লক্ষ্যে ইয়ুথ ক্লাব অব বাংলাদেশ এর আয়োজনে আজ ৫ ই সেপ্টেম্বর ২০২৫ রাজধানীর আগারগাও এ অবস্থিত ন্যাশনাল আর্কাইভ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হল “ ওয়াইসিবিয়ান ক্যারিয়ার কনফারেন্স ২০২৫”। যেখানে অংশগ্রহন করে ইয়ুথ ক্লাব অব বাংলাদেশ এর ৩ টি বিভাগ (ঢাকা, চট্টগ্রাম,রাজশাহী) থেকে আগত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ এর প্রায় ২৫০ জন তরুন। যার মূল লক্ষ্য ছিল নেতৃত্ব বিকাশের মাধ্যমে কিভাবে নিজেদের দক্ষতা উন্নয়ন করে সুদক্ষ মানব সম্পদে পরিনত হতে পারে এবং সামাজিক নানা সমস্যা মোকাবেলা করে শান্তি-সমৃদ্দ্বির বাংলাদেশ গঠনে কাজ করে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে তা শানিত করা। ওয়াইসিবির মুলত যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এর নিবন্ধিত একটি অলাভজনক, অরাজনৈতিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন যা প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৩ সালের ১২ই আগস্ট বিভিন্ন বিশ্ববিল্যালয় পড়ূয়া একদল স্বপ্নবাজ অদম্য তরণদের হাত ধরে যার মুল প্রতিপাদ্য “আমরাই পারি আমাদের পৃথিবী পরিবর্তন করতে।“১০ জন প্রতিষ্ঠা কালীন সদস্য নিয়ে গড়ে ওঠা ওয়াইসিবি আজ ১২ বছর এর আলোকযাত্রা পেরিয়ে পরিনত হয়েছে ৮৫০ জনের এক বিশাল পরিবারে। ঢাকা , চিটাগং , রাজশাহী এই ৩ টি বিভাগে ওয়াইসিবি কাজ করছে স্বাস্থ্য সচেতনতা ( থ্যালাসেমিয়া, হেপাটাইটিস, স্তন ক্যান্সার) , দক্ষতা উন্নয়ন , জলবায়ু ও পরিবেশ উন্নয়ন, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা, প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে। থ্যালাসেমিয়ার সচেতনতায় অনন্য অবদানের জন্য ওয়াইসিবির সভাপতি আরেফিন রহমান হিমেল প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে কমনওয়েলথ পয়েন্টস অব লাইট এওয়ার্ড এ ভূষিত হন ২০১৮ সালে যা দেশ তথা ওয়াসিবির প্রতিটি সদস্যের জন্য বিরল সম্মান বয়ে আনে । এভাবেই ওয়াইসিবি এগিয়ে চলছে সকলের ভালোবাসায় স্ব মহিমায় দৃঢ়পদে । ওয়াইসিবির ১২ বছর পুর্তির এ আয়োজন শুরু হয় সকাল ১০ টায় দক্ষতা উন্নয়ন ভিত্তিক একটি সেশনের মাধ্যমে। অনুষ্ঠানে নানা আয়োজনের মধ্যে অন্যতম ছিল ক্যারিয়ার নির্দেশনা মুলক পর্ব যেখানে বিভিন্ন দেশী বিদেশী কোম্পানির মানবসম্পদ ও পরিচালনা পর্ষদ এর প্রধানগন । অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে উপ্সথিত ছিলেন স্মার্ট টেকনোলজিস বিডি লি এর চ্যানেল সেলস এর ডিরেক্টর মুজাহিদ আল বেরুনী সুজন, বাংলাদেশ থালাসেমিয়া সমিতি হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী ডাঃ ইকরামুল হোসেন স্বপন , গিগাবাইট এর কান্ট্রি ম্যানেজার আনাস খান , প্রফেসর ফাতিমা সুরাইয়া সহ গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গ ।
আগত বক্তারা সঠিক নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশের বিপুল সংখ্যক তরুন সমাজকে দক্ষ করে গড়ে তোলার বিকল্প নেই । সামাজিক সম্প্রীতির মাধ্যমে বদলে যাওয়া এজন্য তরুনদের স্বদিচ্ছা , আগ্রহ , সব ক্ষেত্রের শান্তিপূর্ণ সহবস্থান, সঠিক দিক নির্দেশনা ইত্যাদির উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।