মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
এসএসসি পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দোয়া ও শুভকামনা জানালেন হাজী আশরাফ উদ্দিন পাইকগাছায় সাংবাদিক ফসিয়ারের নিরব আর্তনাদ : যেন এক নির্মম সময়ের গল্প ! ঘাটাইলে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত চিৎমরমের দূর্গম চাকুয়া পাড়ায় কৃষি বিভাগের ফিল্ড টেকনোলজি ওরিয়েন্টেশন ভাণ্ডারিয়ায় জ্বালানি তেল সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন নগরকান্দায় হাম রুবেলার টিকাদান ক্যাম্পেইন এর শুভ উদ্বোধন কিশোরগঞ্জে হত্যা মামলার আসামী আটক এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষার্থীদের জন্য দোয়া ও শুভকামনা জানালেন নিজাম উদ্দিন নবীনগরে অলরাউন্ডার প্রশিক্ষণের ১৩তম সেমিনার অনুষ্ঠিত দেশব্যাপী হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন শুরু নদীতে ফেলে দিতে চাওয়া সেই নবজাতকের দায়িত্ব নিলেন দম্পত্তি কক্সবাজার সাংবাদিকদের নিয়ে দক্ষতা ও উন্নয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান- “বিভ্রান্তির রাজনীতি নয়, বাস্তব উন্নয়নই আমাদের লক্ষ্য” বাংলাদেশ–পাকিস্তানের প্রকৌশলীদের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারে আইইবি–আইইপি–পিইসি’র দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ঝালকাঠির কীর্ত্তিপাশা ইউনিয়ন ওয়ার্ড মহিলা দলের নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে সংসদ সদস্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে মানিকগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন পাইকগাছায় রাস্তার উপর মাটির বাঁধ, যান চলাচল বন্ধ: বিপাকে স্থানীয়রা মুন্সীগঞ্জে প্রকৌশলীর সরকারি ল্যাপটপ চুরির অভিযোগ ঠিকাদারের বিরুদ্ধে আমতলীতে মেটাল ফার্মটেক লিমিটেডের উদ্যোগে গ্রাহক সম্মেলন ও মেলা অনুষ্ঠিত আমতলী সরকারী কলেজের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল লতিফ মৃধার মৃত্যু কিশোরের সাহসিকতায় প্রাণ বাঁচল বাছুরের কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে দৃঢ়ভাবে কাজ করছে বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি আমদানি খরচ বেশি হওয়ায় জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে সরকার পরিবহন ভাড়া ৪০ শতাংশ বাড়াতে চায় মালিক সমিতি রিহ্যাব নির্বাচনে বিজয়ী আব্দুর রাজ্জাক ও মোঃ এমদাদুল হককে বৃহত্তর কুষ্টিয়া অফিসার্স কল্যাণ ফোরামের ফুলেল সংবর্ধনা শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাল থেকে সুনামগঞ্জে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন চোখের লেন্স বিক্রি নিয়ে বিরাট নৈরাজ্য মোগটুলা ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান ইছাম উদ্দিন আর নেই সবধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার 

যে কারণে ৩৮ বছর বয়সেই বৃদ্ধাশ্রমে ঠাঁই হলো নারীর

অনলাইন ডেস্ক :
শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন

ঢাকাপ্রতিদিন নারী ও শিশু ডেস্ক : বয়স মাত্র ৩৮, কিন্তু এই বয়সেই থাকেন বৃদ্ধাশ্রমে। এমন কাণ্ড ঘটিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন অস্ট্রেলিয়ার এক নারী। অল্প বয়সেই সব ছেড়ে বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের সঙ্গে থাকার সিদ্ধান্তেই ভাইরাল হয়েছেন তিনি। তার নাম মিস ইয়াং।

কিন্তু হঠাৎ করে কেন এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তরুণী, তা জানতে আগ্রহী সবাই। আর সেই প্রশ্নের উত্তরে তরুণী জানিয়েছেন, প্রেমের টানে অস্ট্রেলিয়ায় আসেন তিনি। কিন্তু কিছুদিন পরেই সম্পর্ক ভেঙে দেন প্রেমিক। বের করে দেন বাড়ি থেকে।

এ পরিস্থিতিতে ভাড়াবাসায় থাকতে শুরু করেন তিনি।

একদিকে সম্পর্ক ভাঙার বেদনা, অন্যদিকে টানা দুই মাস ভাড়া বাসায় থাকার অর্থনৈতিক চাপে কোণঠাসা হয়ে পড়েন ইয়াং। এই অবস্থায় স্থায়ী সমাধানের জন্য ফুফুর কাছে পরামর্শ চাইতে যান তিনি। ঘটনাক্রমে তার ফুফু থাকেন একটি রিটায়ারমেন্ট হোম বা বৃদ্ধাশ্রমে।

তখন ফুফুই তাকে পরামর্শ দেন, যাতে তিনি সেই বৃদ্ধাশ্রমে থেকে যান। ইয়াং প্রথমে দ্বিধায় পড়েন। একে তো বয়সের সীমা, অন্যদিকে এমন বৃদ্ধ মানুষদের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া তার পক্ষে সম্ভব হবে কি না, তাই নিয়ে তার উদ্বেগ ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই বৃদ্ধাশ্রমে ফুফুর পাশের ঘরটিতে থাকতে চেয়ে আবেদন করেন ইয়াং।

ইয়াং ভেবেছিলেন তার আবেদন হয়তো গ্রহণ করা হবে না।

কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে ছয় সপ্তাহ পর তার আবেদন মঞ্জুর করে কর্তৃপক্ষ। তিনিও দ্বিধা সরিয়ে রেখে সেখানেই থাকার সিদ্ধান্ত নেন। সঙ্গীদের চেয়ে বয়সে অনেক ছোট হলেও, ইয়াং জানান, এই সিদ্ধান্ত তাকে শান্তি এনে দিয়েছে। পাশাপাশি বৃদ্ধাশ্রম অনেক সাশ্রয়ী। ব্যস্ত শহুরে জীবনের ইঁদুরদৌড়ের মাঝে এই আশ্রয় যেন এক ধীর গতির নীড়। আর এমন তাড়াহুড়োহীন জীবনই চেয়েছিলেন তিনি।

জীবনের এক অস্থির অধ্যায়ের মাঝে এমন সাদামাটা গতিহীন জীবনই তার মনকে শান্ত করেছে। ইয়াং-এর দাবি, এই বৃদ্ধাশ্রমে আসার পর তিনি যেন একটি বড় পরিবারের অংশ হয়ে উঠেছেন। যেদিন প্রথম আসেন সেদিনই বৃদ্ধ প্রতিবেশীরা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এমনকি দুই বয়স্ক ভদ্রলোক এগিয়ে এসে তার বিছানা ও টিভি স্ট্যান্ড জোড়া লাগিয়ে দেন বলেও জানিয়েছেন ইয়াং।

প্রবীণদের মাঝে বাস করা যেন শাপে বর হয়েছে ইয়াং-এর জন্য। শান্ত পরিবেশ তার মনকে শান্তি দিয়েছে, আবার শহরের দৌড়ঝাঁপ কিংবা সর্বক্ষণ প্রযুক্তির বাড়বাড়ন্ত নেই সেখানে। এই ধীর গতির জীবন তার মানসিক স্বাস্থ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তাকে আরো শান্ত ও মনোযোগী করেছে।

প্রাথমিকভাবে যেটাকে অস্থায়ী বাসা ভেবেছিলেন, সেটাই এখন হয়ে উঠেছে তার সত্যিকারের প্রিয় বাসস্থান। আর এখানের সবকিছুই তিনি পাচ্ছেন অত্যন্ত কম খরচে। যেখানে শহরে বাড়িভাড়া করে থাকতে তার মাসে ২০০০ ডলার খরচ করতে হতো, সেখানে মাত্র ৩০০ ডলারে বৃদ্ধাশ্রমে থাকছেন তিনি।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে ইয়াং জানিয়েছেন, এখন তার সকাল শুরু হয় রেকর্ড প্লেয়ার থেকে ভেসে আসা পুরনো দিনের গান শুনে। তারপর কফি খান, যোগব্যায়াম করেন কিংবা সাইকেল চালান। আবার কাজ থেকে ফিরে সন্ধ্যায় বৃদ্ধাশ্রমের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে আড্ডা, ছোটখাটো খেলাধুলা কিংবা গান গেয়ে সময় কাটান।

রিটায়ারমেন্ট হোমে থাকার পর থেকে বার্ধক্য নিয়েও দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিয়েছে ইয়াং-এর। প্রাণবন্ত ও সুখী প্রবীণদের মাঝে থেকে তিনি আর বয়স বেড়ে যাওয়ার ভয় পান না। বরং, এখন তিনি বার্ধক্যকে জীবনের এক আনন্দময় ও অর্থবহ অধ্যায় বলে মনে করেন। তার কথায়, এটি এক ধরনের আশ্রয়স্থল, একটি জায়গা, যা নতুন করে শান্তি ও আত্মীয়তার অনুভূতি দেয়।
সূত্র : আজকাল
ঢাকাপ্রতিদিন/এআর

 

 


এই বিভাগের আরো খবর