বিগত সরকারের সময়ে মামলা-হামলায় দমানো যায়নি যাদের তারা আজ নতুনদের ভিড়ে ভুগছে অস্তিত্ব সংকটে। এমনই একজন রাজাপুর উপজেলা যুবদলের আহব্বায়ক মাসুম বিল্লাহ পারভেজ। ৫ ই আগষ্ট পরবর্তী নতুন নেতাদের চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে মাসুম বিল্লাহ পারভেজ সহ উপজেলা যুবদলকে। একাধিকবার নির্যাতনের শিকার হয়েও দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছিলেন তিনি। কঠিন সব মুখ ও মুহূর্তের মুখোমুখি হয়েছেন একাধিক বার দলটির এই যুব নেতা। তিনি দীর্ঘদিন ছাত্রদলের সাথে জড়িত ছিলেন। রাজাপুর সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস এবং রাজাপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মাসুম বিল্লাহ পারভেজ। ছাত্রদলের রাজানীতি শেষে তিনি যুক্ত হয়েছেন জাতীয়তাবাদী যুবদলে। দীর্ষ ১৭ বছর আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে রাজাপথে আন্দলোন সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন তিনি।
স্থানীয় সুত্র জানায়, ব্যারিস্টার এম শাহজাহান ওমর বীর উত্তম যখন দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে রাজাপুরে একক আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন তখন মাসুম বিল্লাহ পারভেজ’র নেত্বেৃত্তে এর প্রতিবাদ করা হয়। তারেক রহমানের নির্দেশে এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামালের নেতেৃত্বে বিএনপির মূলধারার কাজ করতে গিয়ে ২০২৩ সালের ১০ নভেম্বর শাহজাহান ওমর ও তার সহযোগীদের দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয় মাসুম বিল্লাহ পারভেজ। সে সময়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে কত্যার্বরত চিকিৎসক বলে দেয় তিনি হয়তো আর বাচঁবে না। এখান থেকে তাকে বরিশাল শেবাচিমে পাঠানো হলে অবস্থার বেগতিক দেখে সেখান থেকে পারভেজকে ঢাকা নিউরো সাইন্স হসপিটালে পাঠানো হয়। সেখানে দীর্ঘদিন চিকিৎসার পরে সকলের মাঝে সুস্থ হয়ে ফিরে আসে যুবদল নেতা মাসুম বিল্লাহ পারভেজ। এই ত্যাগী নেতার নেতৃত্বে জুলাই আন্দোলনে মাঠে সক্রিয় ভুমিকায় ছিলো রাজাপুর উপজেলা যুবদল।
রাজাপুর উপজেলা যুবদলের আহব্বায়ক মাসুম বিল্লাহ পারভেজ জানায়, বিগত সরকারের সময়ে বারবার হামলা-মামলার শিকার হয়েছি আমি। দলের জন্য জীবনের অনেক সময় ব্যায় করেছি। জুলাই আন্দোলনে স্বৈরাচার সরকার পতনের জন্য আমি ও যুবদলের নেতারা সক্রিয় ছিলো। জুলাই আন্দোলন পরবর্তী নতুনদের ভিড়ে এবং দলীয় কিছু নেতাদের দাপটে অস্তিত্ব সংকটে ভুগছি আমরা। আমরা চাই ত্যাগীদের দলে মুল্যায়ন করা হোক।