শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, সরকার শিক্ষাকে আর খরচের খাত হিসেবে দেখবে না, বরং এটিকে রাষ্ট্রের প্রথম বিনিয়োগ, মানবসম্পদের মূল কারখানা এবং জাতি-গঠনের প্রধান প্রকল্প হিসেবে বিবেচনা করবে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন অর্থায়ন। গত বছরগুলোতে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির মাত্র ১.৫ থেকে ২ শতাংশের কাছাকাছি ছিল, যা কাঠামোগত সীমা। আমাদের সরকার প্রধানমন্ত্রীর নীতিগত অবস্থান অনুযায়ী জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করবে।”
তিনি আরও বলেন, “শুধু বরাদ্দ বাড়ানো যথেষ্ট নয়, বরং খরচের গুণগত মান পরিবর্তন করতে হবে। শিক্ষক প্রশিক্ষণ, প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ, বিজ্ঞানাগার, গ্রন্থাগার, ভাষা ল্যাব, ডিজিটাল কনটেন্ট, স্কুল অবকাঠামো এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।”
ববি হাজ্জাজ বলেন, “আমরা ওয়ান টিচার-ওয়ান ট্যাব পদ্ধতিতে শিক্ষাকে আধুনিক করব। ফ্রি ওয়াই-ফাই, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমসহ এটিকে শিক্ষণ-শেখার কার্যকর অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে উন্নত করা হবে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের তৃতীয় একটি ভাষা শেখানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং মাধ্যমিক পর্যায়ে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা হবে।”
প্রতিমন্ত্রী যোগ করেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু সনদ দেওয়া নয়, বরং শিক্ষার্থীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। স্কুলগুলোকে ইনোভেশন স্পেসে রূপান্তরিত করা হবে, যাতে তারা আন্তর্জাতিক চাহিদা ও শ্রমবাজারে সক্ষমতা অর্জন করতে পারে।”
আরএস-রাসেল