রাজশাহী দুর্গাপুরের মিষ্টি পান এক সময় দেশে-বিদেশে ব্যাপক চাহিদা থাকলেও হঠাৎ করে পানের দামে ধস নেমেছে। বিপাকে পড়েছেন দুর্গাপুর উপজেলার পানচাষীরা।
পান চাষীদের অভিযোগ সপ্তাহ কয়েকদিন আগে এক পোয়া মোটা পান ৫ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা দরে বিক্রি করেছি, সেই পান এখন বিক্রি করতে হচ্ছে ২ হাজার থেকে ২৫ শত টাকা করে। ১ হাজার টাকার পান বিক্রি করতে হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা দরে। হঠাৎ এভাবে পানের বাজারে দামের ধস নামার কারনে বিপাকে পড়ে গেছে পান চাষীরা।
ঝালুকা গ্রামের পানচাষী রোস্তম বলেন, যে হারে পানের বাজার কমতে শুরু করেছে যদি এমন বাজার চলতে থাকে তাহলে ব্যাপক অর্থনীতিক ক্ষতির মুখে পড়বেন দুর্গাপর অঞ্চলের পান চাষীরা।
দেবীপুর গ্রামের পানচাষী ওয়াজনবী বলেন, পানের দাম কমলেও কমছে না পান বরজের খাদ্যের দাম এবং লেবার খরচ, কীটনাশক ও বরজের সাজ-সঞ্জার দাম। পানের প্রধান খাদ্য খৈল, যে খৈল ৭০ কেজির বস্তা আমরা কিনতাম ১৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা করে। সেই বস্তার দাম বেড়ে হয়েছে ৩৩০০ থেকে ৩৫০০ টাকা। বেড়েছে সারের দাম। যদি এভাবে পানের দাম কমে আর পান চাষে খরচ বেড়ে যায় তাহলে পান চাষীরা মুখ ফিরিয়ে নেবে।
দুর্গাপুর উপজেলার বড় পানের আড়ৎ হলো ১ নং নওপাড়া ইউনিয়নের আলীপুর বাজার। সেই বাজারের সততা পান আড়তের পান বিক্রেতা জাহাঙ্গীর এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,
যে পান আমরা কয়েকদিন আগে বিক্রি করেছিলাম ৪ হাজার টাকা পোয়া। এখন ওই পান বিক্রি হচ্ছে ২ থেকে ২৫০০ শত টাকা দরে। ছোট পান বিক্রি করেছিলাম ১০০০ টাকা করে কয়েক দিনের ব্যবধানে এখন ওই পান বিক্রি করতে হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা দরে।