খুলনার পাইকগাছায় ঘুর্ণিঝড় রেমালের তান্ডবে কপোতাক্ষ নদের ভাঙ্গনে রাড়ুলি ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত। এর ফলে লবণ পানি ঢুকে ৪৫ বিঘা সাধু পানির ঘেরের কার্প জাতীয় মাছ মরে নিঃস্ব হয়ে গেছে মৎস্য চাষী আফছার গোলদার।
আফছার গোলদার জানান, ঘুর্নিঝড়ের কারনে ঘেরে লবণ পানি উঠায় আমার ৪৫বিঘা সাধু পানির মাছ মরে প্রায় ৪০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জানা গেছে, তিনি সাধু পানিতে দীর্ঘ ২৪ বছর ধরে এ জাতীয় মাছ চাষ করে আসছেন। চলতি বছর ২২ লাখ টাকার মাছ মজুদ করে আগামী ভাদ্র – আশ্বিন মাসে তা বিভিন্ন ঘেরে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করছেন। কিন্তু ঘুর্নিঝড় রেমালের তান্ডবের কারণে সেটা আর হয়ে উঠলো না। চলতি বছর তিনি ঘেরের পরিধিসহ বিনিয়োগ বাড়িয়েছেন। আর উক্ত ঘেরে যেসব মাছ চাষ করছেন তার মধ্যে রয়েছে রুই,কাতল, মৃগেল, সিলভার কার্প, জাপানী পুটি, টেবলেট, গ্রাস কার্পসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। ঘেরটি উপজেলার রাড়ুলী গ্রামে অবস্থিত।
জানা যায়, গত ২০২৩ সালে তিনি ৪২ লক্ষাধিক টাকার মাছ বিক্রি করেন। কিন্তু গত সোমবারের ঘুর্নিঝড় রেমালের আঘাতে তার এ বছরের স্বপ্ন ভেঙ্গে তছনছ হয়ে গেছে। এখন ঘেরের সবকিছুই লন্ডভন্ড। কপোতাক্ষ নদের রাড়ুলি জেলে পল্লীর নিকটে ভেঙ্গে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়। যার শিকার হয় আফছার গোলদারের মৎস্য ঘের।
এ ব্যাপারে আফছার গোলদারের ছেলে আসিফ বলেন, আমি ঘেরটি দেখা শুনা করি। কিন্ত মাছ মরে যাওয়ায় আমরা চরম ক্ষতিগ্রস্ত ও বর্তমানে নিঃস্ব হয়ে গেছি।