতি মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর, খুলনা ডে-নাইট কলেজের অধ্যক্ষ সাখেরা বানু, পাইকগাছা সরকারি বালিকা বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকা (অবঃ) সুরাইয়া আক্তার বানু ডলি, সাবেক যুবলীগনেতা অহিদুজ্জামান মোড়ল ও আব্দুল খালেক।