ময়মনসিংহ অফিস:
মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর চেতনাকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে ধারণ ও লালন করার লক্ষ্য নিয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন স্থাপন করেছে ৩০ ফুট উচ্চতাসম্পন্ন বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ ম্যুরালসহ জয়বাংলা চত্বর। দুপুরে দৃষ্টিনন্দন জয়বাংলা চত্বর পরিদর্শন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফ আহমেদ এমপি। এসময় সঙ্গে ছিলেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের (মসিক) মেয়র ইকরামুল হক টিটু, মসিক সচিব রাজীব কুমার সরকার, গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুজ্জামান চুন্নুসহ মসিক অন্যান্য কর্মকর্তারা। এদিকে জয়বাংলা চত্বর দেখতে প্রতিদিন মানুষ ভিড় করছে।
নগরীর পাটগুদাম ব্রীজ সংলগ্ন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে মনোরম দৃষ্টিনন্দন জয়বাংলা চত্বরটি ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের ৪৯তম বার্ষিকীর দিনে স্থাপনাটি ফিতা কেটে, বেলুন উড়িয়ে উদ্বোধন করা হয়।
ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের তত্ত্ববাবধানে নগরীর পাটগুদাম সেতু সংলগ্ন ব্রহ্মপুত্র নদের তীর ঘেঁষে নির্মিত হয়েছে জয় বাংলা চত্বর। চত্বরে ৩০ ফুট উচ্চতার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন, ছয় দফা, ৭ মার্চের ভাষণ, মুক্তিযুদ্ধ, পাক হানাদারদের আত্মসমর্পণ, মুক্তিযুদ্ধের বিজয়গাঁথা নান্দনিকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে জয় বাংলা চত্বরে। এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস জানতে পারবেন মানুষ।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩০ ফুট উচ্চতার প্রতিকৃতি নির্মাণের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অঙ্কিত হয়েছে এখানে। মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মত্যাগ নান্দানিকভাবে এই চত্বরে তুলে ধরা হয়েছে। এই চত্বরটি নির্মাণ করতে পেরে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন গর্বিত। এই চত্বরটি সুন্দর ও এর মর্যাদা রক্ষায় নগরবাসীর সহায়তা চেয়েছেন সিটি মেয়র।
২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেস্বর জয় বাংলা চত্বর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। বাস্তবায়ন করতে ১৪ মাস সময় লেগেছে। ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪১ লাখ টাকা। ১৯৫২ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত জাতির পিতার চুম্বক অংশ তুলে ধরা হয়েছে। এটিকে দৃষ্টিনন্দন করার পাশাপাশি জাতির আন্দোলনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলীসহ বঙ্গবন্ধুর কয়েকটি শ্রেষ্ঠ উক্তি তুলে ধরা হয়েছে বলে মেয়র টিটু জানান ।