ঢাকা প্রতিদিন সাহিত্য ডেস্ক : শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী মিরপুরে বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্ত্রীর পাশে চিরনিদ্রায় লেখক-সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী।
শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় মরদেহ নেয়া হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে। সেখানে জানাজা শেষে সন্ধ্যায় তাকে দাফন করা হয়।
এর আগে মরদেহ দেশে পৌঁছার পর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তাকে শ্রদ্ধা জানান সর্বস্তরের মানুষ।
আবদুল গাফফার চৌধুরীর লেখা ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’গানটি গেয়েই একুশের প্রতীক কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান, হাজারো জনতা।
রাষ্ট্রীয় সম্মানের অংশ হিসেবে তাকে দেয়া গার্ড অব অনার।
একুশে পদক ও স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধা জানানো হয়। শেষবারের মতো তাকে দেখতে আসেন তার দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধা ও দেশের বিশিষ্টজনেরা।
মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর সরকার নিবন্ধিত দেশের প্রথম পত্রিকা সাপ্তাহিক ‘জয় বাংলা’র প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক গাফফার চৌধুরীকে শ্রদ্ধা জানান সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।
এরপর গাফফার চৌধুরীকে নেয়া তার প্রিয় কর্মস্থল জাতীয় প্রেসক্লাবে। সেখানেও জানাজা শেষে তাকে শ্রদ্ধা জানান, তার দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা।
এর আগে বেলা ১১টার দিকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে তার মরদেহ দেশে পৌঁছায়। গত বৃহস্পতিবার ভোরে লন্ডনে একটি হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন আবদুল গাফফার চৌধুরী।
ঢাকা প্রতিদিন/এআর