বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
১৭ বছরের সাজা এড়াতে ২০ বছর পলাতক ; অবশেষে গ্রেফতার কিশোরগঞ্জে হাওরের অতিবৃষ্টির কারণে কৃষকের স্বপ্ন ডুবে যাচ্ছে পানির নিচে লালমনিরহাটে কৈশোরকালীন স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত মুকসুূদপুর জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান উপকূলীয় অঞ্চলে ক্রমাগত লবনাক্ততা বৃদ্ধি পাওয়ায় পাইকগাছায়” পানি সংলাপ” অনুষ্ঠিত দিনাজপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ এর বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত শরণখোলায় বজ্রপাতে চার গরুর মৃত্যু ঠাকুরগাঁওয়ে ২শ’ হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান সালথার আটঘর ইউপি চেয়ারম্যান সোহাগ খান গ্রেপ্তার কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকের ন্যায় সংগত অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি কুড়িগ্রামের বিশিষ্ট জনদের এমপির নির্দেশনা উপেক্ষা করে খেলার মাঠ দখলের পাঁয়তারা বিআইডব্লিউটিসি’র দুর্যোগের পূর্বাভাসে সুনামগঞ্জের বরাম হাওরে দ্রুত ধান কাটার নির্দেশ জেলা প্রশাসকের বাঁধ ভাঙার দায় কার? প্রশাসন আর প্রকৃতির রোষে সর্বস্বান্ত হাওরবাসী ডিসি সম্মেলনে ৪৯৮টি প্রস্তাবের ওপর আলোচনা হবে ফুলবাড়ীতে তিনদিন ব্যাপী ভ্রাম্যমাণ বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসবের উদ্বোধন ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় বালু বোঝাই ট্রলি দুর্ঘটনায় চালকের মৃত্যু কাপ্তাইয়ে বড়ইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ড্রেন সংস্কার কাজের শুভ উদ্বোধন কাউখালীর আশোয়া গ্রামটি নদীভাঙনে বিলুপ্তির পথে কাউখালীর সন্ধ্যা নদীতে কোস্টারের ধাক্কায় ফেরি ক্ষতিগ্রস্ত, ট্রলার ডুবি জামালপুরে বজ্রপাতে দুইজনের মর্মান্তিক মৃত্যু মতলব উত্তর পাঁচগাছিয়ায় দারুল উলুম মাদ্রাসায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও অভিভাবক সম্মেলন অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেন্ডার সংবেদনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক গ্রাম আদালত উৎসব অনুষ্ঠিত নকলমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা ও শিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নদীতে বৃদ্ধ নিখোঁজ—দুই দিনেও সন্ধান মেলেনি ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যতিক্রমী চড়ক মেলা ও চারিকারু প্রর্দশন: গ্রামীণ ঐতিহ্যের রঙে মুখর প্রত্যন্ত জনপদ ন্যায়বিচারের বার্তা নিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উদযাপন সালথায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীতে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬ পালিত মে দিবস উপলক্ষে দিনাজপুরে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের লিফলেট বিতরণ মাদারগঞ্জে ৫শ পিস ইয়াবাসহ মাদককারবারী আটক-২

যে কারণে ৩৮ বছর বয়সেই বৃদ্ধাশ্রমে ঠাঁই হলো নারীর

অনলাইন ডেস্ক :
শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন

ঢাকাপ্রতিদিন নারী ও শিশু ডেস্ক : বয়স মাত্র ৩৮, কিন্তু এই বয়সেই থাকেন বৃদ্ধাশ্রমে। এমন কাণ্ড ঘটিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন অস্ট্রেলিয়ার এক নারী। অল্প বয়সেই সব ছেড়ে বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের সঙ্গে থাকার সিদ্ধান্তেই ভাইরাল হয়েছেন তিনি। তার নাম মিস ইয়াং।

কিন্তু হঠাৎ করে কেন এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তরুণী, তা জানতে আগ্রহী সবাই। আর সেই প্রশ্নের উত্তরে তরুণী জানিয়েছেন, প্রেমের টানে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন তিনি। কিন্তু কিছুদিন পরেই সম্পর্ক ভেঙে দেন প্রেমিক। বের করে দেন বাড়ি থেকে।

এ পরিস্থিতিতে ভাড়াবাসায় থাকতে শুরু করেন তিনি।

একদিকে সম্পর্ক ভাঙার বেদনা, অন্যদিকে টানা দুই মাস ভাড়া বাসায় থাকার অর্থনৈতিক চাপে কোণঠাসা হয়ে পড়েন ইয়াং। এই অবস্থায় স্থায়ী সমাধানের জন্য ফুফুর কাছে পরামর্শ চাইতে যান তিনি। ঘটনাক্রমে তার ফুফু থাকেন একটি রিটায়ারমেন্ট হোম বা বৃদ্ধাশ্রমে।

তখন ফুফুই তাকে পরামর্শ দেন, যাতে তিনি সেই বৃদ্ধাশ্রমে থেকে যান। ইয়াং প্রথমে দ্বিধায় পড়েন। একে তো বয়সের সীমা, অন্যদিকে এমন বৃদ্ধ মানুষদের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া তার পক্ষে সম্ভব হবে কি না, তাই নিয়ে তার উদ্বেগ ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই বৃদ্ধাশ্রমে ফুফুর পাশের ঘরটিতে থাকতে চেয়ে আবেদন করেন ইয়াং।

ইয়াং ভেবেছিলেন তার আবেদন হয়তো গ্রহণ করা হবে না।

কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে ছয় সপ্তাহ পর তার আবেদন মঞ্জুর করে কর্তৃপক্ষ। তিনিও দ্বিধা সরিয়ে রেখে সেখানেই থাকার সিদ্ধান্ত নেন। সঙ্গীদের চেয়ে বয়সে অনেক ছোট হলেও, ইয়াং জানান, এই সিদ্ধান্ত তাকে শান্তি এনে দিয়েছে। পাশাপাশি বৃদ্ধাশ্রম অনেক সাশ্রয়ী। ব্যস্ত শহুরে জীবনের ইঁদুরদৌড়ের মাঝে এই আশ্রয় যেন এক ধীর গতির নীড়। আর এমন তাড়াহুড়োহীন জীবনই চেয়েছিলেন তিনি।

জীবনের এক অস্থির অধ্যায়ের মাঝে এমন সাদামাটা গতিহীন জীবনই তার মনকে শান্ত করেছে। ইয়াং-এর দাবি, এই বৃদ্ধাশ্রমে আসার পর তিনি যেন একটি বড় পরিবারের অংশ হয়ে উঠেছেন। যেদিন প্রথম আসেন সেদিনই বৃদ্ধ প্রতিবেশীরা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এমনকি দুই বয়স্ক ভদ্রলোক এগিয়ে এসে তার বিছানা ও টিভি স্ট্যান্ড জোড়া লাগিয়ে দেন বলেও জানিয়েছেন ইয়াং।

প্রবীণদের মাঝে বাস করা যেন শাপে বর হয়েছে ইয়াং-এর জন্য। শান্ত পরিবেশ তার মনকে শান্তি দিয়েছে, আবার শহরের দৌড়ঝাঁপ কিংবা সর্বক্ষণ প্রযুক্তির বাড়বাড়ন্ত নেই সেখানে। এই ধীর গতির জীবন তার মানসিক স্বাস্থ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তাকে আরো শান্ত ও মনোযোগী করেছে।

প্রাথমিকভাবে যেটাকে অস্থায়ী বাসা ভেবেছিলেন, সেটাই এখন হয়ে উঠেছে তার সত্যিকারের প্রিয় বাসস্থান। আর এখানের সবকিছুই তিনি পাচ্ছেন অত্যন্ত কম খরচে। যেখানে শহরে বাড়িভাড়া করে থাকতে তার মাসে ২০০০ ডলার খরচ করতে হতো, সেখানে মাত্র ৩০০ ডলারে বৃদ্ধাশ্রমে থাকছেন তিনি।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে ইয়াং জানিয়েছেন, এখন তার সকাল শুরু হয় রেকর্ড প্লেয়ার থেকে ভেসে আসা পুরনো দিনের গান শুনে। তারপর কফি খান, যোগব্যায়াম করেন কিংবা সাইকেল চালান। আবার কাজ থেকে ফিরে সন্ধ্যায় বৃদ্ধাশ্রমের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে আড্ডা, ছোটখাটো খেলাধুলা কিংবা গান গেয়ে সময় কাটান।

রিটায়ারমেন্ট হোমে থাকার পর থেকে বার্ধক্য নিয়েও দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিয়েছে ইয়াং-এর। প্রাণবন্ত ও সুখী প্রবীণদের মাঝে থেকে তিনি আর বয়স বেড়ে যাওয়ার ভয় পান না। বরং, এখন তিনি বার্ধক্যকে জীবনের এক আনন্দময় ও অর্থবহ অধ্যায় বলে মনে করেন। তার কথায়, এটি এক ধরনের আশ্রয়স্থল, একটি জায়গা, যা নতুন করে শান্তি ও আত্মীয়তার অনুভূতি দেয়।
সূত্র : আজকাল
ঢাকাপ্রতিদিন/এআর

 

 


এই বিভাগের আরো খবর